মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার একজন কলাচাষি · ২০২৪ সালে শুরু

৯৩ হাজার টাকায় এক একর কলা, সাত মাসে বিক্রি আড়াই লাখ

প্রবাস থেকে ফিরে ২০২৪ সালের জুনে এক একরে ৩২০টি চারা — চারায় ১৩,০০০ আর শ্রমিক, সার, কীটনাশক ও সেচে ৮০,০০০ টাকা। ১০ মাসে ফলন, সাত মাসে বিক্রি প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা, মাসে লাভ ৩০–৪০ হাজার।

সৌদি আরবে বছরের পর বছর কাজ করেও অবস্থার বদল হয়নি দেখে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি সুফি নগর বাগানপাড়ার এই ৫৫ বছর বয়সী মানুষটি দেশে ফিরে আসেন, আর ২০২৪ সালের জুনে এক একর জমিতে লাগান ৩২০টি মেহের সাগর কলার চারা। চারার দাম পড়েছিল প্রতিটি ৪০ টাকা করে মোট ১৩,০০০ টাকা, আর শ্রমিক, সার, কীটনাশক ও সেচে গেছে আরও ৮০,০০০ টাকা। গাছে ফলন আসতে সময় লেগেছে প্রায় ১০ মাস; প্রতিবেদনের সময় তিনি সাত মাস ধরে কলা বিক্রি করছিলেন। কাঁদিপ্রতি গড়ে ৫০০ টাকা ধরে এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে প্রায় ২,৫০,০০০ টাকার কলা, হাতে থাকছে মাসে ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা। একরপ্রতি বছরে প্রায় ৩,৫০,০০০ টাকা নিট আয়ের আশা করছেন তিনি, আর এরই মধ্যে আরও দুই বিঘা জমিতে কলা লাগিয়েছেন। তাঁর কথায়, "কলা চাষে প্রথমবার চারা কিনতে যে ব্যয় হয়েছিল, পরের বার তা ব্যয় হবে না।"

যা শেখার আছে

  1. ১.এক লাখ টাকার কমেই এক একর কলা ফলনে আনা গেছে — ড্রাগন বা মাল্টার তুলনায় শুরুর খরচ অনেক কম
  2. ২.চারার খরচ একবারের — পরের চক্রে পুরোনো ঝাড়ের চারা দিয়েই লাগানো যায়, তাই দ্বিতীয় বছর প্রথম বছরের চেয়ে সস্তা

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।