শখের দই থেকে দিনে ৩১০–৩৩০ কেজি, চাহিদা এখনো ৫০ কেজি বেশি
দিনে ৬২০–৬৫০ লিটার দুধ থেকে তৈরি হয় ৩১০–৩৩০ কেজি দই। কারখানায় ৮,০০,০০০ টাকা, বিতরণের গাড়িতে ৫,০০,০০০ আর জমিতে ৬,০০,০০০ টাকা খরচ; চাহিদা এখনো দিনে প্রায় ৫০ কেজি বেশি।
রাজবাড়ী সদরের মদাপুর ইউনিয়নের ৪০ বছর বয়সী এই ব্যক্তি আর্থিক কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন, ২০১৪ সালে মাদ্রাসার শিক্ষকতা ছেড়ে গরু পালতে শুরু করেন। প্রথমে শখের বশে নিজের গাভির উদ্বৃত্ত দুধ দিয়ে দই বানাতেন — অর্থাৎ পণ্যটা বাজারে যাচাই হয়ে গিয়েছিল কোনো কারখানা বানানোর আগেই। ২০১৮ সালের শেষ দিকে সেটিকে ব্যবসায় রূপ দেন। এখন দিনে ৬২০–৬৫০ লিটার দুধ থেকে তৈরি হয় ৩১০–৩৩০ কেজি দই, উৎপাদন ও বিতরণে কাজ করেন ৭ জন, আর দই যায় কুষ্টিয়া শহর ও আশপাশের এলাকায়। কারখানার পেছনে গেছে ৮,০০,০০০ টাকা, বিতরণের জন্য দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ৫,০০,০০০ টাকা আর জমি কিনতে ৬,০০,০০০ টাকা। চাহিদা এখনো দিনে প্রায় ৫০ কেজি বেশি, যা তিনি জোগাতে পারছেন না। আশপাশের খামারিরা তাঁর কাছে দুধ বেচবেন বলেই নতুন গরু তুলেছেন। মোট পুঁজি বা মাসিক মুনাফা প্রতিবেদনে আলাদা করে বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.হাতে থাকা দুধ দিয়ে শুরু করলে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতের সবচেয়ে বড় খরচটাই বাদ যায় — কারখানা বানানোর আগেই পণ্য যাচাই হয়ে যায়
- ২.বিতরণ আলাদা একটা পুঁজির খাত — কারখানায় ৮ লাখের পাশে গাড়িতেই গেছে ৫ লাখ, কারণ দই সেদিনই দোকানে পৌঁছাতে হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
