মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা

কাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

ফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳৩,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম বিক্রি
৪৫ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৮.৫ – ২৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

আটা-ময়দা মেখে পরোটা বেলে, সমুচা-শিঙাড়া ভরে, কাঁচা অবস্থায় জমিয়ে ফেলে প্যাকেটে ভরে দোকানে পাঠানো। ক্রেতা বাসায় নিয়ে শুধু ভেজে নেন। এই ব্যবসার আসল কথা রান্না নয়, ঠান্ডা ধরে রাখা। কারখানার ফ্রিজার থেকে ভ্যান, ভ্যান থেকে দোকানের ফ্রিজার — এই শিকলের একটা জায়গায় ঠান্ডা ছুটলেই মাল নষ্ট, আর নষ্ট মাল একবার ক্রেতার হাতে গেলে দোকানদার আর আপনার মাল রাখবেন না। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চালডালে ব্র্যান্ডের হিমায়িত পরোটার খুচরা দর ছিল পিস ৳১২.৫ থেকে ৳১৯ (যেমন কাজী ফার্মস কিচেন ১০ পিস ৳১৭০, গোল্ডেন হারভেস্ট ২০ পিস ৳৩২০), আর মিনি সমুচা পিস ৳৮.৬ থেকে ৳৯.৪ (গোল্ডেন হারভেস্ট ২৫ পিস ২৫০ গ্রাম ৳২১৫)। কাঁচামালের দর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: খোলা আটা ৳৪৮–৫০ কেজি, খোলা ময়দা ৳৬৫–৭০, খোলা সয়াবিন তেল ৳১৮৬–১৯৫ লিটার, আলু ৳২৫–৩০। এক বছরে ময়দার প্যাকেটের দাম বেড়েছে ১৪.৩ শতাংশ আর সয়াবিন তেলের ১১.৪ শতাংশ, কিন্তু প্যাকেটের গায়ে লেখা দাম সঙ্গে সঙ্গে বদলানো যায় না। বাজারটা ছোট নয় — ২০২৩ সালের হিসাবে দেশে হিমায়িত খাদ্যপণ্যের বাজার ছিল ৪৫০–৫০০ কোটি টাকার আর বছরে অন্তত ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছিল — তবে বাজারটা গোল্ডেন হারভেস্ট, কাজী ফুড, এজি অ্যাগ্রো, প্রাণ আর বেঙ্গল মিটের দখলে। ছোট উদ্যোক্তার জায়গা এক এলাকার ভেতরে, যেখানে নিজে গিয়ে মাল দেওয়া যায় আর দোকানের ফ্রিজারটা নিজের চোখে দেখা যায়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,২০,০০০ – ৳৬,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৯ – ৳১৯ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৫ – ৳৮ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৪৪% – ৫৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪৫ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৮.৫ – ২৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৫০০ – ২,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ডিপ ফ্রিজার (সেপ্টেম্বর ২০২৬: ওয়ালটন ১২৫ লিটার ৳১৬,৯৯০, ওয়ালটন ২০৫ লিটার ৳৩২,৩৯০, হায়ার ৩০১ লিটার ৳৩৮,০০০, শার্প ৩১০ লিটার ৳৪৯,৪৯০), মাখার যন্ত্র বা বড় গামলা, বেলার টেবিল ও বেলুন, গ্যাসের চুলা, ওজনের পাল্লা, সিলিং মেশিন, আর বিদ্যুৎ গেলে চালানোর জেনারেটর বা আইপিএস।যন্ত্রপাতি
  • আটা, ময়দা, তেল, আলু, পেঁয়াজ, মসলা ও মোড়ক। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর ঢাকার খুচরা দর: খোলা আটা ৳৪৮–৫০ কেজি, প্যাকেট আটা ৳৬০–৬৫, খোলা ময়দা ৳৬৫–৭০, প্যাকেট ময়দা ৳৭৫–৮৫, খোলা সয়াবিন তেল ৳১৮৬–১৯৫ লিটার, পাম তেল ৳১৬৬–১৭২, আলু ৳২৫–৩০, দেশি পেঁয়াজ ৳৫০–৫৫।শুরুর মাল
  • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন। কাগজপত্র গোছানো থাকলে পুরো প্রক্রিয়ায় ২–৪ সপ্তাহ।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা, ব্যবসার ধরন খাদ্য উৎপাদন হিসেবে উল্লেখসহ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবস, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
  • বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) প্রবিধানমালা, ২০২৬ (গেজেট ১৬ জুলাই ২০২৬)। প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক: নিবন্ধন ৳১,০০০ নতুন, ৳৫০০ নবায়ন, মেয়াদ তিন বছর; প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ৳১,০০০–৫,০০০; হিমাগারসহ বড় গুদামে ৳৪০,০০০ পর্যন্ত। নিবন্ধনের আগে সরেজমিনে রান্নাঘর পরিদর্শন হয়।লাইসেন্স
  • সমান মাপে বেলা আর সমান ওজনে ভরা। একটি প্যাকেটের ২০ পিস যদি এক মাপের না হয়, দোকানদার পরের বার আর নেন না।দক্ষতা
  • আটা-ময়দার ডিলার, তেলের পাইকার, মোড়ক ছাপানোর প্রেস, আর ফ্রিজার সারানোর মিস্ত্রি। ফ্রিজার নষ্ট হলে ঘণ্টার মধ্যে লোক দরকার, তাই আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন।সরবরাহকারী
  • ধোয়া যায় এমন মেঝে ও দেয়ালসহ আলাদা আলাদা ঘর — মাখা, বেলা, ভরা, প্যাকিং আর ফ্রিজার। টানা বিদ্যুৎ আর পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে দোকান গুনুন, তারপর কারখানা ভাবুন। আপনার এলাকার কতটি মুদি ও ডিপার্টমেন্টাল দোকানে চালু ফ্রিজার আছে, হেঁটে গিয়ে গুনে আসুন। ফ্রিজার নেই মানে আপনার মাল রাখারই জায়গা নেই।
  2. 2ঘর ঠিক করুন — মাখার জায়গা, বেলার টেবিল, ভরার জায়গা, প্যাকিং আর ফ্রিজার ঘর আলাদা রাখুন। মেঝে ও দেয়াল ধোয়া যায় এমন হতে হবে, কারণ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে রান্নাঘর দেখে তবেই নিবন্ধন দেয়।
  3. 3ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন যেন 'খাদ্য উৎপাদন' হিসেবে লেখা থাকে — না হলে পরের কাগজগুলো আটকে যায়।
  4. 4বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করান — নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০, আর হিমাগারসহ বড় গুদামের ক্ষেত্রে ৳৪০,০০০ পর্যন্ত।
  5. 5ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আর এনবিআরের টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করিয়ে নিন। কাগজ গোছানো থাকলে পুরোটায় ২–৪ সপ্তাহ লাগে।
  6. 6ডিপ ফ্রিজার কিনুন — কারখানার জন্য বড়, আর ভ্যানের জন্য আলাদা ব্যবস্থা। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ওয়ালটন ১২৫ লিটার ৳১৬,৯৯০, ওয়ালটন ২০৫ লিটার ৳৩২,৩৯০, হায়ার ৩০১ লিটার ৳৩৮,০০০, শার্প ৩১০ লিটার ৳৪৯,৪৯০।
  7. 7বিদ্যুৎ গেলে কী হবে তা আগে ঠিক করুন — জেনারেটর বা আইপিএস। ফ্রিজার কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকলে ভেতরের মাল একবার গলে আবার জমে, আর সেই মাল খেয়ে মানুষ অসুস্থ হয়।
  8. 8মাপ ঠিক করুন আর ধরে রাখুন। বাজারের পরোটা ১০ পিসে ৬০০–৬৫০ গ্রাম, আর ২০ পিসে ১৩০০–১৬০০ গ্রাম। পিসের ওজন কমালে দোকানদার নয়, ক্রেতা টের পান।
  9. 9মোড়কে নাম, ঠিকানা, উপাদান, ওজন, পিস সংখ্যা, তৈরির তারিখ ও মেয়াদ এবং 'হিমায়িত অবস্থায় রাখুন' লিখুন। মোড়কের গায়ে নিবন্ধন নম্বর থাকলে দোকানদার নিতে ভরসা পান।
  10. 10নিজের এলাকা দিয়ে শুরু করুন, আর মাল নিজে পৌঁছে দিন। ঠান্ডা বাক্স বা ককশিটে বরফ দিয়ে অল্প দূরত্বে দেওয়া যায়; দূরের বাজার ধরার আগে ঠান্ডা ভ্যান লাগবে।
  11. 11দোকানে দেওয়ার পর মাসে অন্তত একবার গিয়ে ফ্রিজার খুলে দেখুন — আপনার প্যাকেট বরফে জমে আছে কি না, আর দোকান বন্ধের পর ফ্রিজার চালু থাকে কি না। এই এক অভ্যাসেই বেশির ভাগ নালিশ বন্ধ হয়।
  12. 12রোজার দুই মাস আগে থেকে সমুচা-শিঙাড়ার অর্ডার বাড়ে। তখনকার আটা-ময়দা ও তেলের টাকা আগেই আলাদা করে রাখুন।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, সুপারশপ ও ডিপার্টমেন্টাল দোকান বেশি, বিদ্যুৎ তুলনামূলক নিয়মিত — ঠান্ডার শিকল ধরে রাখা সহজ।
  • খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বেশি ফ্রিজারওয়ালা দোকান, সুপারশপ ও অনলাইন মুদি এখানেই; চালডালের মতো অনলাইন দোকানে ব্র্যান্ডের পরোটা-সমুচা নিয়মিত বিক্রি হয়, আর চাকরিজীবী পরিবারের রান্নার সময় কম।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, আশপাশের জেলার দোকানে মাল পাঠানোর সুবিধা আছে।
  • সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটন মৌসুমে হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বাঁধা পরিমাণে নাশতা কেনে, তবে মৌসুমের বাইরে চাহিদা পড়ে যায়।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হোটেল ও চা-নাশতার দোকানে ভাজা নাশতার চাহিদা, আর শহরে ডিপার্টমেন্টাল দোকানের সংখ্যা বাড়ছে।
  • সম্ভবগাজীপুর · কারখানার কর্মী ও মেসের রান্নাঘরে দ্রুত খাবারের চাহিদা, আর ঢাকার বাজারে পৌঁছাতে অল্প সময় লাগে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের সুপারশপ ও বড় মুদি দোকানে ফ্রিজার আছে, আর আশপাশের জেলায় সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি আর ঢাকার লাগোয়া — ঠান্ডা বাক্সে অল্প দূরত্বেই মাল পৌঁছে দেওয়া যায়।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রাবাসঘেঁষা মেস আর ক্যান্টিনে দ্রুত নাশতার চাহিদা।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি আর তৈরি খাবারে আপত্তি কম; শহরে সুপারশপ আছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: ঠান্ডার শিকল ছুটলেই সব শেষ। কারখানার ফ্রিজার, বহনের ভ্যান আর দোকানের ফ্রিজার — এই তিন জায়গার যেকোনো একটিতে কয়েক ঘণ্টা ঠান্ডা না থাকলে মাল গলে আবার জমে যায়। বাইরে থেকে প্যাকেট দেখে বোঝা যায় না, কিন্তু ভেতরে বরফের কণা জমে আর স্বাদ নষ্ট হয়। দোকান বন্ধের পর ফ্রিজার বন্ধ রাখা এদেশে খুব সাধারণ ব্যাপার, আর সেই দোকানেই আপনার মাল পড়ে থাকে।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, আর নিবন্ধনের আগে সরেজমিনে রান্নাঘর পরিদর্শন হয়। নিবন্ধন ৳১,০০০ (নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর), প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ৳১,০০০–৫,০০০, আর হিমাগারসহ বড় গুদামে ৳৪০,০০০ পর্যন্ত। এর বাইরে ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র আর ভ্যাট নিবন্ধন — কাগজ গোছানো থাকলেও ২–৪ সপ্তাহ। কাগজ ছাড়া সুপারশপ বা বড় দোকান মাল নেয় না।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: বাজারটা আগে থেকেই দখল করা। ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে হিমায়িত খাদ্যের বাজার ৪৫০–৫০০ কোটি টাকার আর নেতৃত্বে গোল্ডেন হারভেস্ট, কাজী ফুড, এজি অ্যাগ্রো ফুড, প্রাণ ও বেঙ্গল মিট; কাজী ফার্মস কিচেনের তখনই ১৭০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিল। দোকানের ফ্রিজারের তাক এদের প্যাকেটেই ভরা থাকে, আর নতুন কারও জায়গা পেতে হয় সেই তাক থেকে কারও জায়গা কেড়ে।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: কাঁচামালের দাম বাড়ে, প্যাকেটের গায়ের দাম বাড়ে না। এক বছরে প্যাকেট ময়দার দাম বেড়েছে ১৪.৩ শতাংশ আর খোলা সয়াবিন তেলের ১১.৪ শতাংশ (টিসিবি, ১৫-০৯-২০২৬)। ছাপানো মোড়কের দাম বদলাতে নতুন মোড়ক ছাপাতে হয় আর দোকানদারকে নতুন দর মানাতে হয় — মাঝের সময়টা আপনার লোকসান।
  • মাঝারিচাহিদা: চাহিদা রোজার দিকে ঝুঁকে থাকে — সমুচা ও শিঙাড়া ইফতারের জিনিস, তাই রোজার আগে অর্ডার লাফিয়ে বাড়ে আর ঈদের পরে হঠাৎ পড়ে যায়। রোজার জন্য বাড়ানো উৎপাদন ক্ষমতা বছরের বাকি সময় বসে থাকে, অথচ ফ্রিজারের বিদ্যুৎ বিল বারো মাসই আসে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

ছোট রেস্টুরেন্ট

৩০০–৫০০ বর্গফুটের ভাতের হোটেল। প্রতিদিন নগদ টাকা আসে, কিন্তু কাঁচামালেই যায় বিক্রির ৩৫–৫০ শতাংশ আর চালু করতে ৬টি কাগজ লাগে।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
৩ – ৮ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

বিরিয়ানির দোকান

কাচ্চি, তেহারি ও মোরগ পোলাও প্লেট ধরে বিক্রি। খরচের প্রায় পুরোটাই মাংস — এক ডেকচি শাহি মাটন কাচ্চির কাঁচামালেই ৳১৩,২৬৫–১৫,০৫৪ যায়।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

সেমাই ও নুডলস তৈরি

ময়দার খামির কলে কেটে সেমাই ও নুডলস তৈরি। বছরের বেশির ভাগ বিক্রি রোজার ঈদে, আর একই আটা দিয়ে খোলা সেমাই ৳৮০ থেকে ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা ৳১,৬০০ পর্যন্ত যায়।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
৩ – ২৫ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১০০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

টমেটো সস ও কেচাপ

শীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান