ট্যুরে মাসিক লাভ ২০ থেকে ৩৫ হাজার, মহামারিতে অফিস ছাড়তে হলো
২০১৮ সালে ট্যুর পরিচালনা শুরু করা এক তরুণ সাজেক ও সেন্ট মার্টিনে কটেজ নিয়ে মাসিক লাভ ৩৫ হাজার টাকায় তোলেন; মহামারিতে খিলগাঁওয়ের অফিস ছেড়ে দিতে হয়, পরে ভাগাভাগির অফিসে আবার লাভে ফেরেন।
ঢাকার একটি ট্যুর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ২০১৮ সালে ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৯ সালে তিনি সাজেকে একটি কটেজ ইজারা নেন, পরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আরও তিনটি কটেজ তৈরি করেন এবং ৮ কাঠা জমি কেনেন। ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী শুরুতে ট্যুর আয়োজন থেকে প্রতিষ্ঠানের মাসিক লাভ ছিল ২০ হাজার টাকা, ২০১৯ সালে তা বেড়ে প্রায় ৩৫ হাজার টাকায় পৌঁছায়। এরপর তিনি ঢাকার খিলগাঁওয়ে অফিস নেন। কিন্তু মহামারিতে পর্যটন খাতে দুর্যোগ নেমে এলে সেই অফিস ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। ২০২০ সালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে পল্টনে আরেকজনের সঙ্গে অফিস ভাগাভাগি করে নেন, আর সে বছরের সেপ্টেম্বরের পর প্রতিষ্ঠানটি আবার লাভের মুখ দেখে। তাঁরা টাঙ্গুয়ার হাওরে একটি হাউসবোটও তৈরি করেছেন এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে ট্যুর আয়োজন করেন। প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত তিনি এ ব্যবসায় ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন; পরের পরিকল্পনা ভ্রমণের আনুষঙ্গিক পণ্যের দোকান। ট্যুর ব্যবসার আয় মৌসুম আর পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল — মহামারির মতো ধাক্কায় ভাড়ার অফিসের মতো স্থায়ী খরচই প্রথমে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
যা শেখার আছে
- ১.পর্যটন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে; শুরুতে অফিস ভাড়ার মতো স্থায়ী খরচ কম রাখুন, প্রয়োজনে অফিস ভাগাভাগি করুন।
- ২.নিজের কটেজ বা হাউসবোট থাকলে প্রতি ট্যুরে লাভের অংশ বাড়ে, কিন্তু বিনিয়োগও আটকে যায়।
- ৩.মাসিক লাভের হিসাব রাখুন — ২০ থেকে ৩৫ হাজারে ওঠা বোঝা গেলেই বড় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
