স্ট্রবেরি চাষ
শীতের ফসল, ৭২–৭৫ দিনে ফল। কেজি ৳৪০০–১০০০, কিন্তু ৩০ শতকেই খরচ প্রায় ৪ লাখ আর ফল দুই-তিন দিনের বেশি থাকে না।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

স্ট্রবেরি চাষ
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪,০০,০০০ – ৳১২,০০,০০০ অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭২ – ৭৫ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
শীতকালে বেড করে স্ট্রবেরির চাষ, আর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফল বিক্রি। এই পাতাটা লেখা হয়েছে লোকসান ঠেকানোর জন্য, কারণ এই ফসলের দুটো জিনিস আলাদা করে বিপজ্জনক — চারার দাম আর বাজারের আকার। কক্সবাজারের চকরিয়ার চাষি মোহাম্মদ কাইছার ৩০ শতক জমিতে রাজশাহীর নার্সারি থেকে আমেরিকান 'ফেস্টিভ্যাল' জাতের চার হাজার চারা এনেছেন, প্রতিটি ৬০ টাকা দরে। শুধু চারাতেই ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, আর জমি প্রস্তুত-সার-শ্রমিক মিলিয়ে মোট খরচ প্রায় চার লাখ। মাত্র ৩০ শতক জমিতে চার লাখ টাকা — এটাই এই ফসলের আসল কথা। ১৭ নভেম্বর চারা লাগিয়ে ২৮ জানুয়ারি ফল তোলা শুরু হয়েছে, দিনে ১৫ থেকে ১৭ কেজি, আর দাম তিনি পেয়েছেন কেজি প্রায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত। এবার সাবধানের কথাটা, আর সেটা কাইছারেরই। তিনি প্রথম স্ট্রবেরি চাষ করেছিলেন ২০০৭ সালে, কিন্তু স্থানীয় বাজারে চাহিদা কম থাকায় দুই বছর পর চাষ বন্ধ করে দেন। আবার শুরু করেন ২০২১ সালে। অর্থাৎ এই ফল যিনি সফলভাবে ফলান, তিনিই একবার বাজারের অভাবে ছেড়ে দিয়েছিলেন। স্ট্রবেরি দুই-তিন দিনের বেশি থাকে না, ক্রেতা সুপারশপ আর শহরের ফলের দোকান, আর সেই ক্রেতা হাতে না থাকলে খেতের ফল খেতেই নষ্ট হবে। গাছ লাগানোর আগে ক্রেতা ঠিক করুন — এই একটা কথাই এই পাতার সারমর্ম।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৪০০ – ৳১,০০০ / কেজি | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩৩০ – ৳৫৩০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১৭% – ৪৭% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭২ – ৭৫ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৮০ – ১২০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫ – ১৭ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত |
শুরু করতে যা লাগবে
- মালচিং পেপার, সেচের ব্যবস্থা, আর পাহারার জন্য টংঘর। পরের বছরের চারা তৈরি করতে চাইলে পলিনেট হাউস।যন্ত্রপাতি
- চারা — সবচেয়ে বড় খরচ। চকরিয়ায় আমেরিকান 'ফেস্টিভ্যাল' জাতের প্রতিটি চারা ৬০ টাকা, ৩০ শতকে ৪,০০০টি, মোট ২,৪০,০০০ টাকা। বিরলে ৬৭ শতকে উইন্টারডন, ফেস্টিভ্যাল ও আমেরিকান ফেস্টিভ্যালসহ চার জাতের ১৫ হাজার গাছ।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সুপারশপে নিয়মিত সরবরাহ করতে হলে সাধারণত নামের একটি ফার্ম ও লাইসেন্স চাওয়া হয়।লাইসেন্স
- বেড তৈরি, মালচিং, নিয়মিত সেচ আর প্রতিদিন ঠিক সময়ে ফল তোলা। একদিন দেরি হলে ফল নরম হয়ে যায় আর সুপারশপ ফিরিয়ে দেয়।দক্ষতা
- শহরের সুপারশপ, ফলের দোকান ও পাইকার — এঁরাই একমাত্র ক্রেতা। চারা আনতে হয় রাজশাহী, জয়পুরহাট বা রংপুরের নার্সারি থেকে।সরবরাহকারী
- উর্বর দোআঁশ থেকে বেলে দোআঁশ জমি, বেড করে। চকরিয়ায় ৩০ শতক, বিরলে ৮৭ শতক — এর মধ্যে ২০ শতকে পলিনেট হাউস, বাকি ৬৭ শতকে ফল।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1সবার আগে ক্রেতা ঠিক করুন। এই ফল দুই-তিন দিনের বেশি থাকে না আর সাধারণ কাঁচাবাজারে বিক্রি হয় না। শহরের সুপারশপ, বড় ফলের দোকান বা রেস্টুরেন্ট — কে নেবে, কত কেজি, কত দামে, এটা লিখিতভাবে জেনে নিন।
- 2খুব ছোট করে এক মৌসুম করে দেখুন। কক্সবাজারের চাষি ২০০৭ সালে শুরু করে দুই বছর পর বাজারের অভাবে বন্ধ করে দিয়েছিলেন; আবার শুরু করেছেন ২০২১ সালে। প্রথম বছরেই বড় করে নামা এই ফসলে সবচেয়ে বড় ভুল।
- 3উর্বর দোআঁশ থেকে বেলে দোআঁশ মাটি বেছে নিন, আর বেড করে চাষ করুন। বেড ছাড়া এই ফসল হয় না।
- 4অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বরের মধ্যে চারা লাগান। এর পরে লাগালে শীত কম পাওয়া যায়, আর শীত ও কুয়াশা বেশি হলে ফলন বাড়ে।
- 5চারার খরচটা আগে হিসাব করুন — এটাই সবচেয়ে বড় খরচ। চকরিয়ায় প্রতিটি চারা ৬০ টাকা, ৩০ শতকে চার হাজার চারা, শুধু চারাতেই ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জাত ও উৎস লিখে রাখুন।
- 6মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করুন। মালচিং পেপার দিলে আগাছা কম হয় আর ফল মাটি থেকে আলাদা থাকে বলে পরিষ্কার থাকে — নোংরা ফল সুপারশপ নেয় না।
- 7নিয়মিত সেচ দিন আর প্রতিদিন পরিচর্যা করুন। বিরলে ৮৭ শতক জমিতে ১২ জন শ্রমিক কাজ করেন — এই ফসলে শ্রমিকের খরচ বড়।
- 8খেতে পাহারার ব্যবস্থা রাখুন। বিরলে খেতের কোনায় টংঘর বানিয়ে দিনরাত পাহারা দেওয়া হয় — কেজি হাজার টাকার ফল অরক্ষিত রাখা যায় না।
- 9প্রতিদিন ফল তুলে প্রতিদিনই পৌঁছে দিন। ২৮ জানুয়ারি থেকে দিনে ১৫–১৭ কেজি ওঠে, আর সেটা সেদিনই দোকানে যেতে হয়। জমা করে রাখার কোনো উপায় নেই।
- 10পরের বছরের চারার কথা এই বছরেই ভাবুন। বিরলের উদ্যোক্তারা ২০ শতকে পলিনেট হাউস করে কন্দ থেকে নিজেরাই চারা তৈরি করছেন, যাতে পরের বছর আর বাইরে থেকে কিনতে না হয়। চারার খরচ কমানোই এই ফসলে লাভের সবচেয়ে বড় পথ।
- 11চারা বিক্রিকে আলাদা আয় হিসেবে দেখুন, কিন্তু আগে ক্রেতা দেখুন। বিরলের চাষিদের কাছে অনেকে আগাম চারার জন্য বলে যাচ্ছেন — তবে যাঁরা চারা কিনছেন তাঁরাও একই বাজারে ফল বেচবেন, আর বাজার ছোট।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেকম
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীদিনাজপুর · শীতপ্রধান এলাকা বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এখানে ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন। বিরলের রবিপুর গ্রামে চার উদ্যোক্তা ৮৭ শতকে চাষ করছেন, সঙ্গে ২০ শতকে পলিনেট হাউসে নিজেদের চারা।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · চারার উৎস — কক্সবাজারের চাষি এখানকার নার্সারি থেকেই আমেরিকান ফেস্টিভ্যাল জাতের চার হাজার চারা এনেছেন, প্রতিটি ৬০ টাকায়।
- সম্ভবকক্সবাজার · চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নে মাতামুহুরী নদীর চরে পলিমাটিতে ভালো ফলন হয়েছে, আর শহরের সুপারশপ ও পর্যটনের কারণে ক্রেতা কাছেই। তবে শীত কম, আর এখানকার চাষিই একবার বাজারের অভাবে চাষ বন্ধ করেছিলেন।
- সম্ভবঢাকা · চাষের জায়গা নয়, বিক্রির জায়গা। সুপারশপ ও অনলাইনে ফল বিক্রেতার সংখ্যা এখানেই সবচেয়ে বেশি, তাই বড় করে চাষ করলে ক্রেতা এখানেই খুঁজতে হবে।
- সম্ভবজয়পুরহাট · চারার আরেকটি উৎস — বিরলের এক উদ্যোক্তা এখান থেকেই চারা এনেছিলেন।
- সম্ভবপঞ্চগড় · দেশের সবচেয়ে ঠান্ডা জেলাগুলোর একটি; শীত ও কুয়াশা বেশি হলে ফলন বাড়ে।
- সম্ভবরংপুর · চারার উৎস এবং শীতপ্রধান এলাকা; বিরলের উদ্যোক্তা প্রথমবার রংপুরের বন্ধুর কাছ থেকে চারা এনে শুরু করেছিলেন।
- সম্ভবঠাকুরগাঁও · দিনাজপুরের পাশের শীতপ্রধান জেলা, একই আবহাওয়া ও একই চারার উৎস।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: বাজার ছোট, আর সেটাই এই ফসলের প্রধান ঝুঁকি। চকরিয়ার মোহাম্মদ কাইছার ২০০৭ সালে প্রথম স্ট্রবেরি চাষ করেছিলেন, কিন্তু স্থানীয় বাজারে চাহিদা কম থাকায় দুই বছর পর চাষাবাদ বন্ধ করে দেন; আবার শুরু করেন ২০২১ সালে। যিনি এখন সফল, তিনিই একবার বাজারের অভাবে ছেড়ে দিয়েছিলেন। ক্রেতা শুধু শহরের সুপারশপ, বড় ফলের দোকান আর পাইকার — সাধারণ কাঁচাবাজারে এই ফল চলে না।
- বেশিনষ্ট হওয়া: ফল অত্যন্ত পচনশীল। প্রতিদিন ১৫–১৭ কেজি ফল ওঠে আর সেদিনই দোকানে পৌঁছাতে হয়; জমা করে রাখার উপায় নেই, হিমাগারও নেই। নরম হয়ে গেলে সুপারশপ নেয় না, আর কাঁচাবাজারে এই দামে কেউ কিনবে না। ক্ষতির শতকরা হার কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি, তবে এক দিনের দেরিই যথেষ্ট।
- বেশিচলতি মূলধন: চারার টাকাটা একসঙ্গে দিতে হয়, ফল আসার আড়াই মাস আগে। ৩০ শতক জমির জন্য চার হাজার চারা মানে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা — মোট চার লাখ খরচের ষাট শতাংশ, আর সেটা রোপণের দিনেই। ফল আসার আগে কোনো আয় নেই, অথচ মালচিং, সেচ ও শ্রমিকের খরচ চলতেই থাকে।
- মাঝারিঅন্যান্য: চুরি। কেজি ৪০০ থেকে ১০০০ টাকার ফল খোলা খেতে থাকে, তাই বিরলে খেতের কোনায় টংঘর বানিয়ে দিনরাত পাহারার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। পাহারার মজুরিটা খরচের হিসাবে ধরতে হবে, আর সেটা কেউ আলাদা করে বলে না।
- মাঝারিঅন্যান্য: আবহাওয়া। শীত ও কুয়াশা বেশি হলে ফলন বাড়ে, অর্থাৎ কম শীতের বছরে ফলন কমে। এটি রবি মৌসুমের ফসল — অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত; মৌসুম ছোট আর গরম পড়লেই শেষ। কম শীতের বছরে ফলন কতটা কমে তার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
মৌসুমের শুরুতে কেজি ১,২০০ টাকা, শেষে ৩০০ — চারা বিক্রিতেই আরও ৪ লাখ
২৫ শতক জমিতে স্ট্রবেরি; বিঘাপ্রতি খরচ ১,৫০,০০০–২,০০,০০০ টাকা। এ মৌসুমে ফল বিক্রি ৪–৫ লাখ টাকা বা তার বেশি, আর অন্য চাষিদের কাছে চারা বিক্রি করে আরও ৪,০০,০০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, চলতি মূলধন
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারবায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ
ট্যাংকে ঘন করে মাছ চাষ। অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব, কিন্তু ঠাকুরগাঁওয়ে চার লাখ টাকা ঢেলে একজন বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ৬০ হাজার টাকার মাছ।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৫০ – ১৮০ দিন
কৃষি ও খামারলেয়ার মুরগির খামার
এক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১২৬ – ১৪০ দিন
কৃষি ও খামারগরুর দুগ্ধ খামার
গাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৬০ দিন
কৃষি ও খামারমাছের নার্সারি ও পোনা
হ্যাচারির রেণু পুকুরে লালন করে পোনা বিক্রি। সরকারি খামারের ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরলে রেণু কেজি প্রায় ৳১,৯০০ আর পোনা কেজি প্রায় ৳২৫০।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২২ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ৩৬৫ দিন
