তিন বছর অ্যাডসেন্সে বাতিল, তারপর এক মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা
বাবার ভাঙা ডিপিএসের টাকায় কেনা ল্যাপটপে ২০১৬ সালে শুরু; প্রায় তিন বছর কিছুই আসেনি। মোড় ঘোরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, পরের মাসেই হাতে আসে ১,৩০,০০০ টাকা।
যশোরের এই তরুণ ২০১৬ সালে ওয়েবসাইট বানিয়ে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের চেষ্টা শুরু করেন; ল্যাপটপটি কেনা হয়েছিল বাবার ভাঙা ডিপিএসের টাকায়। প্রায় তিন বছর কিছুই দাঁড়ায়নি — নিজে অন্যদের এই বিষয় শেখালেও তাঁর নিজের অ্যাডসেন্স আবেদন বারবার বাতিল হয়েছে, এলাকায় লোকে হাসাহাসি করেছে, আর চাকরি নেই বলে শ্বশুরবাড়ি প্রথমে বিয়েতে রাজিই হয়নি। করোনার সময় ভাইদের সঙ্গে খোলা একটি রেস্তোরাঁও টেকেনি, উল্টো ঋণ বেড়েছে। মোড় ঘোরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, আর পরের মাসেই তিনি হাতে পান ১,৩০,০০০ টাকা। এখন তাঁর মাসিক আয় ১ লাখ টাকার বেশি, যার প্রায় ৭০ শতাংশ খরচ করেন ৭০ সদস্যের একটি স্থানীয় স্পোর্টিং ক্লাবের পেছনে। তাঁর ভাষায়, "আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, বাস্তবতা বুঝি।"
যা শেখার আছে
- ১.প্ল্যাটফর্মের অনুমোদনই এখানে দরজা — অ্যাডসেন্সের আবেদন বারবার বাতিল হওয়ায় প্রায় তিন বছর কোনো আয়ই আসেনি
- ২.অপেক্ষার সময়ে খোলা পাশের ব্যবসাটি ঝুঁকি কমায়নি — রেস্তোরাঁটি বন্ধ হয়ে উল্টো ঋণ বাড়িয়েছে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
