মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জের তাড়াশের একজন হাঁস খামারি

২৬ টাকার বাচ্চা, ১১–১২ টাকায় হ্যাচারিতে ডিম

২০ বছর ধরে হাঁস পালন। এখন ৪০০টি বাচ্চা পালছেন, কেনা ২৬ টাকা দরে; ডিম যায় হ্যাচারিতে ১১–১২ টাকায়, আর সম্প্রতি ২০০টি হাঁস বিক্রি হয়েছে ৭০,০০০ টাকায়।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের চান্দিভোগ গ্রামের এই খামারি ২০ বছর ধরে হাঁস পালন করছেন। নিজের পাড়ারই একটি হ্যাচারি থেকে প্রতিটি ২৬ টাকা দরে একদিন বয়সী বাচ্চা কেনেন, এখন পালছেন ৪০০টি। পাল ডিমে এলে দিনে ৩৫০ থেকে ৩৭০টি ডিম পাবেন বলে তিনি আশা করছেন — এটা এখনো হাতে আসা আয় নয়, সামনের হিসাব। আশপাশের হ্যাচারিগুলোর ফোটানোর জন্য ডিম দরকার হয় বলে তিনি খাওয়ার ডিমের বাজারে না গিয়ে হ্যাচারিতেই ১১ থেকে ১২ টাকা দরে ডিম দেন। সম্প্রতি ২০০টি হাঁস একসঙ্গে বিক্রি করেছেন ৭০,০০০ টাকায়। হ্যাচারির পাড়াতেই থাকায় বাচ্চা কেনা আর ডিমের ক্রেতা খোঁজা — দুটোই তাঁর হাতের কাছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাঁসের ডিম খাওয়ার ডিম হিসেবে না বেচে কাছের হ্যাচারিতে ফোটানোর ডিম হিসেবে দিলে দাম অনেক ভালো পাওয়া যায়
  2. ২.হ্যাচারির এলাকার ভেতরে থাকলে বাচ্চার দামও কম পড়ে, ডিমের ক্রেতাও খুঁজতে হয় না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।