মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাঙ্গামাটির একজন নারী কটেজ উদ্যোক্তা · ২০২৪ সালে শুরু

৩০ হাজার টাকা ধার আর তিনটি মাচাং ঘরে শুরু, এখন পুঁজি প্রায় ৮ লাখ

এনজিওর চাকরি ছেড়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাপ্তাই হ্রদের পাশে তিনটি মাচাং ঘর নিয়ে শুরু, পুঁজি ছিল ধার করা ৩০ হাজার টাকা। পরে কৃষি ব্যাংকের ঋণে রাতযাপনের ঘর দাঁড়ায় সাতটিতে, পুঁজি প্রায় ৮ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে এই নারী সাড়ে তিন বছর দুটি এনজিওতে চাকরি করে নিজের কিছু করার জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাঙ্গামাটি সদরের মগবান ইউনিয়নের দোখাইয়ায় কাপ্তাই হ্রদের মধ্যে দ্বীপের মতো একটি জায়গায় তিনি অতিথিশালা গড়ে তোলেন — চাকমা ভাষায় নামটির অর্থ অতিথির ঘর। শুরুর পুঁজি ছিল ধার করা ৩০ হাজার টাকা আর ঘর ছিল তিনটি মাচাং। প্রথম ঘরগুলো আয় দিতে শুরু করার পর তিনি কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রাতযাপনের ঘরের সংখ্যা সাতটিতে নিয়ে যান; এখন তাঁর পুঁজি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ লাখ টাকায়। পর্যটকের সংখ্যা বুঝে দিনে পাঁচ-ছয়জন কর্মী কাজ করেন, সঙ্গে মা আর ভাইও ব্যবসায় যুক্ত। নিজের জায়গায় বাঁশের ঘর তুলে শুরু করায় শুরুর খরচটা ছোট রাখা গেছে, আর বড় ঋণ এসেছে আয় দেখে — এই ক্রমটাই এখানে মূল কথা।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাতে থাকা জায়গায় বাঁশের ঘর আর ধার করা ৩০ হাজার টাকা দিয়েই পর্যটনের ব্যবসায় নামা যায়
  2. ২.ব্যাংকঋণ এসেছে প্রথম ঘরগুলো আয় দিতে শুরু করার পরেই — বড় করার নিরাপদ সময় সেটিই

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।