মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

চশমার দোকান

ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
চশমার দোকান

চশমার দোকান

শুরুর পুঁজি
৳২,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৫ – ৪৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

চশমার দোকান দুই রকম হয়, আর দুটোর হিসাব সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথমটায় দোকানি নিজে চোখ দেখেন না। খদ্দের ডাক্তার বা হাসপাতাল থেকে পাওয়ার লিখিয়ে আনেন, দোকানি ফ্রেম বেচেন আর বাইরের কারখানায় লেন্স কাটিয়ে বসিয়ে দেন। দ্বিতীয়টায় দোকানে একজন রিফ্র্যাকশনিস্ট বসেন, তিনি চোখ দেখে পাওয়ার বের করেন, আর লেন্স কাটার যন্ত্র দোকানেই থাকে। প্রথমটায় পুঁজি কম, কিন্তু খদ্দের পাওয়ার নিতে বাইরে গেলে আর ফিরে নাও আসতে পারে। দ্বিতীয়টায় লোক আর যন্ত্রের খরচ আছে, কিন্তু কাজটা হাতে থাকে। বাংলাদেশে চশমা বেচতে বিএসটিআইয়ের সনদ লাগে না — বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় চশমা, ফ্রেম বা লেন্স কিছুই নেই। সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ, ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন করে ৩ কর্মদিবসে পাওয়া যায়। মাল প্রায় পুরোটাই আমদানির। শুল্ক তালিকায় ফ্রেমের আমদানি শুল্ক ২৫%, তৈরি চশমা ও রোদচশমাও ২৫%, কিন্তু কাচের লেন্সে ১০% আর অন্য উপকরণের লেন্সে মাত্র ৫%। অর্থাৎ টাকা আটকায় ফ্রেমে। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর অনলাইন দরে সাধারণ ফ্রেম ৳৩৯৯–১,৪৯৯, টিআর-৯০ ৳৪৯৯–১,২৯৯, টাইটেনিয়াম ও রিমলেস ৳৯৫০–৪,০০০; লেন্স সাদা ৳২৫০, অ্যান্টি-রিফ্লেকশন ৳৩৫০, ব্লু-কাট ৳৪৫০, পলিকার্বোনেট ৳১,৪০০। ফ্রেম বিক্রি হয় ধীরে, অথচ দোকান সাজাতে অনেক ফ্রেম ঝুলিয়ে রাখতেই হয় — টাকাটা কাচের আলমারিতে পড়ে থাকে। দেশে চশমার বাজার বছরে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা আর দোকান ১০ হাজারের বেশি; ভাগ করলে দোকানপ্রতি বছরে গড়ে ৯ লাখ টাকার বিক্রি, মাসে ৭৫ হাজার। বড় লাভের গল্প শোনার আগে এই গড়টা মনে রাখা দরকার।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৫২,০০০ – ৳৬,৬৭,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৬৪৯ – ৳৫,৪০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৬০ – ৳৩,৭৮০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩০% – ৬০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৫ – ৪৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭২ – ১৪৪ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩ – ৭সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • লেন্স কাটার যন্ত্র, যদি দোকানেই কাটাতে চান। এছাড়া ট্রায়াল লেন্স সেট, স্ন্যালেন চার্ট, স্ক্রুড্রাইভার ও ফিটিংয়ের ছোট যন্ত্রপাতি। যন্ত্রের দাম আমাদের সূত্রে পাওয়া যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ফ্রেম ও লেন্সের মজুত। ছোট দোকানে ১০০ ফ্রেম ও ৫০ জোড়া লেন্স ধরলে খুচরা দরে ৳৫২,৪০০; বড় দোকানে ৪০০ ফ্রেম ও ১৫০ জোড়া লেন্সে ৳৬,৬৭,১০০।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে। ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন, সময় ৩ কর্মদিবস, নবায়ন ২ কর্মদিবস। ফি সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬-এর ১০(৪) ধারা অনুযায়ী; নির্দিষ্ট অঙ্কটি আমাদের সূত্রে পড়া যায়নি। প্রতি অর্থবছরে নবায়ন।লাইসেন্স
  • চোখ দেখে পাওয়ার বের করার প্রশিক্ষণ (রিফ্র্যাকশন)। না থাকলে খদ্দেরকে ডাক্তারের কাছে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশে চশমা বেচার জন্য আলাদা নিবন্ধন লাগে কি না, তা আমাদের সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।দক্ষতা
  • আমদানিকারক বা পাইকারি সরবরাহকারী — ফ্রেমের জন্য একজন, লেন্সের জন্য আরেকজন। ফ্রেমে আমদানি শুল্ক ২৫%, লেন্সে ৫–১০%।সরবরাহকারী
  • রাস্তার ধারে কাচের সামনেওয়ালা ছোট দোকান, ভালো আলো আর কাচের আলমারি। চোখ দেখতে হলে পেছনে অন্ধকার করা যায় এমন ছয় মিটার লম্বা একটা জায়গা লাগে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ঠিক করুন দোকানে চোখ দেখা হবে কি না। না হলে পাশে চোখের ডাক্তার বা হাসপাতাল আছে এমন জায়গা বেছে নিন, কারণ খদ্দের পাওয়ার লিখিয়ে তবেই আসবে।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ঢাকা উত্তরে erevenue.dncc.gov.bd-তে ইউজার খুলে মালিকের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র, ভাড়ার চুক্তিপত্র ও মূলধনের কাগজ আপলোড করতে হয়; সময় ৩ কর্মদিবস।
  3. 3ফ্রেমের সরবরাহকারী ঠিক করুন। প্রায় সব ফ্রেমই আমদানি করা, আমদানি শুল্ক ২৫%; দেশে ফ্রেম বানানোর কারখানা মাত্র ১৫টি আর বাজারের ৮–১০ শতাংশ তাদের।
  4. 4লেন্সের সরবরাহকারী আলাদা করে ঠিক করুন। কাচের লেন্সে আমদানি শুল্ক ১০%, অন্য উপকরণের লেন্সে ৫% — লেন্সে টাকা কম আটকায়, তাই পাওয়ার অনুযায়ী মজুত রাখা যায়।
  5. 5লেন্স কাটানোর ব্যবস্থা ঠিক করুন — হয় বাইরের কারখানায় পাঠাবেন, নয় দোকানেই কাটার যন্ত্র বসাবেন। যন্ত্র বসালে কাজ একদিনেই শেষ হয়, কিন্তু যন্ত্রের দাম আমাদের সূত্রে পাওয়া যায়নি।
  6. 6চোখ দেখতে চাইলে প্রশিক্ষিত লোক লাগবে। রংপুরের ডিপ আই কেয়ার ফাউন্ডেশন মিড-লেভেল অফথালমিক পার্সোনেলদের জন্য স্বল্পমেয়াদি রিফ্র্যাকশন কোর্স করায়; এমএলওপি সনদ কোর্সটি বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টির অধিভুক্ত।
  7. 7প্রথম চালানে ফ্রেম বেশি নয়, ধরন বেশি রাখুন — প্লাস্টিক, টিআর-৯০, ধাতু আর রিমলেস। এক ধরনের অনেকগুলো কিনলে সেগুলোই পড়ে থাকে।
  8. 8প্রতিটি ফ্রেমের গায়ে কেনার তারিখ লিখে রাখুন। ছয় মাসে যেটা বিক্রি হয়নি, সেটা আর বিক্রি হবে না — দাম কমিয়ে ছেড়ে দিন।
  9. 9পাওয়ার, ফ্রেম আর তারিখ খাতায় লিখে রাখুন। দুই বছর পর একই খদ্দের পাওয়ার বদলাতে এলে পুরোনো হিসাব থাকলে কাজটা আপনারই থাকে।
  10. 10ফিটিং আর মেরামতের কাজটা বিনা পয়সায় করে দিন — নাট টাইট করা, নাকপ্যাড বদলানো। এই কাজেই খদ্দের বারবার আসে।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর শহর, আমদানিকারকের গুদাম কাছে আর চোখের হাসপাতালও একাধিক — দোকানে মাল তুলতে ঢাকায় যেতে হয় না।
  • খুব উপযোগীঢাকা · নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, পল্টন, মালিবাগ, বেইলি রোড, মিরপুর-১, ফার্মগেট, ধানমন্ডি, উত্তরা ও গুলশানে চশমার দোকানের সারি; এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটের আশপাশে চোখের হাসপাতালও একই এলাকায়।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র, আশপাশের জেলার পাইকারি ও খুচরা দুই-ই এখান থেকে চলে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর বড় বাজার, আশপাশের উপজেলা থেকে লোক পাওয়ার দেখাতে আসে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, আশপাশের জেলা থেকে চোখ দেখাতে আসা লোকজনই দোকানের খদ্দের।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · মেডিকেল কলেজ ও বড় বাজার, আশপাশের উপজেলার খদ্দের এখানেই চশমা বানায়।
  • সম্ভবনীলফামারী · দেশের অল্প কয়েকটি ফ্রেম কারখানার একটি এখানে, যারা হংকংয়ে ফ্রেম রপ্তানিও করে — কাছ থেকে দেশি ফ্রেম তোলার সুযোগ।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর ও বড় মেডিকেল কলেজ — ব্যবস্থাপত্র হাতে নিয়ে আসা খদ্দেরের ভিড় আছে।
  • সম্ভবরংপুর · এখানকার চোখের হাসপাতালই এমএলওপি ও রিফ্র্যাকশন প্রশিক্ষণ দেয়, তাই চোখ দেখতে পারেন এমন লোক এখানে মেলে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের শহর, দামি ফ্রেম ও প্রোগ্রেসিভ লেন্সের খদ্দের এখানে তুলনায় বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: ফ্রেমে টাকা মরে পড়ে থাকে। সারা দেশের হিসাব ভাগ করলে দোকানপ্রতি বছরে ১,০০০ ফ্রেম, অর্থাৎ দিনে তিনটি; অথচ দোকান ভরে রাখতে ২০০–৪০০ ফ্রেম ঝুলিয়ে রাখতে হয়। মানে তিন-চার মাসের বিক্রির সমান মাল সবসময় আলমারিতে বসে থাকে, আর ফ্যাশন বদলালে সেটা আর ওঠে না।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: ফ্রেম, লেন্স আর রোদচশমা প্রায় পুরোটাই আমদানি করা, ফ্রেমে শুল্ক ২৫%। ডলারের দর বা শুল্ক বাড়লে দাম বাড়ে, কিন্তু দোকানের পুরোনো মজুত আগের দামেই কেনা — লাভ-ক্ষতি দুটোই এক ধাক্কায় বদলে যায়। বাজারের বেশির ভাগ ব্র্যান্ডের মালই আসলে চীনের নকল, তাই ব্র্যান্ডের নামে বেচলে খদ্দেরের বিশ্বাস ভাঙার ঝুঁকিও থাকে।
  • মাঝারিচাহিদা: যে দোকানে চোখ দেখা হয় না, সে দোকান খদ্দেরকে ডাক্তারের কাছে পাঠায় — আর হাসপাতালের নিজের চশমার কাউন্টার থাকলে খদ্দের সেখানেই চশমা বানিয়ে ফেরে না। একজন রিফ্র্যাকশনিস্ট রাখা মানে বেতন বাড়ানো, না রাখা মানে প্রতিদিন কিছু খদ্দের হারানো।
  • কমআইনি বাধ্যবাধকতা: চশমার জন্য বিএসটিআইয়ের সনদ লাগে না — ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় চশমা নেই। ঝুঁকি একটাই: ট্রেড লাইসেন্স সময়মতো নবায়ন না করা। নবায়নে লাগে মাত্র ২ কর্মদিবস।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কসমেটিকস দোকান

ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

পোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রীর দোকান

বিড়াল-কুকুরের আমদানি করা খাবার, লিটার ও সরঞ্জামের দোকান। শুকনো খাবার কেজিপ্রতি ৳৪৮৭ থেকে ৳১,৯০০ (২১-০৯-২০২৬)। খাবারে আমদানি শুল্ক ২৫%, আর চাহিদা এখনো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

মাছের আড়ত

চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

রং ও হার্ডওয়্যারের দোকান

রং, সিমেন্ট, রড, পাইপ, স্যানিটারি ও যন্ত্রপাতির খুচরা দোকান। ১২-০৩-২০২৬ তারিখে ৫০ কেজির সিমেন্ট ৳৪৭৫–৫২০ আর ৬০ গ্রেডের রড টনপ্রতি ৳৮৭,০০০–৮৮,৫০০ — দাম সপ্তাহে সপ্তাহে নড়ে।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান