মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

পশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৬০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৬ – ১২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

গ্রামে গরু-ছাগল-মুরগির ওষুধের দোকান আর চিকিৎসার সেবা — দুটো একসঙ্গেই চলে, কিন্তু আইনের চোখে এ দুটো সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস, আর দুটোরই আলাদা অনুমতি লাগে। বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন, ২০১৯-এর ১৭ ধারা বলছে, এই আইনের অধীন নিবন্ধন ও সনদ ছাড়া কেউ ভেটেরিনারি প্র্যাকটিস করতে বা নিজেকে ভেটেরিনারি চিকিৎসক বা প্র্যাকটিশনার বলে পরিচয় দিতে পারবেন না। ভাঙলে ৩৫ ধারায় অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা, বা দুটোই। প্যারাভেটও নিজের নামের আগে 'ডাঃ' লিখতে পারবেন না — ২৭ ধারা। দোকানের দিকটাও সহজ নয়। ৩০(১) ধারা অনুযায়ী বাণিজ্যিকভাবে ভেটেরিনারি ক্লিনিক, সেবা কেন্দ্র বা খাদ্য ও ঔষধ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান চালাতে হলে কাউন্সিলের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করতে হবে; স্বীকৃতি ছাড়া চালালে ৩৭(২) ধারায় অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা, আর অপরাধ চলতে থাকলে প্রতিদিনের জন্য আরও ৫০ হাজার টাকা। ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স আসে আলাদা জায়গা থেকে — ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিটিজেন চার্টারে ওষুধ বিক্রির কোনো লাইসেন্স নেই; সেখানে আছে পশুখাদ্য তৈরির লাইসেন্স (৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ এক বছর) আর ঔষধ ও টিকা আমদানি-রপ্তানির অনাপত্তি সনদ, যা বিনামূল্যে ১৬ কার্যদিবসে দেওয়া হয়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৮০,০০০ – ৳৫,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১০০ – ৳১,৫০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৮০ – ৳১,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২০% – ৩৩%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৬০ – ১৫০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৬%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • টিকা ও ওষুধ রাখার ফ্রিজ, সিরিঞ্জ ও নিডল, থার্মোমিটার, ড্রেঞ্চিং গান, ওজন মাপার ফিতা, আর কৃত্রিম প্রজননের কাজ করলে লিকুইড নাইট্রোজেন কনটেইনার।যন্ত্রপাতি
  • প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি — বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল, ৩০(১) ধারা। বাণিজ্যিকভাবে ভেটেরিনারি ক্লিনিক, সেবা কেন্দ্র, খাদ্য ও ঔষধ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, জবাইখানা, প্রজনন প্রতিষ্ঠান, পুনর্বাসন কেন্দ্র বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালাতে হলে কাউন্সিলের স্বীকৃতির আবেদন করতে হবে। ৩৭(২) ধারায় স্বীকৃতি ছাড়া চালালে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়, এবং অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিদিনের জন্য ৫০ হাজার টাকা।লাইসেন্স
  • ঔষধ বিক্রয়ের লাইসেন্স — ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। খুচরা অ্যালোপ্যাথিক লাইসেন্স ফি ৳২,৫০০ (পৌরসভা ও মেট্রোপলিটন) বা ৳১,৫০০ (ইউনিয়ন), সময় ৬০ দিন; নবায়ন ৳১,৮০০ (পৌর এলাকায়) বা ৳৭০০ (বাইরে), ৭ কর্মদিবস। পাইকারি হলে ৳১০,০০০ ও নবায়ন ৳৫,০০০। লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর (ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৫(১))।লাইসেন্স
  • ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন ও সনদ — বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল। ১৭ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধন ছাড়া ভেটেরিনারি প্র্যাকটিস করা বা নিজেকে ভেটেরিনারি চিকিৎসক বলা নিষিদ্ধ; ৩৫ ধারায় শাস্তি অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়। নিবন্ধন প্রতি ৪ বছর অন্তর নবায়নযোগ্য (১৯(৪) ধারা)। ফি বিধি দ্বারা নির্ধারিত, অঙ্ক যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • রোগ চেনা, মাত্রা নির্ধারণ ও নিরাপদ ইনজেকশন দেওয়া। একই সঙ্গে ব্যাচ নম্বর, মেয়াদ ও সংরক্ষণ তাপমাত্রা যাচাইয়ের অভ্যাস — টিকা নষ্ট হলে খামারির পুরো পাল ঝুঁকিতে পড়ে।দক্ষতা
  • ওষুধ কোম্পানির পরিবেশক বা পাইকারি ডিপো, আর টিকার ক্ষেত্রে শীতল শৃঙ্খলা বজায় রাখে এমন সরবরাহকারী। আমদানি করা টিকা বা ওষুধের ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ লাগে, যা বিনামূল্যে ১৬ কার্যদিবসে দেওয়া হয়।সরবরাহকারী

কাজের ধাপ

  1. 1প্রথমে ঠিক করুন আপনি কী করবেন — শুধু ওষুধ বিক্রি, নাকি চিকিৎসাও। চিকিৎসা করতে হলে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন ও সনদ লাগবেই, নইলে ১৭ ধারা ভাঙা হবে।
  2. 2চিকিৎসা করতে চাইলে স্বীকৃত ডিগ্রি নিয়ে কাউন্সিলে নিবন্ধনের আবেদন করুন (১৯ ধারা)। নিবন্ধন প্রতি ৪ বছর অন্তর নবায়ন করতে হয় — ১৯(৪) ধারা।
  3. 3প্যারাভেট হলে সীমা জেনে নিন। ২৭ ধারা অনুযায়ী প্যারাভেট নিজেকে ভেটেরিনারি ডাক্তার বলতে বা নামের আগে 'ডাক্তার'/'ডাঃ' লিখতে পারবেন না।
  4. 4প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতির আবেদন করুন। ৩০(১) ধারা অনুযায়ী বাণিজ্যিকভাবে ভেটেরিনারি ক্লিনিক, সেবা কেন্দ্র বা খাদ্য ও ঔষধ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান চালাতে হলে এটি বাধ্যতামূলক।
  5. 5ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স নিন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে। খুচরা লাইসেন্স ফি অ্যালোপ্যাথিকে পৌরসভা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৳২,৫০০, ইউনিয়নে ৳১,৫০০; সময় ৬০ দিন; মেয়াদ ২ বছর।
  6. 6সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং দোকানের নামে হালনাগাদ রাখুন — ডিজিডিএ-র আবেদনে এটি বাধ্যতামূলক কাগজ।
  7. 7দোকানে ফ্রিজ রাখুন। টিকা ও কিছু ওষুধ ঠান্ডায় না রাখলে নষ্ট হয়, আর নষ্ট টিকা দিয়ে খামারির পাল মরলে ব্যবসাও শেষ।
  8. 8মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের জন্য আলাদা জায়গা রাখুন এবং তা কখনো বিক্রি করবেন না — ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ) ধারায় এটি অপরাধ, অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
  9. 9উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন — টিকাদান কর্মসূচি, রোগের প্রাদুর্ভাব ও সরকারি নির্দেশনা সেখান থেকেই আসে, আর খামারিদের সঙ্গে পরিচয়ও হয়।
  10. 10খামারির বাকির হিসাব লিখে রাখুন এবং সীমা বেঁধে দিন। মুরগির খামারে এক দফা লোকসান হলে বড় অঙ্কের বাকি আটকে যায়, আর সেই টাকা ফেরত পাওয়া কঠিন।
  11. 11খাদ্য তৈরিতে হাত দিলে আলাদা লাইসেন্স লাগবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চার্টার অনুযায়ী পশুখাদ্য তৈরির লাইসেন্স ক্যাটাগরি-১: আবেদন ৳১,০০০, লাইসেন্স ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ এক বছর, সময় ৬০ কার্যদিবস — সব ফির সঙ্গে ১৫% ভ্যাট।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের খামার ও ওষুধ বিতরণের কেন্দ্র; আশপাশের জেলার দোকান এখান থেকে মাল নেয়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · ব্রয়লার ও লেয়ার খামারের বড় কেন্দ্র; খামারে রোগ এলে একসঙ্গে বড় অঙ্কের ওষুধ লাগে।
  • খুব উপযোগীময়মনসিংহ · পোলট্রি ও মৎস্য খামারের ঘনত্ব বেশি, আর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে প্রশিক্ষিত জনবলও পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীপাবনা · দুগ্ধ খামারের ঘনত্ব বেশি, আর খামারিরা সংগঠিত বলে নিয়মিত সেবার বাজার আছে।
  • খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · দেশের অন্যতম বড় দুগ্ধ অঞ্চল; দুগ্ধ খামারে নিয়মিত ওষুধ, ভিটামিন ও কৃত্রিম প্রজননের চাহিদা থাকে।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · পোলট্রি ও ডেইরির বড় বাজার, আর আমদানি করা ওষুধ ও টিকা প্রথমে এখানেই আসে।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · গরু মোটাতাজাকরণের এলাকা; কোরবানির আগে ওষুধ ও ভিটামিনের চাহিদা বেড়ে যায়।
  • সম্ভবরংপুর · ছাগল ও গরু পালন বেশি, তবে খামারের আকার ছোট বলে একবারে বিক্রির অঙ্ক কম।
  • সম্ভবসাতক্ষীরা · চিংড়ি ও পশুপালন দুটোই আছে; তবে লবণাক্ততার কারণে রোগের ধরন আলাদা।
  • কম উপযোগীবান্দরবান · খামার ছড়ানো ও দূরত্ব বেশি; ফ্রিজে টিকা নিয়ে দূরের গ্রামে যাওয়া কঠিন ও ব্যয়বহুল।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিবন্ধন ছাড়া চিকিৎসা করাই এই পেশার সবচেয়ে সাধারণ চর্চা এবং সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ১৭ ধারায় নিবন্ধন ও সনদ ছাড়া ভেটেরিনারি প্র্যাকটিস নিষিদ্ধ, ৩৫ ধারায় শাস্তি অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা দুটোই, আর ২৩ ও ২৯ ধারা অনুযায়ী এমবিবিএস বা বিডিএস-সদৃশ স্বীকৃত ডিগ্রি ছাড়া 'ডাক্তার' পদবি ব্যবহারও নিষিদ্ধ। গ্রামে বহু ওষুধ বিক্রেতা কার্যত চিকিৎসাও করেন — আইনের চোখে সেটাই অপরাধ।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি না থাকলে দৈনিক জরিমানা চলতেই থাকে। ৩০(১) ধারা অনুযায়ী বাণিজ্যিক ভেটেরিনারি ঔষধ ও খাদ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাউন্সিলের স্বীকৃতি নিতে হবে, আর ৩৭(২) ধারায় স্বীকৃতি ছাড়া চালালে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন আরও ৫০ হাজার টাকা। এই দৈনিক জরিমানার বিধানটিই এই আইনের সবচেয়ে কঠিন অংশ।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: টিকা ও কিছু ওষুধ শীতল শৃঙ্খলার উপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ গেলে বা ফ্রিজ নষ্ট হলে পুরো মজুত একসঙ্গে অকেজো হয়ে যায়, আর সেটা বাইরে থেকে বোঝাও যায় না। নষ্ট টিকা দিয়ে একটা খামারের পাল মরলে ক্ষতি শুধু মজুতের নয় — এলাকার খামারিরা আর আসেন না।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: খামারি বাকিতে ওষুধ নেন আর বিক্রির পর টাকা দেন। ব্রয়লারের এক দফায় লোকসান হলে বা রোগে পাল মরলে সেই টাকা আর ফেরে না, অথচ ওষুধ কোম্পানিকে আপনাকে দিতেই হয়। দোকানের নগদ এভাবেই খামারের ঝুঁকির সঙ্গে বাঁধা পড়ে যায়।
  • মাঝারিচাহিদা: চাহিদা রোগের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে ওঠানামা করে। শীত ও বর্ষার শুরুতে রোগ বাড়ে আর বিক্রিও বাড়ে; মাঝের মাসগুলোতে পড়ে যায়। কোরবানির আগে গরু মোটাতাজাকরণের মৌসুমে ওষুধ ও ভিটামিনের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়, তারপর আবার নেমে যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

কম্পিউটারের ছোট কোর্স শেখানোর কেন্দ্র। কোর্স ফি ছাত্রপ্রতি ৳৩,০০০–১০,০০০, কিন্তু কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ দিতে হলে বোর্ডের অধিভুক্তি লাগে আর ছাত্রপ্রতি ৳৪৫০ বোর্ডকে দিতে হয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৫ – ৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের গেট, মঞ্চ, আলো ও ঘর সাজানোর ব্যবসা। ৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিমে বুকিং হয়, তাই টাকা আসে কাজের আগেই।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

সোলার প্যানেল বসানোর সেবা

ছাদে বা জমিতে সৌর প্যানেল বসিয়ে দেওয়ার কাজ। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ গ্রিডে যুক্ত ১০ কিলোওয়াট প্ল্যান্টের দর ৳৪,৪৯,০০০–৭,০০,০০০, আর নেট মিটারিং নিলে অনুমোদিত লোডের পুরোটা পর্যন্ত বসানো যায়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৭ – ২৫৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কিন্ডারগার্টেন স্কুল

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নিবন্ধন ফি ৳৮,০০০–১৫,০০০, সংরক্ষিত তহবিলে স্থায়ী আমানত ৳২৫,০০০–১,০০,০০০, নিবন্ধনের মেয়াদ ৫ বছর।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
৭ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান