মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পিরোজপুরের একজন অনলাইন পিঠা বিক্রেতা
ফেসবুক বন্ধ, দশ দিনে একটিই অর্ডার — ২০টি পিঠা
ঘরে বানানো পিঠার ক্রেতারা তাঁকে খুঁজে পান ফেসবুকে। ইন্টারনেট বন্ধের পুরো সময়ে কোনো অর্ডার আসেনি; দশ দিন পর একটিমাত্র অর্ডার — ২০টি পিঠার।
পিরোজপুরের এই নারী ঘরে বানানো পিঠা বিক্রি করেন, আর ক্রেতারা তাঁকে খুঁজে পান ফেসবুকে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকার পুরো সময়টায় তাঁর কাছে একটিও অর্ডার আসেনি। দশ দিন পর তিনি একটিমাত্র অর্ডার পান — ২০টি পিঠার, তাতে আয়ও সামান্য। ইন্টারনেট ফিরে এলেও ফেসবুক বন্ধ থাকায় বিক্রি প্রায় শূন্যের কাছাকাছিই থেকে যায়। পিঠার ক্রেতাদের তাঁকে খুঁজে পাওয়ার আর কোনো পথ ছিল না, সামনে দোকানও নেই যে কেউ হেঁটে এসে কিনবেন। তাঁর পুঁজি, স্বাভাবিক মাসিক বিক্রি বা মোট ক্ষতির অঙ্ক প্রতিবেদনে নেই।
যা শেখার আছে
- ১.পেজে খাবার বিক্রি করলে পেজ বন্ধ হলে আর কোনো পথ থাকে না — সামনে দোকান না থাকলে হেঁটে আসা ক্রেতাও নেই
- ২.পথ খুললেই বিক্রি ফিরে আসে না — দশ দিন পর তাঁর হাতে এসেছে মাত্র একটি অর্ডার
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
