মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুরের একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর · ২০২৩ সালে শুরু

মাসে ১৬ লাখ থেকে নেমে ৪ লাখ, পেজ আর দর্শক একই

গরু বিক্রির টাকায় কেনা ১৮,৫০০ টাকার ফোনে শুরু; অনুসারী প্রায় ৩০ লাখ। প্ল্যাটফর্মের আয় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ছিল ১৬ লাখ টাকা, মার্চে নেমে আসে ৪ লাখ ১৪ হাজারে।

শেরপুরের নলকার এই তরুণ আগে হোটেল বয়ের কাজ করতেন, বেতন ছিল মাসে ১০,০০০ টাকা। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মায়ের গরু বিক্রির টাকায় ১৮,৫০০ টাকার একটি স্মার্টফোন কিনে ফেসবুক পেজ খোলেন এবং রান্না, নিজের জীবন আর মানুষের গল্প নিয়ে ছন্দে বাঁধা ছোট রিল বানাতে শুরু করেন। অনুসারী দাঁড়ায় প্রায় ৩০ লাখ। প্ল্যাটফর্ম থেকে তাঁর আয় ছিল ২০২৪ সালের আগস্টে ৮ লাখ টাকা, ডিসেম্বরে ১৫ লাখ ১৭ হাজার আর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ১৬ লাখ টাকা। এরপর কাজ বা দর্শক না বদলালেও আয় নেমে আসে — ফেব্রুয়ারিতে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার, মার্চে ৪ লাখ ১৪ হাজার আর এপ্রিলে ৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা। একজন সহযোগীকে তিনি মাসে ৫০,০০০ টাকা দেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.প্ল্যাটফর্মের আয় নিজের হাতে থাকে না — একই পেজ, একই দর্শক নিয়েও মাসে ১৬ লাখ থেকে ৪ লাখে নেমে আসতে পারে
  2. ২.এখানে ঝুঁকিটা পুঁজির নয় — যন্ত্র লেগেছে ১৮,৫০০ টাকার; ঝুঁকি হলো একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মের নিয়মের ওপর সংসার দাঁড় করানো

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।