মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সোলার প্যানেল বসানোর সেবা

ছাদে বা জমিতে সৌর প্যানেল বসিয়ে দেওয়ার কাজ। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ গ্রিডে যুক্ত ১০ কিলোওয়াট প্ল্যান্টের দর ৳৪,৪৯,০০০–৭,০০,০০০, আর নেট মিটারিং নিলে অনুমোদিত লোডের পুরোটা পর্যন্ত বসানো যায়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
সোলার প্যানেল বসানোর সেবা

সোলার প্যানেল বসানোর সেবা

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳১২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
৭ – ২৫৫ দিন
সরকারি সূত্র
খরচ উঠতে
৬ – ১২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

কাজটা হলো প্যানেল, ইনভার্টার, স্ট্যান্ড আর তার নিয়ে গিয়ে গ্রাহকের ছাদে একটা চালু সৌরব্যবস্থা দাঁড় করিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশে এর তিনটা আলাদা বাজার আছে, আর তিনটার টাকার হিসাব এক নয়। এক, গ্রামের বাড়ি বা দোকানে ব্যাটারিসহ ছোট ব্যবস্থা — বিদ্যুৎ নেই বা থাকে না, তাই ব্যাটারি লাগেই। দুই, শহরের ছাদে গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত নেট মিটারিং ব্যবস্থা — এখানেই এখন আসল টাকা। তিন, সেচের পাম্প ও শিল্প-কারখানার ছাদ। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর অনলাইন দরে ১০ কিলোওয়াটের অন-গ্রিড প্ল্যান্ট ৳৪,৪৯,০০০ থেকে ৳৭,০০,০০০, ১৫ কিলোওয়াট ৳৭,৫০,০০০, আর ব্যাটারিসহ হাইব্রিড ১০ কিলোওয়াট ৳১২,৪০,০০০। অর্থাৎ কিলোওয়াটপ্রতি ৳৪৪,৯০০ থেকে ৳১,২৪,০০০। প্যানেল নিজে এর ছোট অংশ — জিনকো ৫৮৫ ওয়াট ৳১০,৪০০, অর্থাৎ ওয়াটে ৳১৭.৭৮। বাকিটা ইনভার্টার, স্ট্যান্ড, তার, মিটার আর হাতের কাজ। নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫ আসার পর অনুমোদিত লোডের ৭০ শতাংশের বদলে পুরো ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বসানো যায়, এক ফেজের গ্রাহকও পারেন, আর স্রেডার হিসাবে এ পর্যন্ত ২,১৯০টি নেট মিটারিং ছাদ-সৌর ব্যবস্থা বসেছে, মোট ১০০ মেগাওয়াটপিক। গ্রাহককে সত্যি কথাটা বলা জরুরি — নিজের বিদ্যুৎ নিজে খরচ করলে বাণিজ্যিক গ্রাহকের প্রতি ইউনিটে ৳১৫.৩৬ বাঁচে, কিন্তু উদ্বৃত্ত গ্রিডে পাঠালে তা মেটানো হয় পাইকারি দরের কাছাকাছি ৳৮.৩৯-এ। তাই বড় করে বসানোর চেয়ে দিনের ব্যবহারের সঙ্গে মিলিয়ে বসানোই লাভজনক।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳২,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪৪,৯০০ – ৳১,২৪,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৩০,০০০ – ৳৫৫,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩৩% – ৫৬%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭ – ২৫৫ দিনসরকারি সূত্র
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৪%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১ – ৫সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • দ্বিমুখী নেট মিটার ও তা বসানোর খরচ — গাইডলাইন অনুযায়ী আবেদনকারী, অর্থাৎ গ্রাহক বা বিনিয়োগকারী, এই খরচ বহন করেন। মিটারের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • হাতের যন্ত্রপাতি — ড্রিল মেশিন, এমসি৪ ক্রিম্পার, ক্ল্যাম্প মিটার, ডিসি ব্রেকার ও ফিউজ, মই বা ভারা, আর ছাদে কাজের নিরাপত্তা বেল্ট। ছাদে উঠে কাজ, তাই বেল্ট বাদ দেওয়ার জায়গা নেই।যন্ত্রপাতি
  • নেট মিটারিংয়ের জন্য বিতরণ কোম্পানির অনুমোদন — নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫ অনুযায়ী। ব্যবস্থার ক্ষমতা অনুমোদিত লোডের বেশি হতে পারবে না, আর ১১ কেভি ও তার উপরের গ্রাহকের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার ৮০ শতাংশের বেশি নয়। এর চেয়ে বড় হলে বিশেষ কমিটি ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদন লাগে।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। এটি শুধু লাইসেন্সধারীর নামে দেওয়া হয়, হস্তান্তরযোগ্য নয়, আর নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্সের সমান। ব্যবসার ধরন ও এলাকা অনুযায়ী ফি আলাদা; নির্দিষ্ট অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি, নিজ এলাকার কর অফিসে জেনে নিতে হবে।লাইসেন্স
  • ডিসি ও এসি দুই দিকের তারের কাজ, স্ট্রিং হিসাব করে প্যানেল সাজানো, ইনভার্টার চালু ও সেটিং, আর ছাদের উপর স্ট্যান্ড বসানোর কাজ। ভুল স্ট্রিংয়ে ইনভার্টার পোড়ে, আর সেই খরচ আপনার।দক্ষতা
  • প্যানেল ও ইনভার্টারের সরবরাহকারী। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দর: জিনকো টাইগার নিও ৫৮৫ ওয়াট ৳১০,৪০০, জিনকো বাইফেসিয়াল ৬২৫ ওয়াট ৳১২,৫০০, লঙ্গি ৫৮০ ওয়াট ৳১২,৫০০, জিনকো ৭২০ ওয়াট ৳১৬,০০০। ইনভার্টারের দর আলাদাভাবে যাচাই করা যায়নি।সরবরাহকারী
  • সামগ্রী রাখার একটি শুকনো গুদাম আর মালামাল টানার গাড়ি। ৫৮৫ ওয়াটের প্যানেল বড় ও ভারী, রিকশা-ভ্যানে দূরের কাজে নেওয়া যায় না।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন কোন বাজারে যাবেন — গ্রামের ব্যাটারিসহ ছোট ব্যবস্থা, শহরের ছাদে নেট মিটারিং, নাকি সেচ ও কারখানা। তিনটার সামগ্রী, দক্ষতা আর কাগজপত্র আলাদা।
  2. 2ট্রেড লাইসেন্স নিন। এটি সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ দেয় এবং শুধু লাইসেন্সধারীর নামেই হয়, হস্তান্তর করা যায় না।
  3. 3প্যানেল ও ইনভার্টারের সরবরাহ লাইন ঠিক করুন। প্যানেলের দর ওয়াটে ৳১৭.৭৮ থেকে ৳২১.৫৫ পর্যন্ত ঘোরে — একই ক্ষমতার প্যানেলে ওয়াটে ৪ টাকার তফাত ১০ কিলোওয়াটে ৳৪০,০০০ তফাত।
  4. 4গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল দেখে অনুমোদিত লোড আর দিনের ব্যবহার বের করুন। নেট মিটারিংয়ে এখন অনুমোদিত লোডের পুরোটা পর্যন্ত বসানো যায়, আগে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত যেত।
  5. 5গ্রাহককে দুই দরের পার্থক্য বুঝিয়ে দিন — নিজে খরচ করা ইউনিটে বাণিজ্যিক গ্রাহকের ৳১৫.৩৬ বাঁচে, কিন্তু গ্রিডে পাঠানো উদ্বৃত্ত মেটানো হয় পাইকারি দরে, যা ২০২৬ সালের জুন থেকে ৳৮.৩৯। তাই দিনের ব্যবহারের মাপে বসান।
  6. 6বিতরণ কোম্পানিতে নেট মিটারিংয়ের আবেদন করুন। তারা ১০ কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দেয়। ১১ কেভি বা তার উপরের গ্রাহকের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার ৮০ শতাংশের বেশি বসানো যায় না।
  7. 7দ্বিমুখী মিটার ও তা বসানোর খরচ গ্রাহকের — চুক্তিতে এটি লিখে রাখুন, নইলে কাজ শেষে এই টাকা নিয়ে ঝগড়া হয়।
  8. 8ছাদের কাঠামো আর ঝড়ের কথা মাথায় রেখে স্ট্যান্ড বানান। প্যানেল ২৫ বছর টিকলেও দুর্বল স্ট্যান্ড প্রথম কালবৈশাখীতেই যায়, আর তখন পুরো দায় আপনার।
  9. 9চালু করার পর পরিদর্শন হয়, আর পরিদর্শনের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি সই হয়। ওই তারিখ থেকেই হিসাব শুরু।
  10. 10ব্যাটারিসহ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সরকার ২০২৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঘোষিত প্রণোদনার কথা গ্রাহককে জানান — নেট মিটারিংয়ের আওতায় ব্যাটারিসহ ছাদ-সৌরের উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের দর ৳১০.৫০, স্থাপন করতে হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে, আর টাকা যায় তিন মাস পরপর ব্যাংক হিসাবে।
  11. 11ধোয়ামোছা ও রক্ষণাবেক্ষণের বার্ষিক চুক্তি করুন। বসানোর টাকা একবারের, কিন্তু ধুলো জমা প্যানেল পরিষ্কার করার কাজ প্রতি বছরের, আর এই আয়ই খালি মাসগুলো চালায়।
  12. 12প্রতিটি কাজের প্যানেল ও ইনভার্টারের সিরিয়াল নম্বর, বসানোর তারিখ আর ওয়ারেন্টি কাগজ আলাদা খাতায় তুলে রাখুন। তিন বছর পর দাবি এলে ওই খাতাই আপনার একমাত্র প্রমাণ।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · শিল্প এলাকা ও বন্দরকেন্দ্রিক গুদামের বড় ছাদ, আর আমদানি হওয়া প্যানেল-ইনভার্টার এখানেই আগে নামে বলে সরবরাহ পেতে সুবিধা।
  • খুব উপযোগীঢাকা · নেট মিটারিংয়ের সবচেয়ে বড় বাজার — বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকের ইউনিটদর ৳১৫.৩৬ হওয়ায় ছাদে সৌর বসালে সাশ্রয় সবচেয়ে বেশি, আর ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতায় আবেদন করা যায়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক ও ছোট কারখানার ঘন এলাকা, আর কারখানার টিনের ছাদ বড় ও ফাঁকা — এক জায়গাতেই দশ-বিশ কিলোওয়াটের কাজ পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · নিটওয়্যার ও ডাইং কারখানার কেন্দ্র; দিনের বেলায় বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি বলে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় পুরোটা নিজেরাই খরচ হয়, উদ্বৃত্ত কম যায়।
  • সম্ভববান্দরবান · পাহাড়ি এলাকার অনেক পাড়ায় গ্রিড পৌঁছায়নি, তাই ব্যাটারিসহ ব্যবস্থার বাজার এখানে টিকে আছে — তবে মালামাল টানার খরচ বেশি।
  • সম্ভবকক্সবাজার · হোটেল ও রিসোর্টে দিনের বেলা এসি ও পাম্পের ব্যবহার বেশি, আর অনেক স্থাপনা গ্রিডের শেষ প্রান্তে বলে বিদ্যুৎ অনিয়মিত।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে কারখানা ও গুদাম বাড়ছে, আর প্রবাসী পরিবারের পাকা বাড়ির ছাদও অনেক।
  • সম্ভবদিনাজপুর · বড় কৃষি এলাকা ও হিমাগার, আর গ্রিডের বাইরের গ্রামে ব্যাটারিসহ ছোট ব্যবস্থার চাহিদা এখনও আছে।
  • সম্ভবরংপুর · সেচের পাম্প বেশি, আর সেচ ও কৃষি পাম্পের বিদ্যুৎদর ৳৬.০৪ হওয়ায় সৌরে বদলানোর হিসাব শহরের মতো সহজ নয় — এখানে বিক্রি হয় ডিজেল পাম্পের বদলি হিসেবে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের পাকা বাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন বেশি, আর নিজের টাকায় ছাদে বসানোর সামর্থ্য এখানে তুলনামূলক বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: গ্রাহক ভাবেন ছাদ যত বড়, প্যানেল তত বেশি — কিন্তু উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের দাম কম। নিজে খরচ করলে বাণিজ্যিক গ্রাহকের ইউনিটে ৳১৫.৩৬ বাঁচে, আর গ্রিডে পাঠালে মেটানো হয় পাইকারি দরে ৳৮.৩৯। বড় করে বসিয়ে দিলে এক বছর পর গ্রাহক বলেন হিসাব মেলেনি, আর দোষ পড়ে বসানোওয়ালার উপর।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ক্ষমতার সীমা আছে। নেট মিটারিংয়ে ব্যবস্থা অনুমোদিত লোডের বেশি হতে পারে না, আর ১১ কেভি ও তার উপরের গ্রাহকের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারের ৮০ শতাংশের বেশি নয়। সীমা ছাড়িয়ে নকশা করলে বিতরণ কোম্পানি আবেদন ফেরত দেয়, আর ততদিনে প্যানেল কেনা হয়ে গেছে।
  • বেশিচলতি মূলধন: সামগ্রীর টাকা আগে যায়, গ্রাহকের টাকা পরে আসে। একটি ১০ কিলোওয়াট কাজের প্যানেলেই ৳১,৭৮,০০০–২,১৫,০০০ আটকে যায়, আর চালু না হওয়া পর্যন্ত শেষ কিস্তি আটকে রাখাই গ্রাহকের স্বভাব। নেট মিটারিংয়ের কাজে স্থাপনের জন্য ৮ মাস পর্যন্ত সময় থাকায় টাকা আরও দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে পারে।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: সব প্যানেল ও ইনভার্টার আমদানি করা। ডলারের দর বা শুল্ক নড়লে কেনা দাম নড়ে, অথচ গ্রাহকের সঙ্গে দর আগেই ঠিক হয়ে গেছে। একই ওয়াটের প্যানেলে বাজারে ওয়াটপ্রতি ৳১৭.৭৮ থেকে ৳২১.৫৫ পর্যন্ত তফাত থাকে, আর কম দামি প্যানেলের ওয়ারেন্টি দাবি আদায় করা কঠিন।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ছাদের কাজ, তাই পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আসল। আর ঝড়ে স্ট্যান্ড ভেঙে প্যানেল নিচে পড়লে প্যানেলের দাম, ছাদের ক্ষতি আর গ্রাহকের ক্ষোভ — তিনটাই আপনার ঘাড়ে। এই কাজের বিমা বাংলাদেশে সহজলভ্য কি না, তা এখানে যাচাই করা যায়নি।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

কম্পিউটারের ছোট কোর্স শেখানোর কেন্দ্র। কোর্স ফি ছাত্রপ্রতি ৳৩,০০০–১০,০০০, কিন্তু কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ দিতে হলে বোর্ডের অধিভুক্তি লাগে আর ছাত্রপ্রতি ৳৪৫০ বোর্ডকে দিতে হয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৫ – ৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের গেট, মঞ্চ, আলো ও ঘর সাজানোর ব্যবসা। ৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিমে বুকিং হয়, তাই টাকা আসে কাজের আগেই।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

পশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কিন্ডারগার্টেন স্কুল

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নিবন্ধন ফি ৳৮,০০০–১৫,০০০, সংরক্ষিত তহবিলে স্থায়ী আমানত ৳২৫,০০০–১,০০,০০০, নিবন্ধনের মেয়াদ ৫ বছর।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
৭ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান