প্রতীকী ছবিজগবন্ধু মিষ্টান্ন ভান্ডার
‘জগার মিষ্টি’ নামে খ্যাত কলাপাড়ার ১৯৪৭ সালের মিষ্টির দোকান
কলাপাড়া, পটুয়াখালী১৩ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
‘জগার মিষ্টি’ নামে সুনাম ছড়ালেও প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক নাম জগবন্ধু মিষ্টান্ন ভান্ডার; দোকানটি কলাপাড়া পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকায়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় টিনের একটি চৌচালা ঘরে কয়েকটি টেবিল-চেয়ার নিয়ে দোকানের পথচলা শুরু হয়। মূল মালিক জগবন্ধু হাওলাদার ১৯৯১ সালে মারা যাওয়ার পর তাঁর দুই ছেলে নিখিল চন্দ্র হাওলাদার ও চঞ্চল হাওলাদার দোকানের হাল ধরেছেন। গরুর দুধের ছানার রসগোল্লা এখানকার প্রধান মিষ্টি; দুই ধরনের রসগোল্লার পাশাপাশি রসমালাই, ছানা, সন্দেশ, বেবি সুইট, কালোজাম, শুকনা মিষ্টি, দধি ও নিমকি পাওয়া যায়। কারখানা ও দোকানে ১২–১৩ জন কর্মচারী কাজ করেন, মূল কারিগর শ্রীবাস কীর্তনীয়া ৩০ বছর ধরে এখানে আছেন। কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে এ মিষ্টি খুব পছন্দের, আর ঢাকা, বরিশাল ও পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জগার মিষ্টি সরবরাহ করা হয়। এক ক্রেতার কথায়, যে মিষ্টি এখন ৩০ টাকায় খান, ছোটবেলায় তার দাম ছিল ২ টাকা।
পণ্য ও সেবা
রসগোল্লা
গরুর দুধের ছানায় তৈরি, দুই ধরনের; একটি মিষ্টি ৩০ টাকা বলে এক ক্রেতা জানান
রসমালাই
ছানা
সন্দেশ
বেবি সুইট
কালোজাম
শুকনা মিষ্টি
দধি
নিমকি
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
