প্রতীকী ছবিসাদেক গোল্লা
প্রায় ৭০ বছর ধরে জামতলা বাজারের স্পঞ্জ রসগোল্লা
শার্শা, যশোরশুরু ১৯৫৫ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলা বাজারের স্পঞ্জ রসগোল্লা ‘সাদেক গোল্লা’ প্রায় ৭০ বছর ধরে জনপ্রিয়। ১৯৫৫ সালে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে শেখ সাদেক আলীর চায়ের দোকানে এক দিন গোয়ালারা বেশি দুধ আনলে কুমিল্লার এক ব্যক্তি তা দিয়ে মিষ্টি বানানোর পদ্ধতি শিখিয়ে দেন; সেখান থেকেই সাদেক গোল্লার শুরু। ১৯৯৯ সালে শেখ সাদেক আলী মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলেরা হাল ধরেন; এখন পাঁচ ছেলে ও এক নাতি মিষ্টি তৈরি করেন। বটগাছের নিচের আদি দোকান থেকে বেড়ে এখন পাঁচটি দোকান: তিনটি জামতলা বাজারে, একটি নাভারণ বাজারের সাতক্ষীরা বাসস্ট্যান্ডে এবং একটি যশোর শহরের দড়াটানায়। গরুর খাঁটি দুধের ছানা, হালকা রস আর তেঁতুল, বেল, বাবলা ও মেহগনি কাঠের জ্বালে তৈরি হয় এই মিষ্টি; একেকটির ওজন ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম। জেলার বাইরেও এর সুনাম আছে; প্রবাসীরা ফেরার সময় সঙ্গে নিয়ে যান, অনেকে বিদেশ থেকে চেয়ে পাঠান।
পণ্য ও সেবা
সাদেক গোল্লা (বড়)
৳৩০ / প্রতিটি
সাদেক গোল্লা (মাঝারি)
৳২০ / প্রতিটি
সাদেক গোল্লা (ছোট)
৳১০ / প্রতিটি
প্যাকেট সাদেক গোল্লা
৳৬–২৪ / প্রতিটি
পলিথিনের প্যাকেটে ৬ টাকা দামের ২০টি, ১২ টাকার ১০টি, ২৪ টাকার ৫টি এবং সাদা ১২ টাকার ১০টি করে বিক্রি হয়
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

জলযোগ
মিষ্টির দোকান
যশোর শহরের ১৩২ বছরের মিষ্টির দোকান, শুরু থেকেই নলেন গুড়ের প্যাড়া সন্দেশ
যশোর সদর, যশোর
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়
