মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে মুন্সীগঞ্জের একজন নারী আলুচাষি

উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ ২৬–২৮ টাকা, হাতে থাকছে ৫২–৬৮ পয়সা

স্বামীর স্ট্রোকের পর ৩.২ একর জমিতে আলু করতে ঋণ নিয়েছেন প্রায় ৩,৫০,০০০ টাকা। উৎপাদন ও সংরক্ষণে কেজিপ্রতি খরচ ২৬–২৮ টাকা, অথচ হিমাগারে পাইকারি দর নেমে গেছে ৮ টাকায়।

মুন্সীগঞ্জের চরকেওয়ার ইউনিয়নের হামিদপুরের এই নারী স্বামীর স্ট্রোকের পর নিজেই চাষের হাল ধরেন, আর ৩.২ একর জমিতে আলু করতে ঋণ করেন প্রায় ৩,৫০,০০০ টাকা। এক কেজি আলু উৎপাদন আর হিমাগারে রাখতে খরচ পড়েছে ২৬ থেকে ২৮ টাকা, কিন্তু হিমাগারে পাইকারি দর নেমে দাঁড়ায় ৮ টাকায়। হিসাবটা দাঁড়ায় এ রকম — ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রির উপযোগী আলু থাকে ৪৮ কেজি, দাম ৩৮৪ টাকা; তা থেকে ৩০০ টাকা হিমাগার ভাড়া আর কেজিপ্রতি ১ টাকা শ্রমিক খরচ বাদ দিলে বস্তায় থাকে ৩৪ টাকা, অর্থাৎ কেজিতে ৫২ থেকে ৬৮ পয়সা। পাশের হিমাগারের এক কৃষক জানিয়েছেন তিনি আলু আর ছাড়িয়েই নেবেন না, আর এক ব্যবসায়ী চার দিন আগে ১০ টাকা কেজি দরে ৬,০০০ বস্তা কিনে দাম ৮ টাকায় নামায় ৬,০০,০০০ টাকা হারিয়েছেন। তাঁর কথায়, "আমাদের অন্য কোনো কাজ জানা নেই" — লোকসান হলেও পরের মৌসুমে আবার আলুই করতে হবে।

যা শেখার আছে

  1. ১.হিমাগার দামের ঝুঁকি থেকে বাঁচায় না — বস্তাপ্রতি ৩০০ টাকা বাঁধা ভাড়া আর ওঠানো-নামানোর খরচ বাজার পড়লে পুরো বিক্রির টাকাটাই খেয়ে ফেলে
  2. ২.এক ফসলের ওপর সাড়ে তিন লাখ টাকার ঋণ চাপালে অতিফলনের বছরে বেরোনোর পথ থাকে না — আগে ক্রেতা বা দামের একটা তলা ঠিক করে নিন

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।