ক্যাটারিংয়ের প্রশিক্ষণ হলো, জিনিসপত্র কেনার টাকা হলো না
২০২২ সালে ক্যাটারিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়েও উপকরণ কেনার টাকা না থাকায় কাজ শুরুই করা যায়নি। এক জরিপে ২,০০০ প্রশিক্ষিত নারীর ৪৪ শতাংশ ছয় মাস পরও কিছু দাঁড় করাতে পারেননি।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার এই নারী সংসারের অনটন কাটাতে ২০২২ সালে জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীনে ক্যাটারিংয়ের প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণ তিনি শেষ করেছেন, কিন্তু ব্যবসাটা কখনো শুরুই করতে পারেননি — ক্যাটারিংয়ের জিনিসপত্র কেনার টাকা তাঁর হাতে ছিল না। হাঁড়ি-পাতিল, গ্যাস আর একসঙ্গে অনেকটা বাজার — প্রথম অর্ডারের আগেই এই টাকাটা লাগে, আর প্রশিক্ষণ সেই ফাঁকটা পূরণ করে না। এই দক্ষতা থেকে নিয়মিত কোনো আয় তাঁর হয়নি। আইএমইডির এক জরিপে ১৬টি কেন্দ্রের ২,০০০ প্রশিক্ষিত নারীর ৪৪ শতাংশই প্রশিক্ষণের ছয় মাস পরও কোনো কাজ দাঁড় করাতে পারেননি — তাঁর ঘটনা সেই ছবিরই একটি। তাঁর কত টাকা দরকার ছিল বা কত আয় হয়েছে, প্রতিবেদনে কোনো অঙ্ক নেই।
যা শেখার আছে
- ১.ক্যাটারিং শুরু করতে প্রথম অর্ডারের আগেই হাঁড়ি-পাতিল, গ্যাস আর বাজারের টাকা লাগে — প্রশিক্ষণ সেই টাকাটা দেয় না
- ২.প্রশিক্ষণের সঙ্গে পুঁজি বা ঋণের ব্যবস্থা না থাকলে বেশির ভাগ প্রশিক্ষিতই কখনো ব্যবসা শুরু করতে পারেন না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
