মৌসুমের শুরুতে কেজি ১,২০০ টাকা, শেষে ৩০০ — চারা বিক্রিতেই আরও ৪ লাখ
২৫ শতক জমিতে স্ট্রবেরি; বিঘাপ্রতি খরচ ১,৫০,০০০–২,০০,০০০ টাকা। এ মৌসুমে ফল বিক্রি ৪–৫ লাখ টাকা বা তার বেশি, আর অন্য চাষিদের কাছে চারা বিক্রি করে আরও ৪,০০,০০০ টাকা।
বগুড়ার শিবগঞ্জের দেউলি গ্রামের এই চাষি ২৫ শতক জমিতে স্ট্রবেরি করেন; দেশে যেসব জেলায় ফলটির চাষ দ্রুত ছড়িয়েছে, বগুড়া তার একটি। বিঘাপ্রতি খরচ পড়ে ১,৫০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ টাকা, যার বড় অংশই চারার দাম — প্রতিটি ২০ থেকে ৩০ টাকা। এ মৌসুমে ফল বিক্রি করেই তিনি পেয়েছেন ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা বা তার বেশি, আর অন্য চাষিদের কাছে চারা ও রানার বিক্রি করে এসেছে আরও ৪,০০,০০০ টাকা। দাম মৌসুমজুড়ে ওঠানামা করে অনেক: শুরুর দিকে পাইকারি কেজিপ্রতি ১,২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে, মূল সময়ে থাকে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, আর শেষদিকে নেমে আসে ৩০০ টাকার কাছাকাছি। দেশে উৎপাদন দুই বছরেই দ্বিগুণের বেশি হয়েছে — ২০২২–২৩ সালে ২২ একরে ২১০ টন, ২০২৪–২৫ সালে ১৩০ একরে ৪৩৫ টন — আর সে কারণেই মৌসুমের শেষভাগে দাম পড়ে যায়।
যা শেখার আছে
- ১.লাভটা থাকে মৌসুমের প্রথম ফলে — শুরুতে কেজি ১,২০০ টাকা, শেষে ৩০০; মোট ফলনের চেয়ে আগে বাজারে পৌঁছানোটাই বেশি জরুরি
- ২.নতুন চাষিদের কাছে চারা বিক্রি করে ফলের প্রায় সমান আয় হয়েছে, কিন্তু সেই চাষ বাড়াটাই পরে ফলের দাম নামিয়ে দেয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
