মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের একজন ড্রাগন ফলচাষি · ২০১৭ সালে শুরু

বিঘায় ১০ লাখ টাকার ড্রাগন এখন নেমেছে ৩–৩.৫ লাখে

২০১৭ সালে দেশে ড্রাগন ফল যখন দুর্লভ, তখন চাষ শুরু। শুরুর বছরগুলোয় বিঘাপ্রতি প্রায় ১০,০০,০০০ টাকার ফল বিক্রি হতো; ২০২৫ মৌসুমে সেই একই বিঘা দিচ্ছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার এই চাষি ২০১৭ সালে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেন, তখন দেশে ফলটি দুর্লভ আর দামও চড়া। শুরুর বছরগুলোয় এক বিঘা জমি থেকেই প্রায় ১০,০০,০০০ টাকার ফল বিক্রি হতো। ২০২৫ মৌসুমে সেই একই বিঘা থেকে আসছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা — অর্থাৎ বিঘাপ্রতি আয় নেমেছে আগের এক-তৃতীয়াংশে। প্রতিবেদনে দাম পড়ার দুটি কারণ বলা হয়েছে: সারা দেশে দ্রুত চাষ বেড়ে যাওয়া, আর ফল বড় দেখাতে বৃদ্ধির হরমোন ব্যবহার, যাতে স্বাদ নষ্ট হয়ে ক্রেতার আস্থা কমেছে। তিনি এখনো চাষ ছাড়েননি, কিন্তু যে দামের ভরসায় নেমেছিলেন সেটা আর নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.নতুন ফলের চড়া দাম টেকে না — আশপাশের চাষিরা একই ফল লাগালে বিঘাপ্রতি আয় কমে যাবে ধরে নিয়েই হিসাব করুন
  2. ২.হরমোন দিয়ে ফল বড় করার লোভে পুরো ফসলের সুনাম নষ্ট হয়েছে, দাম পড়েছে সৎ চাষিরও

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।