মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর একজন অনলাইন বিক্রেতা ও পারলার মালিক

দিনে ১ হাজার টাকার বিক্রি আর পারলার — ফেসবুক বন্ধে দুটোই থেমে গেল

ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করে দিনে আসত প্রায় ১,০০০ টাকা, সঙ্গে ছিল ছোট একটি বিউটি পারলার। ইন্টারনেট বন্ধে ফেসবুকের আয় থামে, একই সময়ে পারলারেও খদ্দের আসেননি।

পটুয়াখালীর এই নারীর ছয় সদস্যের সংসার চলে দুটি আয়ে — ফেসবুকে পণ্য বিক্রি, যা থেকে দিনে আসত প্রায় ১,০০০ টাকা, আর একটি ছোট বিউটি পারলার। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট আর ফেসবুক বন্ধ হয়ে গেলে ফেসবুকের আয় পুরোপুরি থেমে যায়। একই সময়ে পারলারেও কোনো খদ্দের আসেননি, অর্থাৎ দুটি আয়ের পথই একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। দিনে হাজার টাকার বিক্রি সংসার টেনে নেওয়ার মতো হলেও খারাপ দুই সপ্তাহ সামলানোর মতো জমা তাতে থাকে না। তাঁর শুরুর পুঁজি কত ছিল বা কত দিন ধরে ব্যবসাটি চালাচ্ছেন, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.ফেসবুক বন্ধ হলে পেজের আয় ওই দিনেই শূন্য — দিনে ১,০০০ টাকার বিক্রিতে খারাপ দুই সপ্তাহের জমা থাকে না
  2. ২.দুটি আয়ই একই এলাকায় ও একই সময়ে মার খেয়েছে — দুটো আয় থাকা আর ঝুঁকি ভাগ করা এক জিনিস নয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।