হার্ডওয়্যার ও স্যানিটারি দোকান
রড, সিমেন্ট ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান। রড টনপ্রতি ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, এক বছরে বেড়েছে ১০ শতাংশ; লাভের চেয়ে বড় প্রশ্ন ঠিকাদারের বাকি টাকা কবে ফিরবে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

হার্ডওয়্যার ও স্যানিটারি দোকান — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১০ – ২০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
রড, সিমেন্ট, তার, পেরেক, পাইপ, কল, বেসিন, কমোড — বাড়ি বানানো ও মেরামতের সব জিনিস এক দোকানে। খদ্দের দুই রকম। পাড়ার মানুষ আসে দুটো কব্জা বা এক কেজি পেরেক কিনতে, নগদ টাকা দিয়ে চলে যায়। আর আসে ঠিকাদার ও মিস্ত্রি, তারা এক সঙ্গে অনেক মাল নেয় — আর বাকিতে নেয়। এই বাকিটাই এই ব্যবসার আসল গল্প। মাল দোকান থেকে চলে যায়, টাকা আসে কাজ শেষ হওয়ার পর, আর কাজ আটকে গেলে টাকাও আটকে যায়। দামের ওঠানামাও কম নয়। ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর টিসিবির দরে ৬০ গ্রেড এমএস রড ছিল টনপ্রতি ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, যা এক বছরে ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে; ৪০ গ্রেড ৳৮৯,০০০–৯১,০০০, বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। ২০২৬ সালের মার্চে এক সপ্তাহেই টনপ্রতি ৳৬,০০০–৭,০০০ বেড়ে গিয়েছিল আর সিমেন্ট বস্তায় ৳১৫–৫০ পর্যন্ত। দাম হুট করে বাড়লে আগের দামে কেনা মাল লাভ দেয়, কিন্তু কমে গেলে গুদামের মালেই লোকসান। আর চাহিদাও এখন ভালো নয়। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বড় সরকারি প্রকল্প না থাকায় রড-সিমেন্টের চাহিদা তলানিতে, ১০ থেকে ২০টি কারখানা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কোম্পানির ডিলারশিপ নিতে হলে জামানত ও মাসিক বিক্রির লক্ষ্য মানতে হয়, সেই শর্ত বুঝে না নিলে পরে দোকানের টাকা কোম্পানির গুদামে আটকে থাকে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০,০০০ – ৳১২,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮৯,০০০ – ৳৯৪,৫০০ / একক | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৮৪,০০০ – ৳৯১,৫০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩% – ৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১০ – ২০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২০ – ৭৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.২ – ০.৬ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মাল ওজনের দাঁড়িপাল্লা, রড কাটার যন্ত্র, তাক ও র্যাক, ঠেলাগাড়ি বা ভ্যান, আর বাকির খাতা।যন্ত্রপাতি
- শুরুতে দ্রুত চলে এমন মাল — সিমেন্ট, রড, তার, পেরেক, কব্জা, পিভিসি পাইপ, কল, সাদা সিমেন্ট। ধীরে চলা দামি স্যানিটারি সেট শুরুতেই না তোলাই ভালো।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে দেওয়া হয়।লাইসেন্স
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে টিআইএন, আর বিক্রি নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে ভ্যাট নিবন্ধন। কোম্পানির ডিলারশিপ নিতে হলে প্রায় সব ক্ষেত্রেই টিআইএন ও ব্যাংক হিসাব চাওয়া হয়।লাইসেন্স
- কোন কাজে কোন মাপের রড, কোন পাইপ, কোন তার লাগে তা জানা। মিস্ত্রি ভুল মাল নিয়ে গেলে সে আর ফিরে আসে না।দক্ষতা
- রড ও সিমেন্ট কোম্পানির ডিলারশিপ বা পরিবেশক, আর স্যানিটারি-পাইপ-ইলেকট্রিক সামগ্রীর পাইকারি বাজার। জামানত, মাসিক বিক্রির লক্ষ্য ও মাল ফেরতের শর্ত আগেই লিখিত নিন।সরবরাহকারী
- সামনে দোকান আর পেছনে বা পাশে শুকনো গুদাম। ট্রাক থেকে রড ও সিমেন্ট নামানোর জায়গা লাগে, আর সিমেন্ট মাটিতে রাখা যায় না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1জায়গা দেখুন — নতুন বাড়ি উঠছে এমন পাড়া, বা বাজারের যে অংশে মিস্ত্রি-ঠিকাদাররা আসে। ট্রাক ঢোকার রাস্তা আর মাল নামানোর জায়গা আছে কি না দেখুন।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও প্রয়োজনে ভ্যাট নিবন্ধন করান।
- 3কী কী বিক্রি করবেন ঠিক করুন। শুরুতে সব একসঙ্গে নয় — সিমেন্ট-রড, নাকি প্লাম্বিং-স্যানিটারি, নাকি ইলেকট্রিক — একটা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ান।
- 4কোম্পানির ডিলারশিপের শর্ত লিখিত নিন: জামানত কত, মাসে কত বিক্রি করতে হবে, দাম কমলে গুদামের মালের ক্ষতি কে নেবে, আর মাল ফেরত নেওয়া হবে কি না।
- 5প্রতিটি মালের কেনা দর, বিক্রির দর আর কত দিন গুদামে পড়ে আছে — খাতায় লিখে রাখুন। রড-সিমেন্টের দাম সপ্তাহে সপ্তাহে বদলায়।
- 6বাকির নিয়ম আগেই ঠিক করুন — কোন ঠিকাদারকে কত টাকা পর্যন্ত, আর কত দিনের মধ্যে ফেরত। নিয়মটা দোকানে লিখে টাঙিয়ে দিন।
- 7প্রতিটি বাকির জন্য খাতায় সই নিন আর মোবাইলে ছবি রাখুন। মুখের কথায় বাকি দিলে টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো কাগজ থাকে না।
- 8পাড়ার রাজমিস্ত্রি, রডমিস্ত্রি, প্লাম্বার আর ইলেকট্রিশিয়ানদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখুন — কোন দোকান থেকে মাল কেনা হবে তা বাড়িওয়ালা নয়, মিস্ত্রিই ঠিক করে।
- 9বর্ষার চার-পাঁচ মাসের জন্য আলাদা হিসাব রাখুন। ওই সময় নির্মাণ কমে যায়, তাই গুদামে বেশি মাল তুলে রাখলে টাকা আটকে থাকে।
- 10সিমেন্ট শুকনো ও উঁচু জায়গায় রাখুন, কাঠের পাটাতনের উপর। ভিজে গেলে বা অনেক দিন পড়ে থাকলে বস্তা জমে যায় আর সেটা আর বিক্রি হয় না।
- 11মাসে একবার বকেয়ার তালিকা বের করে সবচেয়ে পুরোনো টাকাটা আগে আদায় করুন। পুরোনো বাকি যত বাড়ে, ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা তত কমে।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · দেশের বড় ইস্পাত কারখানাগুলো এখানেই, তাই রড কাছ থেকে পাওয়া যায় আর পরিবহন খরচ কম।
- খুব উপযোগীঢাকা · নবাবপুর রোড ও ধোলাইখালের পাইকারি হার্ডওয়্যার-স্যানিটারি বাজার থেকে সারা দেশে মাল যায়; শহরের ভেতরে নতুন বাড়ি ও সংস্কারের কাজ সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা ও শ্রমিকদের বাড়ি — দুটোই লাগাতার উঠছে, তাই সিমেন্ট-রডের চাহিদা স্থিতিশীল।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প-শহর, আর নদীপথে বালু-সিমেন্ট-রড আসা সহজ।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাড়ি বানানোর কাজ সারা বছর চলে, আর ওই কাজে দামি স্যানিটারি সামগ্রীর চাহিদা বেশি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার ছোট দোকান এখান থেকেই মাল তোলে।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধারের বাজারগুলোতে ঠিকাদার ও মিস্ত্রির আনাগোনা বেশি।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও বন্দর-লাগোয়া এলাকা; তবে নির্মাণের গতি ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো নয়।
- সম্ভবময়মনসিংহ · নতুন বিভাগীয় শহর হওয়ায় সরকারি ও বেসরকারি ভবনের কাজ বেড়েছে।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর, সরকারি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ নিয়মিত।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিবাকিতে বিক্রি: ঠিকাদার ও মিস্ত্রি বাকিতে মাল নেয় আর টাকা দেয় কাজের বিল পাওয়ার পর। কাজ আটকে গেলে, বা সরকারি প্রকল্পের বিল আটকে থাকলে, দোকানের টাকাও আটকে থাকে। একটা বড় ঠিকাদারের বাকি আটকে গেলে গোটা দোকানের মাসের পুঁজি বসে যায়, আর সেই টাকা আদায়ে আদালতে যাওয়ার সামর্থ্য ছোট দোকানের থাকে না।
- বেশিচলতি মূলধন: রড-সিমেন্টের দাম সপ্তাহে সপ্তাহে বদলায়। ২০২৬ সালের মার্চে এক সপ্তাহেই টনপ্রতি ৳৬,০০০–৭,০০০ বেড়েছিল আর সিমেন্ট বস্তায় ৳১৫–৫০। দাম বাড়লে আগের মাল লাভ দেয়, কিন্তু দাম কমে গেলে গুদামে রাখা প্রতিটি টন রডে হাজার হাজার টাকা লোকসান হয় — আর সেই ঝুঁকি দোকানের, কোম্পানির নয়।
- বেশিচাহিদা: নির্মাণ খাতে মন্দা চলছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ইস্পাত ব্যবসায়ীরা বলেছেন, নতুন বড় সরকারি প্রকল্প না থাকায় চাহিদা তলানিতে নেমেছে আর দীর্ঘ মন্দায় ১০ থেকে ২০টি কারখানা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। বর্ষার চার-পাঁচ মাস ব্যক্তিগত নির্মাণও কমে যায়। দোকান ভাড়া ও কর্মচারীর বেতন কিন্তু ওই মাসগুলোতেও দিতে হয়।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: কোম্পানির ডিলারশিপে মাসিক বিক্রির লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া হয়। লক্ষ্য না মিললে ছাড় বা কমিশন কেটে নেওয়া হয়, আর জামানতের টাকা কোম্পানির কাছেই পড়ে থাকে। একটিমাত্র কোম্পানির উপর নির্ভর করলে তারা দাম বা শর্ত বদলালে দোকানের কিছু করার থাকে না।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: সিমেন্ট ভিজলে বা অনেক দিন পড়ে থাকলে বস্তার ভেতরেই জমে যায়, তখন সেটা আর বিক্রি করা যায় না — পুরো বস্তার টাকাই যায়। বর্ষায় গুদাম স্যাঁতসেঁতে হলে এই ক্ষতি বেড়ে যায়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, মাসিক চলতি মূলধন, বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকসমেটিকস দোকান
ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচশমার দোকান
ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রীর দোকান
বিড়াল-কুকুরের আমদানি করা খাবার, লিটার ও সরঞ্জামের দোকান। শুকনো খাবার কেজিপ্রতি ৳৪৮৭ থেকে ৳১,৯০০ (২১-০৯-২০২৬)। খাবারে আমদানি শুল্ক ২৫%, আর চাহিদা এখনো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামাছের আড়ত
চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
