মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে মিরপুরের একটি স্ক্রিন প্রিন্ট কারখানার মালিক

এক দশকের প্রিন্ট কারখানা লোকসানে বিক্রি, ৪৫ কর্মীর জায়গায় ১৭ জন

রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার কাপড় প্রিন্ট করে চলা মিরপুরের এক দশকের পুরোনো কারখানাটি অর্ডার কমে যাওয়ায় ২০২০ সালের নভেম্বরে লোকসান দিয়ে বিক্রি হয়ে যায়; নতুন মালিকও কাজ পাচ্ছেন না, ৪৫ কর্মীর মধ্যে রেখেছেন ১৭ জন।

মিরপুরের দুয়ারীপাড়ার এই স্ক্রিন প্রিন্ট কারখানাটি প্রায় এক দশক ধরে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার জন্য কাপড় প্রিন্টের কাজ করে আসছিল। কোভিডে পোশাক খাতে মন্দা নামলে অর্ডার কমতে থাকে, আর মালিক প্রথমে কর্মী ছাঁটাই করে খরচ কমানোর চেষ্টা করেন। তাতেও পরিস্থিতি সামাল না দিতে পেরে ২০২০ সালের নভেম্বরে তিনি লোকসান দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দেন। কারখানা অনেক দিন বন্ধ পড়ে ছিল বলে নতুন মালিক তুলনামূলক কম দামে কিনতে পেরেছিলেন, কিন্তু তাঁর ভাষায়, "বেশ কিছুদিন এটা বন্ধ ছিল। এজন্য তুলনামূলক কম দামে কিনতে পেরেছি। কিন্তু এখন তো কোনো কাজই পাচ্ছি না।" ৪৫ জন কর্মীর মধ্যে তিনি রেখেছেন ১৭ জন। দেশে স্ক্রিন প্রিন্ট খাতে তিন হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান আছে, আর মিরপুরের রূপনগর এলাকাতেই তখন এমন অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

যা শেখার আছে

  1. ১.একটিমাত্র খাতের সাব-কন্ট্রাক্ট কাজে চললে সেই খাতের ধাক্কাটা পুরোপুরি নিজের ঘাড়ে এসে পড়ে
  2. ২.বন্ধ কারখানা সস্তায় কেনা মানেই সুযোগ নয় — অর্ডার না থাকলে কম দামে কেনা যন্ত্রও বোঝা

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।