যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঝালকাঠির একজন নারী মুচি
ফুটপাতে ১২ বছর সেলাইয়ের পর এক লাখ টাকায় নিজের জুতার দোকান
ঝালকাঠির এই নারী ১২ বছর ফুটপাতে বসে জুতা সেলাই করেছেন। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী প্রায় ১ লাখ টাকা দিয়ে দোকানঘর তুলে নতুন জুতা-স্যান্ডেল তুলে দেন; দোকান চালু হয় ২০২০ সালের ৫ আগস্ট।
ঝালকাঠি সদরের নবগ্রাম ইউনিয়নের চামটা গ্রামে এই নারী ১২ বছর ফুটপাতে বসে জুতা সেলাই করেছেন, তাতে সংসারের খাওয়াই ঠিকমতো চলত না। স্থানীয় এক তরুণ ব্যবসায়ী প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে তাঁর জন্য একটি দোকানঘর তোলেন এবং সেখানে নতুন জুতা-স্যান্ডেল তুলে দেন। ২০২০ সালের ৫ আগস্ট সকালে দোকানটি চালু হয়। এখন সেলাইয়ের পাশাপাশি নতুন জুতাও বিক্রি করতে পারেন, ফুটপাতে বসতে হয় না। সেলাইয়ের কাজ তাঁর আগে থেকেই জানা ছিল — আটকে ছিল কেবল দোকানঘর আর প্রথম মাল তোলার টাকায়।
যা শেখার আছে
- ১.মেরামতের সঙ্গে বিক্রির মাল যোগ করলে আয়ের ভিত্তি প্রতি কাজের সামান্য মজুরির চেয়ে অনেক বড় হয়
- ২.ফুটপাতের কারিগরের আসল বাধা দক্ষতা নয়, দোকানঘর আর প্রথম মালের টাকা
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
