মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

কম্পিউটারের ছোট কোর্স শেখানোর কেন্দ্র। কোর্স ফি ছাত্রপ্রতি ৳৩,০০০–১০,০০০, কিন্তু কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ দিতে হলে বোর্ডের অধিভুক্তি লাগে আর ছাত্রপ্রতি ৳৪৫০ বোর্ডকে দিতে হয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳১২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
৫ – ৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৮ – ৩০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

কম্পিউটার শেখানোর দোকান খোলা সহজ — কয়েকটা মেশিন, একটা ঘর আর একজন শিক্ষক। কিন্তু এই ব্যবসার আসল কথাটা মেশিন নয়, সনদ। যে কেন্দ্র বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত নয়, সে নিজের ছাপানো কাগজ দিতে পারে, কিন্তু চাকরির দরখাস্তে বা বিদেশ যাওয়ার সময় ওই কাগজের দাম নেই। বোর্ডের অধীনে ছোট কোর্স দুই রকম। এক, জাতীয় দক্ষতামান বেসিক সার্টিফিকেট কোর্স — ৩৬০ ঘন্টা, ৬ মাস বা ৩ মাসে করা যায়, ভর্তির যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি বা জেএসসি পাস। দুই, অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স — এক বছর, ভর্তির যোগ্যতা স্নাতক পাস। বোর্ডের নিজের হিসাবে ৩৬০ ঘন্টার কোর্সে প্রতি ছাত্রের জন্য রেজিস্ট্রেশন ৳৫০, পরীক্ষার ফি ৳৩০০ আর সনদপত্র ফি ৳১০০ — মোট ৳৪৫০। অ্যাডভান্সড কোর্সে রেজিস্ট্রেশন ৳২০০ ও রোভার স্কাউট ফি ৳১৫, মোট ৳২১৫। প্রতি ট্রেডে আসন ৫০টি, তার মধ্যে মূল ৪০ আর ড্রপআউট ১০; ট্রেডে পাঁচজনের কম ছাত্র হলে বোর্ডের খাতা থেকে ওই তথ্য নিজে নিজেই বাতিল হয়ে যায়। বাজারে কোর্সের দাম অধিভুক্ত কলেজে ৳৩,০০০, আর ঢাকার বেসরকারি কেন্দ্রে অফিস কোর্স ৳৫,০০০ ও পূর্ণ কোর্স ৳১০,০০০ — সেখানে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও কেন্দ্র ফি আলাদা। আরেকটা কথা মাথায় রাখতে হয়: সরকার নিজেই বিনা পয়সায় প্রশিক্ষণ দেয়। আইসিটি বিভাগের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে ২০০ ঘন্টার কোর্স ফ্রি ছিল, ৬৪ জেলার ৪৯২ উপজেলায় চলেছে। যেখানে সরকারি ব্যাচ চলে, সেখানে টাকা নিয়ে ছাত্র পাওয়া কঠিন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১০,০০০ – ৳৬০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩,০০০ – ৳১০,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২১৫ – ৳৪৫০ / এককসরকারি সূত্র
মোট লাভের হার৮৫% – ৯৬%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৫ – ৪০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৮ – ৩০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২০ – ৮০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • কম্পিউটার, ইউপিএস, ইন্টারনেট সংযোগ, প্রিন্টার ও প্রজেক্টর, আর রেজিস্ট্রেশন কার্ড ছাপানোর জন্য এ-৪ সাইজ ১০০ জিএসএম অফসেট কাগজে রঙিন প্রিন্টের ব্যবস্থা। মেশিনের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • প্রতি ট্রেডে অন্তত ৫ জন ছাত্র — এর কম হলে বোর্ডের খাতা থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। আসন সর্বোচ্চ ৫০ (মূল ৪০ + ড্রপআউট ১০)।শুরুর মাল
  • বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্তি ও পাঠদানের অনুমতি — এটা ছাড়া স্বীকৃত সনদ দেওয়া যায় না। বার্ষিক অ্যাফিলিয়েশন ফি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে অনলাইনে (btebsheba.gov.bd) দিতে হয়; বকেয়া থাকলে জাতীয় পরীক্ষার সময় প্রতিষ্ঠানের কাজ আটকে যেতে পারে। ফি-র অঙ্ক বোর্ড প্রকাশ করেনি — ই-সেবায় লগইন করে বিল দেখতে হয়।লাইসেন্স
  • ছাত্রপ্রতি বোর্ড ফি — জাতীয় দক্ষতামান বেসিক সার্টিফিকেট কোর্সে (৩৬০ ঘন্টা) রেজিস্ট্রেশন ৳৫০, পরীক্ষা ৳৩০০, সনদপত্র ৳১০০, মোট ৳৪৫০। অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্সে (১ বছর) রেজিস্ট্রেশন ৳২০০ ও রোভার স্কাউট ৳১৫, মোট ৳২১৫। নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে অনলাইনে দিতে হয়।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে সাইনবোর্ড ফি ও ভ্যাট। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়। মেয়াদ কত দিন, সূত্রে লেখা নেই।লাইসেন্স
  • শিক্ষকের যোগ্যতা ও বোর্ডের সিলেবাস মেনে পড়ানোর ক্ষমতা, আর ই-সেবায় ডাটা এন্ট্রি, পেমেন্ট ও ফরম পূরণ ঠিক তারিখে করার দক্ষতা। তারিখ ফসকানোর ভুলটাই এখানে সবচেয়ে দামি ভুল।দক্ষতা
  • ক্লাসরুম ও ল্যাব, সঙ্গে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ। ডিপিডিসি এলাকায় বাণিজ্যিক ও অফিস (এলটি-ই) ফ্ল্যাট ৳১৫.৩৬ প্রতি ইউনিট, ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস (জুন ২০২৬ থেকে)। ঘরের মাপ ও ল্যাবের শর্ত বোর্ডের চেকলিস্টে আছে; নির্দিষ্ট অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন সনদ দেবেন কি না। শুধু শেখাতে চাইলে অধিভুক্তি লাগে না; সরকারি স্বীকৃত সনদ দিতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্তি ছাড়া উপায় নেই।
  2. 2নিজের এলাকায় দেখে নিন সরকারি বিনা পয়সার প্রশিক্ষণ চলছে কি না। আইসিটি বিভাগের প্রকল্প ৬৪ জেলার ৪৯২ উপজেলায় ফ্রি ক্লাস চালিয়েছে — ওই ব্যাচ চললে টাকা নিয়ে ছাত্র পাওয়া কঠিন।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে সাইনবোর্ড ফি।
  4. 4ঘর ঠিক করুন এবং বিদ্যুতের সংযোগ বাণিজ্যিক শ্রেণিতে নিন। ডিপিডিসি এলাকায় বাণিজ্যিক ও অফিস (এলটি-ই) ইউনিটপ্রতি ৳১৫.৩৬ আর ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস, জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর।
  5. 5বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পাঠদানের আবেদন ফরম এবং চেকলিস্ট নামিয়ে দেখুন কী কী কাগজ লাগে — ঘরের মাপ, মালিকানা বা ভাড়ার দলিল, শিক্ষকের যোগ্যতা, ল্যাবের তালিকা।
  6. 6অধিভুক্তির আবেদন করুন এবং মনে রাখুন আবেদন না-মঞ্জুরও হয়। বোর্ড ০৪-০৮-২০২৬ তারিখে অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ও মেডিকেল আল্ট্রাসাউন্ডে না-মঞ্জুরকৃত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে।
  7. 7কোন কোর্স চালাবেন ঠিক করুন। ৩৬০ ঘন্টার বেসিক কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি/জেএসসি/জেডিসি পাস; এক বছরের অ্যাডভান্সড কোর্সে স্নাতক পাস। যোগ্যতা যত উঁচু, আপনার এলাকায় ছাত্র তত কম।
  8. 8মেশিন, ইউপিএস, ইন্টারনেট ও প্রজেক্টর কিনুন এবং শিক্ষক নিন। বোর্ড প্রতি ট্রেডে ৫০ আসন দেয় (মূল ৪০ + ড্রপআউট ১০), তাই একসঙ্গে তার বেশি ভর্তি করে লাভ নেই।
  9. 9ভর্তি করান এবং বোর্ডের ই-সেবায় (btebsheba.gov.bd) প্রতিষ্ঠান লগইন করে ডাটা এন্ট্রি করুন। তারিখ ফসকালে ওই সেশনটাই হাতছাড়া — জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৬ সেশনে ডাটা এন্ট্রি ছিল ০৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর।
  10. 10ছাত্রপ্রতি ফি জমা দিন — ৩৬০ ঘন্টার কোর্সে ৳৪৫০, অ্যাডভান্সড কোর্সে ৳২১৫। তারপর রেজিস্ট্রেশন কার্ড এ-৪ সাইজ ১০০ জিএসএম অফসেট কাগজে রঙিন ছাপাতে হয়।
  11. 11প্রতি বছর অ্যাফিলিয়েশন ফি বকেয়াসহ পরিশোধ রাখুন। বোর্ড লিখেছে, জাতীয় পরীক্ষার আগে ফি হালনাগাদ না থাকলে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে।
  12. 12প্রতি ট্রেডে অন্তত পাঁচজন ছাত্র রাখুন। পাঁচজনের কম হলে বোর্ডের খাতায় ওই ট্রেডের তথ্য নিজে নিজেই বাতিল হয়ে যায় এবং ছাত্ররা পরীক্ষা দিতে পারে না।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, জাহাজ ও পোশাক কারখানার অফিসের কাজে কম্পিউটার-সনদধারী কেরানি লাগে, আর বিদেশগামী কর্মীর ভিড়ও এখানে বেশি।
  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · আইসিটি বিভাগের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের লট-১০ কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরে ৩,০০০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে — চাহিদা আছে, তবে বিনা পয়সার প্রতিযোগিতাও এখানেই।
  • খুব উপযোগীঢাকা · কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় আগারগাঁওয়ে, অধিভুক্তির কাজ ও ই-সেবা এখান থেকেই চলে; বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় জটলাও ঢাকায়, কোর্স ফি ৳৫,০০০–১০,০০০।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার বেল্ট — কারখানার হিসাব, স্টোর ও এইচআর অফিসে কম্পিউটার জানা লোক নিয়মিত লাগে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলা থেকে ছাত্র আসে, আর অধিভুক্ত কেন্দ্রের সংখ্যা তুলনায় কম।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও সরকারি অফিসের ঘনত্ব; সরকারি চাকরির প্রার্থীদের কম্পিউটার সনদের চাহিদা নিয়মিত।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · নতুন বিভাগীয় শহর, সরকারি অফিস বাড়ছে; কম্পিউটার সনদধারীর চাহিদাও সেই সঙ্গে বাড়ছে।
  • সম্ভবনোয়াখালী · একই প্রকল্পের লট-১০ এলাকা; প্রবাসী পরিবারের ছেলেমেয়েরা সনদের জন্য টাকা দিতে রাজি, কিন্তু ফ্রি ব্যাচ চললে ভর্তি কমে।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বেশি — এক বছরের অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্সের স্নাতক-পাস শর্ত এখানে পূরণ করা সহজ।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের টাকায় কোর্স ফি দেওয়া সহজ হয়, আর বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্রে স্বীকৃত সনদ কাজে লাগে।
  • কম উপযোগীরংপুর · চাহিদা আছে কিন্তু কোর্স ফি দেওয়ার সামর্থ্য কম; এখানে ৳১০,০০০-এর কোর্স চালানো কঠিন, ৳৩,০০০-এর কোর্স চলতে পারে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: অধিভুক্তি ছাড়া দেওয়া সনদের বাজারে দাম নেই। ছাত্র টাকা দিয়ে কোর্স শেষ করার পর যদি দেখে কাগজটা চাকরির দরখাস্তে চলে না, টাকা ফেরত চাওয়া আর নাম খারাপ হওয়া দুটোই হয়। বোর্ড না-মঞ্জুরকৃত প্রতিষ্ঠানের তালিকাও প্রকাশ করে — ০৪-০৮-২০২৬ তারিখে এমন একটি তালিকা বেরিয়েছে।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বোর্ডের তারিখ ফসকালে গোটা সেশন নষ্ট। জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৬ সেশনে ডাটা এন্ট্রি ছিল ০৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর আর পেমেন্ট ১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর। এর বাইরে গেলে ছাত্র রেজিস্ট্রেশন পায় না, পরীক্ষাও দিতে পারে না — অথচ কোর্স ফি আপনি আগেই নিয়ে ফেলেছেন।
  • বেশিচাহিদা: সরকার একই জিনিস বিনা পয়সায় শেখায়। আইসিটি বিভাগের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে ২০০ ঘন্টার গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন ও ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স ফ্রি, ৬৪ জেলা ও ৪৯২ উপজেলায়, ৪০ হাজার আসনের বিপরীতে ২০২০ সালে ৯৮,২৬৬ জন নিবন্ধন করেছিলেন। পাশের উপজেলায় ফ্রি ব্যাচ শুরু হলে আপনার ভর্তি এক মৌসুমেই বসে যেতে পারে।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: টাকা আগে বেরোয়, পরে ঢোকে। মেশিন, ঘরভাড়ার অগ্রিম, শিক্ষকের প্রথম মাসের বেতন আর বাণিজ্যিক বিদ্যুতের ডিমান্ড চার্জ (৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস) ছাত্র ভর্তির আগেই দিতে হয়। ব্যাচে পাঁচজনের কম ছাত্র হলে ওই ট্রেডের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, কিন্তু ঘরভাড়া আর বেতন চলতেই থাকে।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: সব হিসাব একজন শিক্ষকের উপর দাঁড়ায়। তিনি চলে গেলে মাঝ-সেশনে ক্লাস বন্ধ হয়, ছাত্র টাকা ফেরত চায়, আর বোর্ডের পরীক্ষার তারিখ তো পেছায় না। ছোট কেন্দ্রে দ্বিতীয় শিক্ষক রাখার সামর্থ্য সাধারণত থাকে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের গেট, মঞ্চ, আলো ও ঘর সাজানোর ব্যবসা। ৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিমে বুকিং হয়, তাই টাকা আসে কাজের আগেই।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

পশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

সোলার প্যানেল বসানোর সেবা

ছাদে বা জমিতে সৌর প্যানেল বসিয়ে দেওয়ার কাজ। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ গ্রিডে যুক্ত ১০ কিলোওয়াট প্ল্যান্টের দর ৳৪,৪৯,০০০–৭,০০,০০০, আর নেট মিটারিং নিলে অনুমোদিত লোডের পুরোটা পর্যন্ত বসানো যায়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৭ – ২৫৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কিন্ডারগার্টেন স্কুল

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নিবন্ধন ফি ৳৮,০০০–১৫,০০০, সংরক্ষিত তহবিলে স্থায়ী আমানত ৳২৫,০০০–১,০০,০০০, নিবন্ধনের মেয়াদ ৫ বছর।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
৭ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান