মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের একজন আখের রস বিক্রেতা

গ্লাস ২ টাকা থেকে ১০ টাকা, তবু দিনে থাকে ৬০০–৭০০

দশ বছরে এক গ্লাস আখের রসের দাম ২ টাকা থেকে হয়েছে ১০ টাকা, কিন্তু আখের দামও সঙ্গে বেড়েছে। দিনে বিক্রি ৩,০০০–৪,০০০ টাকা, খরচ বাদে থাকে ৬০০–৭০০ টাকা।

রংপুরের নেকীরহাট গ্রামের এই বিক্রেতা প্রায় দশ বছর ধরে রংপুর শহর আর তারাগঞ্জ উপজেলায় আখের রস বিক্রি করছেন। শুরুর দিকে এক গ্লাস রস বিক্রি করতেন ২ টাকায়, এখন নেন ১০ টাকা — কিন্তু আখ কিনতে যা লাগে তা-ও পাঁচ গুণ হয়ে গেছে, তাই দামের এই বাড়তিটা তাঁর হাতে থাকে না। তাঁর ভাষায়, "রস দুই টাকা গ্লাস বেচাইছি, এলা ১০ টাকা বেচাইও লাভ থাকোছে না।" দিনে বিক্রি হয় ৩,০০০–৪,০০০ টাকার রস, তাতে সব খরচ বাদে থাকে ৬০০–৭০০ টাকা — অর্থাৎ বিক্রির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। মেশিন বা গাড়ির পেছনে কত টাকা খাটছে, প্রতিবেদনে সে হিসাব নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.দাম বাড়ানো আর লাভ বাড়ানো এক কথা নয় — কাঁচামালের দাম সঙ্গে বাড়লে পরিশ্রম বাড়ে, আয় বাড়ে না
  2. ২.৩–৪ হাজার টাকার বিক্রিতে ৬০০–৭০০ টাকা মানে বিক্রির এক-পঞ্চমাংশ; একদিন মাল নষ্ট হলে সেই দিনের লাভ আর থাকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।