দই ও ছানা তৈরি
কাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

দই ও ছানা তৈরি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮০,০০০ – ৳৪,৫০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৪ – ৪৫ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৯ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
কাঁচা দুধ কিনে জ্বাল দিয়ে দই বসানো, আর ছানা কেটে মিষ্টি বানানো — এই দুটো কাজ একসঙ্গেই চলে। কাজটা সহজ মনে হয়, কিন্তু লাভ-লোকসান ঠিক হয় দুই জায়গায়: এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায়, আর কতটুকু দই নষ্ট হয়। দুধের দর জানা আছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খামারিরা বলেছেন, মিল্কভিটা লিটার ৳৪৫–৪৭ দরে দুধ নেয় আর খোলাবাজারে বিক্রি করলে ৳৫৫ পর্যন্ত পাওয়া যায়। বিক্রির দরও জানা আছে। মিল্কভিটার নিজের মূল্যতালিকায় এক লিটার মিষ্টি দধি ৳২১০, টক দধি ৳১৭৫, এক কেজি কাঁচা ছানার সন্দেশ ৳৫৫০। বগুড়ায় এক সরা দই ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভ্যাট বাড়ার পর ৳৩০–৪০ বেড়েছিল, তার আগে দর ছিল ৳২৮০–৩০০। মাঝখানের হিসাবটাই কেউ লিখে রাখে না — এক লিটার দুধ থেকে কত কেজি দই হয়, আর চিনি-হাঁড়ি-গ্যাস মিলিয়ে এক কেজি দইয়ে কত পড়ে। দই দুই-তিন দিনের জিনিস। ফ্রিজ না থাকলে বা বিদ্যুৎ গেলে যা বসানো হয়েছে তাই ফেলে দিতে হয়, আর গরমকালে সেই ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। দূরের শহরে পাঠাতে হলে বরফ বা ঠান্ডা গাড়ি লাগে, বগুড়া থেকে প্রতিদিন কুরিয়ারে ঢাকায় দই যায় এভাবেই। আইনও এখন কড়া। ২০২৬ সালের খাদ্য নিরাপদ বিধিমালা অনুযায়ী দুগ্ধজাত পণ্য বানালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন লাগে, ফি ৳১,০০০, তিন বছর মেয়াদ। যে দোকান হিসাব লিখে রাখে — কত দুধ ঢুকল, কত দই বের হলো, কত ফেলে দিতে হলো — সে-ই টিকে থাকে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৭৫,০০০ – ৳৩,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৭৫ – ৳৩৪০ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৫৮ – ৳৬৯ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬১% – ৮৩% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৪ – ৪৫ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৯ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫০ – ২০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- জ্বাল দেওয়ার বড় কড়াই, চুলা, ছাঁকনি ও ছানা কাটার পাত্র, দাঁড়িপাল্লা, আর ফ্রিজ বা চিলার। এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫ (বিইআরসি, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।যন্ত্রপাতি
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — খাদ্য নিরাপদ (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) বিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেওয়া হয়।লাইসেন্স
- দুধ কতক্ষণ জ্বাল দিতে হবে, কতটুকু বীজদই দিতে হবে আর কোন তাপে বসাতে হবে — এই তিনটা হাতে না এলে ব্যাচ নষ্ট হয়।দক্ষতা
- মাটির সরা, হাঁড়ি ও কাপের কুমার। বিক্রির দিনের সঙ্গে মিলিয়ে সরবরাহ না এলে দই বসানোই যায় না।সরবরাহকারী
- প্রতিদিনের কাঁচা দুধ — খামার, বাথান বা দুগ্ধ সমবায়। শাহজাদপুরে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে মিল্কভিটা লিটার ৳৪৫–৪৭ দরে নিচ্ছিল, খোলাবাজারে ৳৫৫ পর্যন্ত।সরবরাহকারী
- আলাদা রান্নাঘর, পানির ব্যবস্থা ও নালা। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিবন্ধনের সময় জায়গাটা সরেজমিনে দেখে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন দুধ কোথা থেকে আসবে — খামার, দুধের বাথান, না সমিতি। দাম, পরিমাণ আর দুধ দেওয়ার সময় লিখে রাখুন।
- 2এক লিটার দুধ থেকে কত কেজি দই হয় তা নিজে মেপে বের করুন। এক সপ্তাহ প্রতিদিন দুধ ঢোকা আর দই বের হওয়ার হিসাব লিখলেই সংখ্যাটা পেয়ে যাবেন।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং ব্যবসার ধরন হিসেবে দুগ্ধজাত পণ্য লেখান।
- 4বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন। ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর, আর রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়।
- 5জ্বাল দেওয়ার বড় কড়াই, চুলা, মাটির সরা ও কাপ, আর ঠান্ডা রাখার ফ্রিজ বা চিলার বসান। ফ্রিজ ছাড়া দই তিন দিনের বেশি চলে না।
- 6প্রথমে ছোট ব্যাচ বসান — দিনে ২০–৩০ সরা। কতটা বিক্রি হয় আর কতটা ফেরত আসে দেখে তবেই বাড়ান।
- 7প্রতিদিন তিনটি সংখ্যা লিখুন: কত লিটার দুধ ঢুকল, কত কেজি দই হলো, কত ফেলে দিতে হলো। তৃতীয় সংখ্যাটাই আসল লাভ-লোকসান বলে দেয়।
- 8আশপাশের মিষ্টির দোকান, হোটেল ও ক্যাটারিংয়ে নিয়মিত সরবরাহের কথা বলুন, তবে বাকির সীমা আগেই বেঁধে দিন।
- 9দূরের শহরে পাঠাতে চাইলে কুরিয়ারে বরফসহ প্যাকিং ঠিক করুন। বগুড়া থেকে প্রতিদিন এভাবেই দই যায়।
- 10ছানা কেটে সন্দেশ-রসগোল্লা বানানো শিখে রাখুন। দই বিক্রি কমলে ছানার পণ্যে সেই দুধটা কাজে লাগে।
- 11রোজা, ঈদ আর বিয়ের মৌসুমের জন্য আগেভাগে দুধ ও সরার ব্যবস্থা করুন — ওই সময়েই বেশির ভাগ বিক্রি হয়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · দেশের সবচেয়ে পরিচিত দইয়ের এলাকা। শেরপুর ও নামাজখালীর ঘোষপাড়ায় বহু পরিবার এই কাজ করে, আর কুরিয়ারে প্রতিদিন সারা দেশে দই যায়।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার — মিষ্টির দোকান, রেস্টুরেন্ট আর ক্যাটারিং সবই এখানে। তবে দুধ বাইরে থেকে আনতে হয়, তাই কাঁচামাল বেশি দামে পড়ে।
- খুব উপযোগীপাবনা · বাঘাবাড়ীঘাটে মিল্কভিটার দুগ্ধ কারখানা, আর ভাঙ্গুড়া ও ঈশ্বরদীতে শীতলীকরণ কেন্দ্র — কাঁচা দুধের সরবরাহ সারা বছর।
- খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · শাহজাদপুরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ লাখ লিটার দুধ ওঠে, নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার খামার। দুধ সবচেয়ে সহজে ও সস্তায় এখানেই মেলে।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহরের বাজার, হোটেল-রেস্টুরেন্ট বেশি; পটিয়ায় শীতলীকরণ কেন্দ্র থাকলেও দুধের সরবরাহ উত্তরবঙ্গের মতো নয়।
- সম্ভবকুষ্টিয়া · কুমারখালী ও ভেড়ামারায় দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র, গরু পালন বেশি — কাঁচা দুধ পাওয়া সহজ।
- সম্ভবমানিকগঞ্জ · দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র আছে আর ঢাকার একেবারে গায়ে — সকালে বানিয়ে দুপুরে ঢাকায় পৌঁছানো যায়।
- সম্ভবরংপুর · মিল্কভিটার শীতলীকরণ কেন্দ্র ও আশপাশে অনেক খামার, দুধ সস্তা; তবে স্থানীয় ক্রয়ক্ষমতা কম বলে দাম কম রাখতে হয়।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · শীতলীকরণ কেন্দ্র ও আশাশুনি-তালার খামার এলাকা; খুলনা শহরের বাজার কাছেই।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · মিল্কভিটার দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র আছে, আর ঢাকার সঙ্গে সড়কযোগাযোগ ভালো বলে দই পাঠানো সহজ।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনষ্ট হওয়া: দই দুই-তিন দিনের জিনিস। ফ্রিজ না থাকলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে ওই দিনের পুরো ব্যাচই ফেলে দিতে হয়, আর গরমকালে সেটা বারবার হয়। যে দই দূরের শহরে যায় তা রাস্তাতেই টক হয়ে যেতে পারে, তখন খদ্দের ফেরত দেয় আর টাকাও ফেরত দিতে হয়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসা দাঁড়িয়ে আছে কাঁচা দুধের উপর। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে শাহজাদপুরের খামারিরা বলেছেন, গোখাদ্য আর শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে কিন্তু দুধের দাম বাড়েনি — শ্রমিকের মজুরি পাঁচ বছরে ৳৪০০ থেকে ৳৬০০–৬৫০ হয়েছে। খামারিরা হতাশ হয়ে গাভী ছেড়ে দিলে দুধের দাম হঠাৎ বেড়ে যাবে, আর দইয়ের দাম সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো যায় না।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: দুগ্ধজাত পণ্য বানালে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন লাগে এবং রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়। নিবন্ধন ছাড়া চালালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঝুঁকি থাকে। নিবন্ধনের মেয়াদ তিন বছর, নবায়ন ভুলে গেলে আবার নতুন করে ঝামেলা।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মিষ্টির দোকান, হোটেল আর ক্যাটারিং প্রতিদিন মাল নেয় কিন্তু টাকা দেয় মাস শেষে বা তারও পরে। দুধ কিনতে হয় প্রতিদিন নগদে। বাকির অঙ্ক বড় হয়ে গেলে পরদিনের দুধ কেনার টাকাই থাকে না।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রি সারা বছর সমান নয়। রোজা, ঈদ আর শীতের বিয়ের মৌসুমে হঠাৎ অনেক বেশি, আর বর্ষায় ও শোকের মাসে অনুষ্ঠান কমে গেলে বিক্রি নেমে যায়। ব্যাচ বড় বসিয়ে ফেললে সেই দই ফেলে দিতে হয়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
LPG price cut by Tk 13, 12kg cylinder now Tk 1,585 (BERC, কার্যকর ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
সংগ্রহ: ২ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
পণ্য তালিকা — মিল্কভিটার ভোক্তা মূল্য (তরল দুধ, মিষ্টি দধি, টক দধি, ছানা, ঘি, বাটার)
সংগ্রহ: ২২ জুন, ২০২৫যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
শখের দই থেকে দিনে ৩১০–৩৩০ কেজি, চাহিদা এখনো ৫০ কেজি বেশি
দিনে ৬২০–৬৫০ লিটার দুধ থেকে তৈরি হয় ৩১০–৩৩০ কেজি দই। কারখানায় ৮,০০,০০০ টাকা, বিতরণের গাড়িতে ৫,০০,০০০ আর জমিতে ৬,০০,০০০ টাকা খরচ; চাহিদা এখনো দিনে প্রায় ৫০ কেজি বেশি।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো মান
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমহিষের দই ও দুগ্ধ
চরের মহিষের কাঁচা দুধ মাটির হাঁড়িতে বসিয়ে দই। ভোলায় দুধ ৳১৫০ কেজি কিনে দই বিক্রি ৳২০০ কেজি — লাভ কেজিতে ৳৫০, আর দুধ পাওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঘানি সরিষার তেল
সরিষা ভাঙিয়ে তেল ও খৈল বিক্রি। এক মণ সরিষায় ১৬–১৯ লিটার তেল ও ২৫ কেজি খৈল; খৈলের টাকা বাদ দিলে লিটারপ্রতি খরচ ৳৯৬–১১৪, খোলা বিক্রি ৳২০০।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসরিষা ফুলের মধু বোতলজাতকরণ
শীতে সরিষা ক্ষেতে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ, ছেঁকে বোতলে ভরে সারা বছর বিক্রি।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ৯০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঘি ও মাখন তৈরি
দুধ ভাঙিয়ে মাখন ও ঘি, আর পাতলা দুধ থেকে ছানা-দই। এক মণ (৪০ কেজি) দুধে সোয়া কেজি ঘি; খরচ প্রায় ৳২,৯০০, বিক্রি ৳৩,০৪০–৩,২৬০ — লাভ ৫ থেকে ১১ শতাংশ।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
