মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সরিষা চাষ

আমন কাটার পর আর বোরো লাগানোর আগে — মাঝের ৮০-৯০ দিনের ফসল। আগস্ট ২০২৬-এ সরিষার পাইকারি জাতীয় গড় ৳৯১.২৭ কেজি (মণে প্রায় ৳৩,৬৫১), আর সরকারি প্রণোদনায় বিঘাপ্রতি উপকরণ দেওয়া হয় ৳৫৫০.৫০ মূল্যের।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
সরিষা চাষ

সরিষা চাষ

শুরুর পুঁজি
৳৫,০০০ – ৳৫০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৭৫ – ১১০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৩ – ৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

সরিষা বাংলাদেশের একমাত্র বড় ফসল যা জমি দখল না করেই হয়। আমন ধান কাটার পর আর বোরো লাগানোর আগে জমি যে দুই-আড়াই মাস খালি পড়ে থাকে, সেই ফাঁকেই সরিষা বোনা হয় — কার্তিকের শেষ থেকে অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি, আর কাটা পড়ে মাঘ-ফাল্গুনে। খরচ কম: সেচ লাগে এক-দুইবার, পোকার ওষুধ সামান্য, আর সরকার প্রণোদনায় বিঘাপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি বিনামূল্যে দেয়। ২০২৫-২৬ রবি মৌসুমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচির এগারোটি ফসলের মধ্যে সরিষাতেই সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ — ৯,০৪,৮০০ জন/বিঘা, মোট ৫০ কোটি ৯ হাজার টাকা, অর্থাৎ পুরো কর্মসূচির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। কারণটা সোজা: দেশ ভোজ্যতেলের জন্য আমদানির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আর সরিষাই একমাত্র দেশি বিকল্প। দাম ভালোই — আগস্ট ২০২৬-এ সরিষার দানা পাইকারি ৳৯১.২৭ কেজি, খুচরা ৳১০২; সরিষার তেল খোলা পাইকারি লিটারে ৳২১৮.১০ আর ঢাকার পাইকারিতে ৳১৮৫–২০০, যেখানে সয়াবিন ৳১৮১–১৮৩। দানা থেকে তেল ভাঙানোর পর যে খৈল থাকে তাও বিক্রি হয় — পাইকারি ৳৪৪.৯২ কেজি, খুচরা ৳৫১, আর সেটা গরু ও মাছের খাবার হিসেবেই যায়। এই ফসলের আসল ঝুঁকি ফলন নয়, সময়। আমন কাটতে দেরি হলে সরিষা বোনা পিছিয়ে যায়, আর তখন বোরোর জন্য জমি ছাড়তে গিয়ে অপরিণত অবস্থাতেই কাটতে হয়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,০০০ – ৳১৭,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৯১ – ৳১০২ / কেজিসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳১০ – ৳২৫ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৭২% – ৮৯%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭৫ – ১১০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৩ – ৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭৫ – ১৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১.৫ – ৬সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • বপনের জন্য বিশেষ কিছু লাগে না — হাতে ছিটিয়েই বোনা হয়। এক-দুইবার সেচের ব্যবস্থা, জাব পোকার ওষুধ ও স্প্রে মেশিন, কাটার কাস্তে, মাড়াইয়ের জায়গা ও ঝাড়ার কুলা, আর শুকনো দানা রাখার বস্তা।যন্ত্রপাতি
  • বীজ — বিঘাপ্রতি ১ কেজি (কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা ছক), একক মূল্য ধরা হয়েছে ৳১২৮ প্রতি কেজি। প্রণোদনার তালিকায় নাম থাকলে বিনামূল্যে পাওয়া যায়। বিএডিসি চুক্তিবদ্ধ চাষির কাছ থেকে বীজ কেনে ৳১০৫–১১০ কেজি দরে।শুরুর মাল
  • সার — প্রণোদনার ছক অনুযায়ী বিঘাপ্রতি ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি। সরকার-নির্ধারিত কৃষক পর্যায়ের দর ডিএপি ৳২১, এমওপি ৳২০, ইউরিয়া ও টিএসপি ৳২৭ প্রতি কেজি। ইউরিয়ার সুপারিশকৃত মাত্রা এখানে যাচাই করা যায়নি।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু, বছরে নবায়ন। শুধু নিজের সরিষা বেচলে লাগে না; ঘানি বা ক্রাশিং মিল চালালে বা দানা কিনে-বেচলে লাগে।লাইসেন্স
  • কৃষি বিপণন লাইসেন্স — কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ ও বিধিমালার আওতায়, ফরম-১ এ আবেদন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ী ও আড়তদারের জন্য। ফি ও মেয়াদ এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • সময়জ্ঞান — কবে বুনলে বোরোর আগে ফসল ঘরে তোলা যাবে সেই হিসাব, জাব পোকা চেনা, আর ৭৫ শতাংশ শুঁটি হলদে হওয়ার অবস্থা চেনা। দেরিতে কাটলে দানা মাঠেই ঝরে যায়।দক্ষতা
  • উপজেলা কৃষি অফিস (প্রণোদনার বীজ ও সার), সার ডিলার, গ্রামের ঘানি বা ক্রাশিং মিল, হাটের ফড়িয়া, খৈলের জন্য গরু ও মাছের খামারি, আর বিএডিসির ডাল ও তৈলবীজ বিভাগ (চুক্তিবদ্ধ বীজ উৎপাদন)।সরবরাহকারী
  • আমন কাটার পরের খালি জমি — সরিষার জন্য আলাদা জমি লাগে না, লাগে সময়। জমি এমন হতে হবে যেখানে পানি জমে না, আর বোরো লাগানোর আগে অন্তত ৭৫ দিন হাতে থাকতে হবে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আমন কাটার তারিখ দেখে ঠিক করুন সরিষা হবে কি না। কার্তিকের শেষ থেকে অগ্রহায়ণের মাঝামাঝির মধ্যে বুনতে না পারলে বোরোর সময় এসে যাবে, তখন অপরিণত সরিষা কাটতে হবে — এই একটিই সিদ্ধান্ত পুরো ফসলের ভাগ্য ঠিক করে।
  2. 2আশ্বিন মাসেই উপজেলা কৃষি অফিসে প্রণোদনার তালিকায় নাম তুলুন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে সরিষায় ৯,০৪,৮০০ জন/বিঘা বরাদ্দ ছিল — এগারোটি রবি ফসলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি; জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি।
  3. 3জাত বেছে নিন মেয়াদ দেখে, ফলন দেখে নয়। বারি সরিষা-১৪, -১৭, -২০ ও বিনা সরিষা-১১ হলুদ দানার জাত; বারি সরিষা-৯ ও -১৮, বিএডিসি-১ এবং বাউ সরিষা-১ পিংলা দানার। বিএডিসি হলুদ দানার বীজ বেশি দামে কেনে (৳১০৮–১১০ বনাম ৳১০৫–১০৭ কেজি)।
  4. 4আমন কাটার পরের ভেজা জমিতে চাষ না দিয়েই ছিটিয়ে বুনুন (বিনা চাষে বপন), তাতে সময় ও জমি তৈরির খরচ দুটোই বাঁচে। শুকনো জমিতে বুনলে হালকা সেচ দিয়ে নিন।
  5. 5ডিএপি ও এমওপি বপনের সময়েই দিয়ে দিন। প্রণোদনার ছকে বিঘাপ্রতি ১০ কেজি করে ধরা আছে; সরকারি দরে কৃষক পর্যায়ে ডিএপি ৳২১ ও এমওপি ৳২০ কেজি।
  6. 6জাব পোকার জন্য খেত দেখে রাখুন। শীতের শেষে কুয়াশা পড়লে ফুলের সময় জাব পোকা ধরে আর দানা ভরাট হয় না; দেরি করে ব্যবস্থা নিলে আর কাজ হয় না।
  7. 7মৌ-চাষিকে খেতে বাক্স বসাতে দিন। পরাগায়নে ফলন বাড়ে আর সরিষা ফুলের মধুর আলাদা বাজার আছে — টাকা না নিলেও ফলনের লাভটা থেকে যায়।
  8. 8৭৫ শতাংশ শুঁটি হলদে হলে কেটে ফেলুন, পুরো শুকিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা করবেন না — শুঁটি ফেটে দানা মাঠেই ঝরে যায়।
  9. 9কেটে দুই-তিন দিন রোদে শুকিয়ে মাড়াই করুন, তারপর ভালো করে ঝেড়ে বস্তায় ভরুন। ভেজা দানা রাখলে গন্ধ হয় আর তেলের মান পড়ে যায়, ঘানিওয়ালা তখন কম দাম দেন।
  10. 10ঠিক করুন দানা বেচবেন নাকি ঘানিতে ভাঙিয়ে তেল ও খৈল আলাদা বেচবেন। আগস্ট ২০২৬-এ দানা পাইকারি ৳৯১.২৭ কেজি, খোলা সরিষার তেল ৳২১৮.১০ লিটার আর খৈল ৳৪৪.৯২ কেজি — তেল ও খৈল মিলিয়ে বেচলে বেশি আসে, কিন্তু ভাঙানোর মজুরি ও সময় লাগে।
  11. 11নিজের বীজ রেখে দিন। ১ বিঘার জন্য ১ কেজিই যথেষ্ট, আর বীজ ভালো রাখলে পরের বছর বাজার থেকে কিনতে হয় না।
  12. 12বিএডিসির চুক্তিবদ্ধ বীজ উৎপাদনের সুযোগ আছে কি না খোঁজ নিন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বিএডিসি হলুদ সরিষার মানঘোষিত বীজ কিনেছে ৳১০৮ ও ভিত্তি বীজ ৳১১০ কেজি দরে, যা সাধারণ দানার পাইকারি দরের চেয়ে বেশি।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলকম
  5. মেকম
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীফরিদপুর · পুরোনো তৈলবীজ এলাকা; পেঁয়াজের পাশাপাশি সরিষা দ্বিতীয় রবি ফসল হিসেবে চলে আর ঢাকার বাজার কাছে।
  • খুব উপযোগীজামালপুর · রবি প্রণোদনায় ৩৫,০০০ জন/বিঘা; যমুনার চরের বেলে-দোআঁশ জমিতে আমনের পর সরিষা ভালো হয়।
  • খুব উপযোগীমানিকগঞ্জ · রবি প্রণোদনায় ৫৮,৩৫০ জন/বিঘা — টাঙ্গাইলের পরেই; ঢাকার একেবারে গায়ে বলে দানা ও তেল দুটোরই বাজার হাতের কাছে।
  • খুব উপযোগীময়মনসিংহ · রবি প্রণোদনায় ২৭,৯০০ জন/বিঘা; বড় আমন এলাকা মানেই আমন-পরবর্তী সরিষার বড় সুযোগ।
  • খুব উপযোগীপাবনা · চলনবিলসহ বিস্তীর্ণ নিচু জমি পানি নামার পর সরিষার জন্য খালি হয়; কাছেই সিরাজগঞ্জ ও ঢাকার তেল মিল।
  • খুব উপযোগীরাজশাহী · বরেন্দ্র এলাকায় কম সেচে সরিষা ভালো হয় — সেচের পানি কম লাগে বলে এখানে এই ফসলটাই যুক্তিসঙ্গত।
  • খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · যমুনার চরে শীতে ব্যাপক সরিষা হয়, আর সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহকারীরাও এখানেই বাক্স বসান — পরাগায়নে ফলন বাড়ে।
  • খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · ২০২৫-২৬ রবি প্রণোদনায় জেলাভিত্তিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি উপকারভোগী — ৭৭,০০০ জন/বিঘা, ঢাকা বিভাগের যেকোনো জেলার চেয়ে বেশি; শীতে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সরিষা হয় আর ঢাকার ক্রাশিং মিল কাছেই।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরের বড় রবি এলাকা, তবে এখানে আলু সরিষার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী — একই জমি, একই সময়, আর আলুতে টাকা বেশি।
  • সম্ভবগোপালগঞ্জ · বিলের পানি নামার পর পতিত জমিতে বিনা চাষে সরিষা বোনা যায়, তাই জমি তৈরির খরচ প্রায় লাগে না।
  • সম্ভবমাগুরা · শীতে সরিষার মাঠ বড়, আর সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের এলাকা হিসেবেও পরিচিত; স্থানীয় ঘানি ও ছোট মিলেই বেশিরভাগ দানা যায়।
  • সম্ভবনেত্রকোণা · রবি প্রণোদনায় ১৫,৮০০ জন/বিঘা; হাওরের পানি নামার পর সরিষা চাষ বাড়ছে, তবে পানি নামতে দেরি হলে সময় পাওয়া যায় না।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • মাঝারিচাহিদা: আমদানি করা ভোজ্যতেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা। ঢাকার পাইকারি বাজারে ১৭-০৯-২০২৬ তারিখে খোলা সয়াবিন লিটারে ৳১৮১–১৮৩, পাম ৳১৬৩–১৬৪, আর সরিষা ৳১৮৫–২০০। সরিষার তেল সবচেয়ে দামি, তাই আমদানি করা তেলের দাম পড়লে সরিষার দানার চাহিদাও পড়ে। সরকারের আমদানি শুল্ক ও দাম-নির্ধারণের সিদ্ধান্তে এই ব্যবধান রাতারাতি বদলায়।
  • মাঝারিঅন্যান্য: কুয়াশা ও জাব পোকা। শীতের শেষে ঘন কুয়াশা পড়লে ফুল ও শুঁটির সময় জাব পোকা ছড়ায় আর দানা ভরাট হয় না। খরচ কম বলে অনেকে ওষুধ দেন না, ফলে একটি খারাপ সপ্তাহেই ফলনের বড় অংশ চলে যায়। এটি প্রতি বছরের ঝুঁকি, ব্যতিক্রম নয়।
  • কমচলতি মূলধন: এই ফসলে নগদের চাপ কম — বিঘাপ্রতি উপকরণ ৳৫৩৮ আর মোট খরচ আনুমানিক ৳৩,০০০–৫,০০০, আর সবটাই ৭৫–১১০ দিনে ফেরে। ঝুঁকিটা উল্টোদিকে: খরচ কম বলে অনেকে সেচ ও ওষুধ বাদ দিয়ে দেন, আর তাতেই ফলন কমে যায়।
  • কমআইনি বাধ্যবাধকতা: শুধু দানা বিক্রিতে কোনো লাইসেন্স লাগে না। কিন্তু নিজের নামে বোতলে সরিষার তেল বিক্রি করতে গেলে ভিন্ন আইনে পড়তে হয় — সেটা আর চাষ নয়, খাদ্য উৎপাদন, আর সেখানে বিএসটিআই ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন লাগে। এই ব্যবসায় ঢোকার আগে সেই খরচ আলাদা করে হিসাব করতে হবে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: আমন ধানের ওপর নির্ভরতা। সরিষা জমি পায় শুধু আমন কাটার পর, আর কাটতে দেরি হলে বা বন্যায় আমন পিছিয়ে গেলে সরিষা বোনার জানালাটাই বন্ধ হয়ে যায়। বোনা পিছোলে বোরো লাগানোর চাপে অপরিণত অবস্থায় কাটতে হয়, তখন দানা হালকা হয় আর তেলের পরিমাণ কমে। নিজের হাতে কিছু থাকে না — পুরোটাই আগের ফসলের সময়সূচির ওপর।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

কেঁচো সার উৎপাদন

গোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ছাদকৃষি ও নার্সারি

ছাদে টবে গাছ তুলে চারা বিক্রি। ছোট চারা ৳৫০, দামি ক্যাকটাস-ফার্ন ৳১,২০০–৫,০০০। গাছের চেয়ে টব-মাটি-সারেই বেশি টাকা — ৫০ টাকার গাছে ১৫০ টাকার জিনিস লাগে।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

হাইড্রোপনিক চাষ

মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষ। ঢাকায় একটি ছাদের অবকাঠামোতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৳২,০০,০০০, আর ঢাকার বাইরে এখনো বাণিজ্যিক ক্রেতা প্রায় নেই।

পুঁজি
৳৪ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

গম চাষ

অগ্রহায়ণে বুনে চৈত্রে কাটা এক মৌসুমের ফসল। ২০২৫ সালে সরকার কৃষকের কাছ থেকে গম কিনেছে কেজি ৳৩৬ দরে, আর এক বিঘার খরচ ছিল ৳৬,০০০–৭,০০০।

পুঁজি
৳৬ হাজার – ৳৩৫ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১০৮ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান