মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে রাজশাহীর একজন আমচাষি ও অনলাইন বিক্রেতা

ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যে গাছেই পচল ৭–৮ লাখ টাকার আম

নিজের বাগানের আম বিক্রি হতো ফেসবুক পেজে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট বন্ধ পড়ে ঠিক মৌসুমের মাঝখানে, আর প্রায় ৭–৮ লাখ টাকার আম গাছেই পচে যায়।

রাজশাহীর এই আমচাষি নিজের বাগানের আম ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিক্রি করতেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট আর ফেসবুক বন্ধ হয়ে যায় ঠিক আমের মৌসুমের মাঝখানে — বছরে এই একটিই সময় তাঁর বিক্রির। অর্ডার নেওয়ার কোনো উপায় ছিল না, আর প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার আম গাছেই পচে যায়। তিনি সংবাদপত্রকে বলেছেন, এই ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেবেন কিংবা আদৌ আর এই ব্যবসা করবেন কি না, তা তিনি জানেন না। আম ধরে রাখার মতো পণ্য নয়, আর বিক্রির পথও ছিল একটিই — দুটো মিলেই ক্ষতিটা এত বড় হয়েছে। তাঁর শুরুর পুঁজি বা এক মৌসুমের স্বাভাবিক আয় প্রতিবেদনে বলা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.পচনশীল পণ্যের সঙ্গে একটিমাত্র অনলাইন বিক্রির পথ সবচেয়ে খারাপ জোড়া — পথ খোলার অপেক্ষায় মাল ধরে রাখা যায় না
  2. ২.মৌসুমি পণ্যে দুই সপ্তাহের বন্ধ মানে কয়েক দিনের বিক্রি নয়, পুরো বছরের আয় চলে যাওয়া

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।