ঔষধি গাছ চাষ
বাসক, কালোমেঘ, তুলসী ও অর্জুনের চাষ। ক্রেতা ওষুধ কোম্পানি, তাই দাম চুক্তি বা দরপত্রে ঠিক হয় — বিঘায় কালোমেঘে ৳১৫,০০০ খরচে ২০–২২ মণ, মণ ৳২,৪০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ঔষধি গাছ চাষ
- শুরুর পুঁজি
- ৳১৫,০০০ – ৳১,০০,০০০ অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ৩৬৫ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠতে
- ৬ – ১৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
বাসক, কালোমেঘ, তুলসী, অর্জুন, শিমুল মূল, অশ্বগন্ধা — ঔষধি গাছের পাতা, ডালপালা ও শিকড় চাষ করে বিক্রি। সবজি বা ফলের চাষের সঙ্গে এর সবচেয়ে বড় তফাত হলো ক্রেতা। এখানে ক্রেতা কোনো খুচরা মানুষ নয়, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। তারা দরপত্র বা চুক্তি করে কেনে, আর তাই দামটা কাগজে থাকে — এটাই এই চাষের আসল সুবিধা। শেরপুরের শ্রীবরদীতে বন বিভাগের সুফল বাগানে ৩৫০ হেক্টর টিলাজুড়ে বাসকের চাষ হয়েছে, আর এক বছর দরপত্রের মাধ্যমে ১৮০ হেক্টর এলাকার বাসকপাতা কেজিপ্রতি ৪ টাকা দরে ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো বাসকের পাতা দিয়ে কাশির সিরাপ বানায়, তাই এই পাতার চাহিদা সব সময় থাকে। টাকার অঙ্কটা বড় নয়, কিন্তু নিশ্চিত। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রতি বিঘা জমিতে কালোমেঘ চাষ করতে খরচ প্রায় ১৫ হাজার টাকা, উৎপাদন হয় ২০ থেকে ২২ মণ, আর বাজারে প্রতি মণ কালোমেঘ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। কালোমেঘ চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাসে লাগিয়ে ছয় মাসে কাটা যায়, তুলসী ৯০ দিনে, আর বাসক একবার লাগালে আট থেকে দশ বছর ফলন দেয়। সাবধানের জায়গাটাও একই — ক্রেতা। দেশের একমাত্র ঔষধি পল্লী নাটোরের লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়ার সমবায় নেতারা এখনো গ্রামে একটি গবেষণা কেন্দ্র আর প্রসাধনী কারখানার দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা এলাকায় না থাকলে দামটা কোম্পানিই ঠিক করে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২,৫০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৪ – ৳৬০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৭ – ৳১৯ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬৫% – ৭২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ৩৬৫ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ১৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১২০ – ২৪০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ০% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৪ – ২৫ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কাস্তে, শুকানোর জায়গা ও দাঁড়িপাল্লা। শুকনা পণ্য বলে হিমাগার বা বিশেষ যন্ত্রপাতি লাগে না — এই চাষে পুঁজির চাপ কম থাকার এটাই কারণ।যন্ত্রপাতি
- চারা — স্থানীয় নার্সারি বা অন্য চাষির কালেকশন পয়েন্ট থেকে। গাইবান্ধার এক চাষির নার্সারিতেই ১০ হাজার চারা আছে। চারার একক দাম কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। বিক্রয়কেন্দ্র বা নার্সারি খুললে এবং কোম্পানিকে চালান দিয়ে সরবরাহ করলে লাগবেই।লাইসেন্স
- কোন গাছের কোন অংশ কখন কাটতে হয় তা জানা — পাতা, ডালপালা না শিকড়, আর কোন সময়ে কাটলে গুণ ঠিক থাকে। ভুল সময়ে কাটলে কোম্পানি ফিরিয়ে দেয়।দক্ষতা
- ক্রেতা — ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো বাসকের পাতা দিয়ে কাশির সিরাপ তৈরি করে, তাই এ পাতার চাহিদা সব সময় থাকে। শ্রীবরদীর বাসকপাতা দরপত্রে কিনে নিচ্ছেন গাইবান্ধার এক ব্যবসায়ী।সরবরাহকারী
- জমি — বিঘা হিসাবে, তবে বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধার ও পতিত টিলাতেও হয়। শ্রীবরদীতে কাঠবাগানের নিচেই ৩৫০ হেক্টর টিলায় বাসকের বাগান হয়েছে, অর্থাৎ আলাদা জমি না থাকলেও চলে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ক্রেতা আগে, গাছ পরে। কোন ওষুধ কোম্পানি বা ভেষজ ব্যবসায়ী আপনার এলাকায় কেনে, কোন গাছ কেনে আর কী দরে — উপজেলা কৃষি অফিস বা স্থানীয় কবিরাজের কাছ থেকে এটা জেনে নিন।
- 2কোন গাছ লাগাবেন ঠিক করুন — সময় আর টাকা দুটোই আলাদা। তুলসী ৯০ দিনে কাটা যায়, কালোমেঘ ছয় মাসে, আর বাসক একবার লাগালে আট থেকে দশ বছর ফলন দেয়। বাসকে অপেক্ষা বেশি, কিন্তু খরচ প্রায় শূন্য।
- 3ছোট করে বাড়ির আশপাশ থেকে শুরু করুন। গাইবান্ধার রফিকুল ইসলাম ২০০৭ সালে ঘরের আনাচকানাচে কালোমেঘ লাগিয়ে শুরু করেছিলেন, তারপর এক বিঘা বর্গা নিয়ে বাসক-অর্জুন-তুলসী করে লাভ দেখে জমি বাড়ান।
- 4কালোমেঘ চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাসের মধ্যে লাগান। ছয় মাসের মধ্যে কাটার উপযোগী হয়ে যায়।
- 5জৈব সার নিজে বানিয়ে ব্যবহার করুন। রফিকুল ইসলাম নিজে কম্পোস্ট সার তৈরি করে জমিতে দেন — ঔষধি গাছে খরচ কম রাখার এটাই সহজ পথ, আর বাসকে তো সার-কীটনাশক প্রায় লাগেই না।
- 6পাতা ও ডালপালা সংগ্রহ করে শুকিয়ে নিন, তারপর কেজি দরে বিক্রি করুন। শুকনা পণ্য বলে জমিয়ে রাখা যায় — দাম পছন্দ না হলে অপেক্ষা করার সুযোগ আছে, যা সবজি বা ফলে নেই।
- 7শুকনা মৌসুমে দুই দফা পাতা সংগ্রহ করুন। শ্রীবরদীর বাসক বাগানে বছরে দুইবার পাতা সংগ্রহ করা হয়।
- 8দল বেঁধে বিক্রি করুন। শ্রীবরদীতে চারটি এলাকার আটটি দলের ৪৮০ জন উপকারভোগী মিলে দরপত্রের মাধ্যমে পাতা বিক্রি করেন — একজনের দুই মণ পাতার চেয়ে চারশো জনের চার লাখ কেজির দর অনেক ভালো হয়।
- 9বাড়ির পাশে একটা বিক্রয়কেন্দ্র বা কালেকশন পয়েন্ট বানান। রফিকুল ইসলাম বাড়ির পাশের কেন্দ্র থেকেই পাতা, ডালপালা ও চারা বিক্রি করেন, আর বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সেখান থেকেই কিনে নিয়ে যায়।
- 10চারার নার্সারিটা আলাদা আয়ের পথ হিসেবে ভাবুন। রফিকুলের নার্সারিতে ১০ হাজার চারা আছে আর তিনি গাইবান্ধা ছাড়াও রংপুর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরে চারা বিক্রি করেন — বছরে প্রায় ১৫ লাখ টাকার চারা ও ঔষধি গাছ বিক্রি হয়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীগাইবান্ধা · পলাশবাড়ী উপজেলায় দুই হেক্টর জমিতে নানা জাতের ঔষধি গাছ; কেত্তারপাড়া গ্রামে একজনকে দেখে প্রায় ৩০ জন কৃষক ঔষধি গাছ চাষে নেমেছেন। শ্রীবরদীর বাসকপাতাও কিনছেন গাইবান্ধার এক ব্যবসায়ী।
- খুব উপযোগীনাটোর · দেশের একমাত্র ঔষধি পল্লী — সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে ১৪০ প্রকার ভেষজ উদ্ভিদ, ১৫৫ হেক্টর জমি, দুই হাজার কৃষক, আর চারটি জায়গায় প্রায় ১০০টি ভেষজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
- খুব উপযোগীশেরপুর · শ্রীবরদীর বালিঝুড়ি, কনঝুড়া, মালাকুচা ও ডুমুতলায় গারো পাহাড়ঘেঁষা ৩৫০ হেক্টর টিলায় বন বিভাগের বাসকের সুফল বাগান; আট দলের ৪৮০ জন উপকারভোগী যুক্ত।
- সম্ভবকুমিল্লা · বারির নারিকেলি ও অন্যান্য ভেষজ জাত এদিকে চলে; ওষুধ কারখানা ও ঢাকার দূরত্ব দুটোই সুবিধাজনক।
- সম্ভবদিনাজপুর · গাইবান্ধার চাষির চারার আরেকটি বাজার; উঁচু জমি বেশি।
- সম্ভবময়মনসিংহ · শেরপুরের বাসক বাগান ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন; একই পাহাড়ি মাটি আর একই বিভাগীয় ব্যবস্থাপনা।
- সম্ভবরাজশাহী · নাটোরের লাগোয়া, একই বরেন্দ্র মাটি আর একই ভেষজ বাজারের নেটওয়ার্ক।
- সম্ভবরংপুর · গাইবান্ধার নার্সারি থেকে এখানে চারা যায়; উত্তরাঞ্চলের ভেষজ চাষের বলয়ের মধ্যে।
- সম্ভবসিরাজগঞ্জ · গাইবান্ধার নার্সারির চারা এখানে বিক্রি হয়; ঢাকার ওষুধ কারখানার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ভালো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: ক্রেতা শুধু কোম্পানি, আর দাম ঠিক করে কোম্পানিই। বাসকপাতার দরপত্রে কেজিপ্রতি দর ছিল মাত্র ৪ টাকা — গোটা ১৮০ হেক্টরের পাতা মিলিয়ে ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা, আর সেটা ৪৮০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ভাগ হবে। ভেষজ পাতার কোনো খুচরা বাজার নেই, তাই দর পছন্দ না হলে চাষির বিকল্প নেই।
- মাঝারিচাহিদা: মূল্য সংযোজন এলাকায় হয় না। নাটোরের ঔষধি পল্লীতে বছরে অন্তত শত কোটি টাকার ভেষজ উৎপাদন হয়, কিন্তু সমবায় সমিতির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এখনো বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে গ্রামে একটি ঔষধি উদ্ভিদ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছেন, আর চাষি মো. জয়নাল আবেদিন চাইছেন সাবান-শ্যাম্পুসহ প্রসাধনী তৈরির কারখানা। ২০২৫ সাল পর্যন্তও এর কোনোটাই হয়নি।
- মাঝারিঅন্যান্য: মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই, তাই দরও যাচাই করা যায় না। নাটোরের সমবায় নেতা বলেছেন, গবেষণা কেন্দ্র হলে উৎপাদিত ভেষজ পণ্যের গুণাগুণ ও মান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতো আর প্রসাধন-ওষুধ কোম্পানির আগমন ঘটত। মান মাপার ব্যবস্থা না থাকায় ভালো পাতা আর খারাপ পাতা একই দামে যায়।
- কমচলতি মূলধন: টাকা আটকে থাকে ছয় মাস থেকে এক বছর, আর বাসকের ক্ষেত্রে পাতা সংগ্রহ শুরু হতেই এক বছর লাগে। অঙ্কটা ছোট — বিঘায় ১৫ হাজার টাকা — কিন্তু যাঁর জমি সামান্য আর যিনি বর্গা নিয়ে চাষ করছেন, তাঁর কাছে সেই ছয় মাসও দীর্ঘ।
- কমআইনি বাধ্যবাধকতা: বন বিভাগের জমিতে করলে নিয়ম আলাদা। শ্রীবরদীর বাসক বাগান বন বিভাগের সুফল প্রকল্পের আওতায়, উপকারভোগীরা শুধু দেখাশোনা করেন আর বিক্রির টাকা দরপত্রের পর ভাগ হয়ে আসে। এখানে জমি বা ফসল কোনোটিই চাষির নিজের নয়, আর সেটা আগে বুঝে নেওয়া দরকার।
ভিডিও ও সাক্ষাৎকার
৫:১৩
৬:২৫
৪১:১৫
৭:২০নাটোর লক্ষিপুর কাঠালবাড়িয়া (ঔষধি গ্রাম) উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলামের সাক্ষাৎকার।
Green Nutrition Foods
১২:৩৩এই ব্যবসার গল্প
দুই শতকের ভিটা থেকে ঔষধি গাছে বছরে ১৫ লাখ টাকার বিক্রি
চাষের জমি ছিল না; ২০০৭ সালে বাড়ির আশপাশে কালোমেঘ দিয়ে শুরু। এখন ৪ বিঘা আর ১০,০০০ চারার নার্সারি থেকে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টাকার বিক্রি, নিট আয় প্রায় ৩ লাখ — মাসে ২৫,০০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো যোগাযোগ
কোথায় কিনবেন
GETCO Group (GETCO Agro Vision Ltd.)
সবজি, আলু, ধান, ভুট্টা ও ফুলের হাইব্রিড এবং জৈব বীজ উৎপাদন ও বিক্রি করে।
26 Shyamoli, Bir Uttam A. W. Chowdhury Road (Mirpur Road), Dhaka 1207, Bangladesh, ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে
বনায়ন
ফল, ঔষধি, মসলা ও শোভাবর্ধক গাছের চারা, বীজ, টব ও বাগানের সরঞ্জাম পাইকারি ও খুচরা পাওয়া যায়; উৎপাদন কেন্দ্র ময়মনসিংহ ও সাভারে।
Mirpur 12 Cantonment, Dhaka 1216 (production centres: Mymensingh and Savar), ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সাতভাই নার্সারি
ফলের চারা, ফুল, মসলা ও ঔষধি গাছের চারা এবং বীজ সারা দেশে ডেলিভারিসহ কেনা যায়।
৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে
প্ল্যান্টস বিডি
আমের চারা, ফুল, ঔষধি ও ইনডোর গাছের চারা, বীজ, সার ও বাগানের সরঞ্জাম ৬৪ জেলায় ডেলিভারিসহ পাওয়া যায়।
Kanchon Bazar Proshadpur, Manda, Naogaon 6510, নওগাঁ৫টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সবুজায়ন
সাভারের আশুলিয়ার এই নার্সারি থেকে ফলের, ফুলের, ঔষধি ও ইনডোর গাছের চারা, টব ও বাগানের সরঞ্জাম কেনা যায়।
Ashulia, Charabag, Savar, Dhaka, ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারবাঁশ চাষ
ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
কৃষি ও খামারকবুতর ও পাখি পালন
ছাদে বা উঠানে কবুতর পালন, জমি লাগে না। ভোজেশ্বর হাটে জোড়া ৳৫০০–৫,০০০। যশোরের এক খামারির ৪০০ কবুতরে মাসে খরচ ৳২০,০০০, আয় ৳৩০,০০০–৩৫,০০০।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ৭৫ দিন
কৃষি ও খামারচরের কৃষি ও বাদাম চাষ
নদীর চরে বাদাম, ভুট্টা ও মিষ্টিকুমড়ার চাষ। জমি প্রায় বিনা পয়সায়; ২৫ শতকে ৳১৬,০০০ খরচে ৳২৬,৪০০ ওঠে, একরে খরচ ৳৬৫,০০০ আর বিক্রি ৳১,৩৭,০০০।
- পুঁজি
- ৳১৬ হাজার – ৳৬৫ হাজার
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১০০ – ১২০ দিন
কৃষি ও খামারতুলা চাষ
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ঠিক করা দরে বেচতে হয় — ২০২৫-২৬ মৌসুমে বীজতুলা মণপ্রতি ৳৩,৯০০। দেশের গড় ফলনে বিঘায় প্রায় ৭.৬ মণ, মানে ছয়-সাত মাসে বিঘায় ৳৩০,০০০-এর মতো।
- পুঁজি
- ৳১৬ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫০ – ২৪০ দিন
