মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে গাজীপুরের শ্রীপুরের একজন টার্কি খামারি · ২০১৯ সালে শুরু

আড়াই লাখের টার্কি খামার এক বছরেই বন্ধ

২০১৯ সালের শুরুতে প্রায় ২,৫০,০০০ টাকায় ৭০টি বাচ্চা নিয়ে শুরু; সপ্তাহে ৪০–৫০টি ডিম যেত ডজন ৪০০ টাকায়। ক্রেতা ছিলেন শুধু নতুন খামারিরা, আর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে খামার বন্ধ।

গাজীপুরের শ্রীপুরের এই খামারি টার্কির জোয়ারের সময়ে ২০১৯ সালের শুরুতে প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা নিয়ে ৭০টি টার্কির বাচ্চা দিয়ে খামার চালু করেন। শুরুতে সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০টি হ্যাচিং ডিম বিক্রি হতো, ডজন প্রায় ৪০০ টাকা দরে। কিন্তু ক্রেতা বলতে ছিলেন কেবল তাঁরাই, যাঁরা নিজেরাই টার্কির খামার দিতে চাইছিলেন — টার্কির মাংস খাওয়ার কোনো বাজার নিচে ছিল না। নতুন খামার খোলা বন্ধ হতেই ডিম আর পাখির দাম ধসে পড়ে, ধরে রাখার মতো ভোক্তাচাহিদাই ছিল না। খামার খোলার প্রায় এক বছরের মাথায়, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সব বন্ধ করে দেন; তাঁর ভাষায়, "পুরো প্রজেক্টটাই লোকসান খেল।" সারা দেশে টার্কির খামার ২০১৬–১৭ সালের প্রায় ৫,০০০ থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে মোটে ২০টির মতো।

যা শেখার আছে

  1. ১.আপনার ক্রেতা যদি শুধু একই ব্যবসা শুরু করতে চাওয়া মানুষ হন, তবে বাজারটা আসলে চক্র — নতুন লোক আসা বন্ধ হলেই শেষ
  2. ২.টাকা ঢালার আগে দেখুন সাধারণ ক্রেতা জিনিসটা আদৌ কেনেন কি না — টার্কির মাংসের চাহিদা এ দেশে কখনো তৈরিই হয়নি

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।