ইউটিউব ও কনটেন্ট তৈরি
ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে বিজ্ঞাপন থেকে আয়। বিজ্ঞাপনের টাকার ৫৫% পান নির্মাতা, শর্টসে ৪৫%; আয় শুরু করতে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ ঘণ্টা ওয়াচ টাইম লাগে, যা দ্বিগুণ হচ্ছে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ইউটিউব ও কনটেন্ট তৈরি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩,০০০ – ৳২,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩৬৫ – ৭৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১৩ – ৪৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- অনলাইন · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে দিয়ে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার কাজ। শুনতে সহজ, কিন্তু টাকার হিসাবটা আগে জেনে নেওয়া দরকার। ইউটিউব বিজ্ঞাপনের টাকার ৫৫ শতাংশ দেয় বড় ভিডিওর নির্মাতাকে, আর শর্টসের ক্ষেত্রে দেয় ৪৫ শতাংশ — বাকিটা ইউটিউব নিজে রাখে। আয় শুরু করতেই হলে চ্যানেলে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার লাগে, সঙ্গে গত এক বছরে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ টাইম বা ৯০ দিনে ১ কোটি শর্টস ভিউ। ১১ আগস্ট ২০২৬-এ ইউটিউব জানিয়েছে, নতুন চ্যানেলের জন্য এই দুটো সীমাই দ্বিগুণ হচ্ছে — ৮ হাজার ঘণ্টা আর ২ কোটি শর্টস ভিউ। তারপরও টাকা হাতে আসে না যতক্ষণ না অ্যাডসেন্সে ১০০ ডলার জমে; জমলে পরের মাসে ব্যাংকে আসে। দেশি একটা উদাহরণ দেখুন। পিসিবিল্ডার বাংলাদেশ চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ৬ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি, বয়স দশ বছর। তাদের এখন ৪০ জনের বেশি কর্মী, মাসে বেতনই যায় প্রায় ৭ লাখ টাকা আর অফিস চালাতে আরও ৩ লাখ। আর তারা টিকে আছে নিজেদের মাউস প্যাড, কুলিং ফ্যান আর অনলাইন দোকান বেচে — শুধু বিজ্ঞাপনের টাকায় নয়। এটাই আসল কথা: চ্যানেল বড় হলেও বিজ্ঞাপনের টাকা একা সংসার চালায় না, আয় আসে স্পনসর, নিজের পণ্য আর সেবা থেকে। ভালো খবর একটাই — ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট তৈরির আয়ে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ করা হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৭,০০,০০০ – ৳১০,০০,০০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩০ – ৳১৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৪ – ৳৮৩ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৪৫% – ৫৫% | বাজারদর | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩৬৫ – ৭৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১৩ – ৪৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৬০ দিন | বাজারদর | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২০% – ৪০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.২ – ১০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কমপক্ষে: একটি ফোন, কলার মাইক্রোফোন (বোয়া বিওয়াই-এম১ ৳৯৪০) ও ট্রাইপড (৳১,৮০০ থেকে)। বড় করতে চাইলে: ক্যামেরা (ক্যানন ইওএস আর১০০ লেন্সসহ ৳৫৫,২৪২), সম্পাদনার ল্যাপটপ (কোর আই৫ ১৩তম প্রজন্ম ৳৫৯,৯০০–১,১২,০০০), সফটবক্স আলো (৳৯,৫০০)। সব দর স্টার টেক, ১৬-০৯-২০২৬।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে, যদি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করেন বা কর্মী রাখেন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড — তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ, বিনা মূল্যে (freelancersgov.bd)। শর্ত: গত এক বছরে অন্তত ৫০ মার্কিন ডলার আয়। মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল বা ওয়ার্ক অর্ডার, আয়ের স্ক্রিনশট, ব্যাংক বিবরণী ও জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে। বাধ্যতামূলক নয়, কিন্তু ব্যাংকে আয় প্রমাণ করতে কাজে দেয়।লাইসেন্স
- ছবি তোলা, শব্দ ধরা আর সম্পাদনা। টেন মিনিট স্কুলে 'ভিডিও মেকিং' ৳১,২৫০; মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক ডিজাইন ও 'ফ্রিল্যান্সিংয়ের হাতেখড়ি' বিনা মূল্যে।দক্ষতা
- গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট আর তার সঙ্গে যুক্ত একটি ব্যাংক হিসাব। টাকা পেতে টিআইএন নম্বরও দিতে হয়।সরবরাহকারী
- ঘরের এক কোণা হলেই চলে, তবে শব্দ যেন না ঢোকে। দল বড় হলে অফিস লাগে — পিসিবিল্ডার বাংলাদেশের অফিস চালাতে মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা যায়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1কোন বিষয়ে ভিডিও বানাবেন সেটা আগে ঠিক করুন, আর দেখে নিন সেই বিষয়ে বাংলায় আগে থেকে কারা কাজ করছে এবং তারা কত দর্শক পাচ্ছে।
- 2হাতের ফোন দিয়েই শুরু করুন। বোয়া বিওয়াই-এম১ কলার মাইক্রোফোনের দাম স্টার টেকে ৳৯৪০ আর ট্রাইপড ৳১,৮০০ থেকে — শব্দ আর স্থির ছবিই প্রথম দুটো জিনিস।
- 3সম্পাদনা শিখুন। টেন মিনিট স্কুলের 'ভিডিও মেকিং' কোর্স ৳১,২৫০, আর মোবাইল দিয়ে ডিজাইনের কোর্স বিনা মূল্যে।
- 4গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে চ্যানেল খুলে দুই স্তরের যাচাই চালু করুন, আর নিজের তৈরি ভিডিও ছাড়া কিছু দেবেন না — অন্যের ভিডিও বা গান দিলে মনিটাইজেশন কখনো চালু হবে না।
- 5নিয়মিত প্রকাশ করুন এবং ওয়াচ টাইমের হিসাব রাখুন। এখনকার শর্ত ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও এক বছরে ৪০০০ ঘণ্টা, নতুন চ্যানেলের জন্য তা ৮০০০ ঘণ্টা হচ্ছে।
- 6মনিটাইজেশনের আবেদনের আগে গুগল অ্যাডসেন্স খুলুন, তারপর ব্যাংক হিসাব আর টিআইএন নম্বর যোগ করুন।
- 7অ্যাডসেন্সে ১০ ডলার জমলে ডাকে আসা পিন দিয়ে ঠিকানা যাচাই করুন — এটা না করলে টাকা আটকে থাকে।
- 8শুধু বিজ্ঞাপনের ভরসায় থাকবেন না। স্পনসর, নিজের পণ্য বা কোর্স — দ্বিতীয় একটা আয়ের পথ দাঁড় করান। দেশের বড় চ্যানেলগুলো এভাবেই টিকে আছে।
- 9আয় বৈধ পথে ব্যাংকে আনুন। কনটেন্ট তৈরির আয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ, তাই লুকানোর কিছু নেই।
- 10আইসিটি বিভাগের বিনা মূল্যের ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড নিয়ে রাখুন — ব্যাংকে আয়ের প্রমাণ দেখাতে কাজে লাগে। গত এক বছরে অন্তত ৫০ ডলার আয় থাকতে হবে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বেশি, আর স্থানীয় ব্র্যান্ডের স্পনসরের সুযোগ আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · স্পনসর ও বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবগুলোর অফিস ঢাকায়, তাই বিজ্ঞাপনের বাইরে আয়ের কাজ এখানেই বেশি জোটে।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; কৃষি ও ব্যবসার কনটেন্টের দর্শক এ অঞ্চলে বেশি।
- সম্ভবকক্সবাজার · ভ্রমণ কনটেন্টের জন্য দেশের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন জায়গা, তবে প্রতিযোগিতাও সেখানেই সবচেয়ে বেশি।
- সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার লাগোয়া, শুটিংয়ের খরচ কম আর ঢাকার কাজ ধরা যায়।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, স্থানীয় ব্যবসার স্পনসরের সুযোগ আছে তবে ঢাকার তুলনায় কম।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষিকেন্দ্রিক এলাকা, কৃষি-কনটেন্টের বিষয়বস্তু কাছেই।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার কাছে, পোশাক ও ব্যবসার কনটেন্টের বিষয়বস্তু হাতের কাছে।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক তরুণ দর্শক ও কম খরচের জীবনযাত্রা, যা আয় শুরুর আগের সময়টা পার করতে সাহায্য করে।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী দর্শক বেশি, ভ্রমণ ও খাবারের কনটেন্টে স্থানীয় বিষয়বস্তুর অভাব নেই।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: আয়ের শর্ত ইউটিউব যখন খুশি বদলায় এবং বদলাচ্ছে কঠিনের দিকে। ১১ আগস্ট ২০২৬-এ ঘোষণা এসেছে, নতুন চ্যানেলের ওয়াচ টাইম ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার ঘণ্টা আর শর্টস ভিউ ১ কোটি থেকে ২ কোটি হচ্ছে। যে চ্যানেল দেড় বছর ধরে ৪ হাজার ঘণ্টার দিকে এগোচ্ছিল, তাকে এখন দ্বিগুণ পথ হাঁটতে হবে। আবার শর্টসের ভিউ ৯০ দিনে ১ কোটির নিচে নামলে শর্টস থেকে আয় বন্ধ হয়ে যায়।
- বেশিচাহিদা: বিজ্ঞাপনের টাকার ভাগ নির্মাতার হাতে আসে ৫৫ শতাংশ, শর্টসে ৪৫ শতাংশ। কিন্তু বাংলা দর্শকের জন্য হাজার ভিউয়ে বিজ্ঞাপনদাতারা কত দেয় তা এখানে যাচাই করা যায়নি, আর সেটাই আয়ের আসল নিয়ামক। যারা বলে 'লাখ ভিউ মানে লাখ টাকা', তাদের কাছে সেই হারের প্রমাণ চেয়ে নিন। বাস্তব ছবি হলো, দেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি চ্যানেলগুলোর একটিও দশ বছর পর বিজ্ঞাপনের টাকায় চলে না — চলে নিজের পণ্য বিক্রি করে।
- বেশিচলতি মূলধন: প্রথম টাকা আসতে সাধারণত এক থেকে দুই বছর যায়, কারণ ওয়াচ টাইমের হিসাব ১২ মাসের আর অ্যাডসেন্স ১০০ ডলার না জমলে টাকা পাঠায় না। এই পুরো সময় ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, যাতায়াত আর সরঞ্জামের খরচ নিজের পকেট থেকে যায়, আয় শূন্য। চাকরি বা অন্য আয় ছেড়ে এই কাজে নামলে এই ফাঁকা সময়টাই সবচেয়ে বড় বিপদ।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কপিরাইট ও কমিউনিটি নিয়ম ভাঙলে চ্যানেল স্ট্রাইক পায় এবং মনিটাইজেশন বন্ধ হয়ে যায়। অন্যের ভিডিও বা গান ব্যবহার করলে ইউটিউব সেটাকে পুনর্ব্যবহৃত কনটেন্ট ধরে, আর তাতে আবেদন সরাসরি নাকচ হয়। এআই দিয়ে বানানো নির্দিষ্ট কিছু ধরনের ভিডিওতেও এখন ইউটিউব টাকা দিচ্ছে না।
- মাঝারিঅন্যান্য: নিয়ম সব দেশে একসঙ্গে আসে না। ২০২৩ সালে যখন ৫০০ সাবস্ক্রাইবারে আয়ের সুযোগ চালু হলো, তা প্রথমে খোলা হয়েছিল শুধু যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য। বাংলাদেশের নির্মাতারা তখন পুরোনো শর্তেই আটকে ছিলেন। বিদেশি ইউটিউব ভিডিও দেখে নিয়ম শিখলে এই ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি আছে।
সূত্র
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
তিন বছর অ্যাডসেন্সে বাতিল, তারপর এক মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা
বাবার ভাঙা ডিপিএসের টাকায় কেনা ল্যাপটপে ২০১৬ সালে শুরু; প্রায় তিন বছর কিছুই আসেনি। মোড় ঘোরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, পরের মাসেই হাতে আসে ১,৩০,০০০ টাকা।
- কারণ
- নির্ভরশীলতা, চলতি মূলধন
মাসে ১৬ লাখ থেকে নেমে ৪ লাখ, পেজ আর দর্শক একই
গরু বিক্রির টাকায় কেনা ১৮,৫০০ টাকার ফোনে শুরু; অনুসারী প্রায় ৩০ লাখ। প্ল্যাটফর্মের আয় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ছিল ১৬ লাখ টাকা, মার্চে নেমে আসে ৪ লাখ ১৪ হাজারে।
- পুঁজি
- ৳১৮.৫ হাজার
- কারণ
- নির্ভরশীলতা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাদলিল লেখক
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বসে জমির দলিল লেখার কাজ। জেলা রেজিস্ট্রারের সনদ লাগে — ফি ৳১,০০০, প্রতি বছর ৳২৫০ দিয়ে নবায়ন। সরকারি পারিশ্রমিক প্রতি ৩০০ শব্দে ৳১০–১৫, কিন্তু টিআইবির গবেষণায় বাস্তবে নেওয়া হয় মক্কেলপ্রতি ৳৫০০–৫,০০০।
- পুঁজি
- ৳১.৩ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাফ্ল্যাট ও জমি ব্রোকারেজ
ক্রেতা ও বিক্রেতাকে মিলিয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া। ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি লাইসেন্স লাগে না, পুঁজি বলতে একটা ফোন; ঢাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হয় ১ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকায়।
- পুঁজি
- ৳১ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ২৭০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাজমি জরিপ ও আমিন সেবা
শিকল-ফিতা বা যন্ত্র দিয়ে জমি মেপে দেওয়া, নকশার সঙ্গে দখল মিলিয়ে দেখা। কাগজের খরচ এখন সরকারি ওয়েবসাইটেই বাঁধা — মৌজা ম্যাপ ৳৬৩০, অনলাইনে খতিয়ান ৳১০০। আমিনের নিজের ফির কোনো সরকারি হার নেই।
- পুঁজি
- ৳১ হাজার – ৳৬১ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ৩০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাবীমা এজেন্ট
কমিশনে চলা কাজ, পুঁজি প্রায় শূন্য। লাইফ বীমায় প্রথম বছরের প্রিমিয়ামের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ কমিশন, আর নন-লাইফে ব্যক্তি এজেন্টের কাজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ধ।
- পুঁজি
- ৳৫০০ – ৳১৫ হাজার
- জনবল
- ১ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
