মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের রাউজানের একজন প্যাড়া ও ঘি প্রস্তুতকারক · ১৯৯০ সালে শুরু

সাইনবোর্ডহীন এক মানুষের দোকান, দিনে ১২–১৫ কেজি প্যাড়া

১২ কেজি দুধ আর আড়াই কেজি চিনিতে হয় ৪ কেজি ২৫০ গ্রাম প্যাড়া, বিক্রি ৫০০ টাকা কেজি। মাখন ১,৮০০ আর ঘি ২,৮০০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা।

চট্টগ্রামের রাউজানের ফকিরহাটে এই কারিগর ১৯৯০ সাল থেকে একাই প্যাড়া, মাখন আর ঘি বানান ও বিক্রি করেন; কাজটা তিনি বাবার কাছে শিখেছিলেন ১৯৮৬ সালে। উপকরণ শুধু দুধ আর চিনি — তাঁর হিসাবে, "১২ কেজি দুধে ৪ কেজি ২৫০ গ্রাম প্যাড়া হয়," লাগে আড়াই কেজি চিনি, আর দিনে বিক্রি হয় ১২–১৫ কেজি, কেজি ৫০০ টাকা দরে। মাখনের জন্য সাড়ে দুই ঘণ্টা হাতে বিলোতে হয়, ১২ কেজি দুধে ওঠে মাত্র এক কেজি — তাই মাখনের দাম ১,৮০০ টাকা কেজি আর ঘি ২,৮০০ টাকা। দোকানে সাইনবোর্ড নেই, তবু একজন ক্রেতা ৫০০ টাকার প্যাড়া কিনতে ১,০০০ টাকার গাড়িভাড়া খরচ করে আসেন — খাঁটি জিনিসই এখানে একমাত্র বিজ্ঞাপন। সব খরচ বাদে মাসে তাঁর হাতে থাকে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা, আর কোনো কর্মচারী নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাতে বিলোনো মাখনে প্রতি কেজিতে আড়াই ঘণ্টা শ্রম — দামটা শুধু দুধের নয়, শ্রমেরও হতে হবে
  2. ২.সাইনবোর্ড ছাড়া একজনের দোকানও মাসে ৩০–৩৫ হাজার টাকা দিতে পারে, যদি সুনামই ক্রেতাকে টেনে আনে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।