কবুতর ও পাখি পালন
ছাদে বা উঠানে কবুতর পালন, জমি লাগে না। ভোজেশ্বর হাটে জোড়া ৳৫০০–৫,০০০। যশোরের এক খামারির ৪০০ কবুতরে মাসে খরচ ৳২০,০০০, আয় ৳৩০,০০০–৩৫,০০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

কবুতর ও পাখি পালন
- শুরুর পুঁজি
- ৳১৫,০০০ – ৳১,৫০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ৭৫ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠতে
- ১২ – ১৭ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ছাদে বা বাড়ির উঠানে খাঁচা আর টিনের ঘর তুলে কবুতর পালন। জমি লাগে না — এটাই এর সবচেয়ে বড় কথা। শহরের যে পরিবারের এক ছটাক জমিও নেই, তারাও ৯০০ বর্গফুটের একটা ছাদে খামার বসাতে পারে। যশোরের বাঘারপাড়ার মহিরাণ গ্রামের রাজু রায় ২০১৮ সালে বন্ধুদের কাছ থেকে সাত জোড়া কবুতর নিয়ে শুরু করেছিলেন। এখন তাঁর ছাদে ১৬ জাতের প্রায় ৪০০টি কবুতর, যার বাজারমূল্য ছয় থেকে সাত লাখ টাকা। তাঁর হিসাব খোলাখুলি: মাসে খাবার বাবদ ৳১৫,০০০ আর ওষুধ বাবদ প্রায় ৳৫,০০০ খরচ হয়, আর কবুতর বিক্রি থেকে মাসে আয় ৳৩০,০০০ থেকে ৳৩৫,০০০। একটা কবুতর দিনে দুই-তিন টাকার খাবার খায় — গম, ভুট্টা, মুগ, সূর্যমুখী, ধান, বাদাম, ছোলা, কাউন, চিনা, বাজরা মিশিয়ে তিনি নিজেই খাবার বানান। বংশবৃদ্ধির হিসাবটাও জানা দরকার: জোড়া দেওয়ার ৮–১০ দিনে ডিম, ১৮ দিনে বাচ্চা, ৪৫ দিনে বাচ্চা উড়তে পারে, ছয় মাসে পূর্ণবয়স্ক। দাম জাত আর বয়সের উপর। শরীয়তপুরের নড়িয়ার ভোজেশ্বর হাটে — যেখানে শত বছর ধরে শুক্র ও সোমবার কবুতরের হাট বসে — প্রতি জোড়া ৳৫০০ থেকে ৳৫,০০০, আর ওই দুই দিনেই ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার কবুতর বেচাকেনা হয়। দামি জাতে দাম আরও অনেক উপরে ওঠে; রাজুর খামারে এক জোড়ার দাম দুই হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১৫,০০০ – ৳২০,০০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫০০ – ৳৫,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩০০ – ৳৬০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩৩% – ৪৩% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ৭৫ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১২ – ১৭ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৪৫ – ৭৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.১ – ১.৩ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- লোহার তারের খাঁচা, বাসা বাঁধার কুঠুরি, খাবার ও পানির পাত্র, আর ওড়ানোর কবুতরের জন্য পায়ের ট্যাগ (সিরিয়াল ও মুঠোফোন নম্বরসহ)।যন্ত্রপাতি
- ব্রিডার জোড়া — ভোজেশ্বরের মতো হাটে জোড়া ৳৫০০–৫,০০০। রাজু রায় সাত জোড়া দিয়ে শুরু করেছিলেন। খাবার: গম, ভুট্টা, মুগ, সূর্যমুখী, ধান, বাদাম, ছোলা, কাউন, চিনা ও বাজরা — একটা কবুতরে দিনে ৳২–৩।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — নিয়মিত বিক্রি করলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন থেকে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, ইস্যু ৩–৫ কর্মদিবসে। শখের পালনে কেউ নেয় না।লাইসেন্স
- কবুতরের মেজাজ বোঝা, কোন আবহাওয়ায় কী সতর্কতা দরকার তা জানা, আর জোড়া মিলিয়ে বাচ্চা তোলা। রাজু রায় কোনো প্রশিক্ষণ নেননি — পালন করতে করতেই শিখেছেন।দক্ষতা
- সপ্তাহিক কবুতরের হাট (ভোজেশ্বরে শুক্র ও সোমবার), হাটের পাশের খাবার-ওষুধ-খাঁচার দোকান, আর স্থানীয় কবুতরপালকদের পার্টি বা দল।সরবরাহকারী
- ছাদ বা উঠান — ৯০০ বর্গফুটের একটা ছাদে ৪০০ কবুতরের খামার চলে। দরকার ইটের গাঁথুনি বা টিনের ঘর, ভেতরে-বাইরে তারের জাল, আর ওড়ানোর জন্য ঘেরা খোলা জায়গা। জমি লাগে না — এটাই এই ব্যবসার মূল সুবিধা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ছাদ বা উঠানের জায়গাটা দেখে নিন। রাজু রায় ৯০০ বর্গফুটের ছাদে দুটি টিনের ঘর, চিলেকোঠার ছাদে আরেকটি ঘর আর তিনটি লোহার তারের খাঁচা বসিয়েছেন — এই মাপটাই বাস্তব হিসাব।
- 2বাড়িওয়ালা বা পরিবারের অনুমতি নিন। কবুতরের ঘর মানে প্রতিদিনের বিষ্ঠা, পালক আর শব্দ — প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝামেলা এখান থেকেই শুরু হয়। ছাদে পানি জমতে দেবেন না।
- 3ঘর বানান — ইটের গাঁথুনি বা টিন, ভেতরে ও বাইরে তারের জাল, আর ওড়ানোর জন্য সামনে খোলা কিন্তু তার দিয়ে ঘেরা জায়গা। জাল না দিলে বিড়াল আর বাজপাখি বাচ্চা নিয়ে যায়।
- 4ঘরটা তিন ভাগে ভাগ করুন — মেয়ে কবুতরের কক্ষ, ছেলে কবুতরের কক্ষ আর ব্রিডার কক্ষ। বাচ্চা নেওয়ার দরকার হলে ব্রিডার কক্ষে এক জোড়া রেখে জোড়া দেওয়া হয়। এই ভাগ না থাকলে বংশবৃদ্ধির উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- 5হাট থেকে জোড়া কিনুন। ভোজেশ্বরের মতো হাটে শুক্রবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত বেচাকেনা হয়; শুরুতে দেশি বা গিরিবাজের সস্তা জোড়া নিন, দামি জাত পরে।
- 6খাবার নিজে মিশিয়ে বানান — গম, ভুট্টা, সবুজ মুগ, সূর্যমুখী, ধান, বাদাম, ছোলা, কাউন, চিনা ও বাজরা। একটা কবুতরে দিনে দুই-তিন টাকার খাবার ধরে মাসের হিসাব করুন। রেডিমেড খাবার কিনলে খরচ বেড়ে যায়।
- 7ওষুধ আর টিকার খরচ আগেই ধরে রাখুন — ৪০০ কবুতরের খামারে মাসে প্রায় ৳৫,০০০। রোগ ছড়ালে খাবারের খরচের চেয়ে ক্ষতিটা অনেক বড় হয়।
- 8ওড়ানোর কবুতরের পায়ে ট্যাগ লাগান, তাতে সিরিয়াল নম্বর আর নিজের মুঠোফোন নম্বর লিখুন। রাজুর ২৫টি কবুতর হারিয়েছে, ফিরে পেয়েছেন মাত্র দুটি — ট্যাগ ছাড়া সেটুকুও পেতেন না।
- 9কোন জাত কোথায় বিকোয় তা শিখুন। গিরিবাজের দাম ও চাহিদা দুটোই বেশি; হাই ফ্লায়ার টুর্নামেন্টের পর সেই জাতের দাম বেড়ে যায়। বছরে গড়ে আটটি টুর্নামেন্ট হয়।
- 10স্থানীয় কবুতরপালকদের ‘পার্টি’ বা দলে যুক্ত হন। রাজু নারায়ণগঞ্জের একটি পার্টি থেকে ২০ জোড়া কবুতর পেয়েছিলেন — নতুন খামারির জন্য জাত, দাম আর ক্রেতা সবই এই নেটওয়ার্ক থেকে আসে।
- 11খাতা রাখুন — কোন জোড়া কবে ডিম দিল, কয়টি বাচ্চা বাঁচল, কোনটা কত টাকায় গেল। এই খাতা না থাকলে কোন জোড়া লাভ দিচ্ছে আর কোনটা শুধু খাবার খাচ্ছে তা কোনোদিন বোঝা যাবে না।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীযশোর · বাঘারপাড়ার মহিরাণ গ্রামে ৯০০ বর্গফুট ছাদে ১৬ জাতের ৪০০ কবুতরের খামার চলছে; খুলনার পাখির হাটও কাছে।
- খুব উপযোগীমাদারীপুর · কালকিনি, সদর ও শিবচর থেকে মানুষ নিয়মিত ভোজেশ্বর হাটে যান — কেনা ও বেচা দুই দিকেই বাজার হাতের কাছে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কবুতরপালকদের সংগঠিত ‘পার্টি’ আছে — একটি পার্টির সদস্যসংখ্যাই ১৯। নতুন খামারিরা এখান থেকে জোড়া ও জাত পান।
- খুব উপযোগীশরীয়তপুর · নড়িয়ার কীর্তিনাশা নদীর তীরে ভোজেশ্বর হাট — শত বছরের পুরোনো, শুক্র ও সোমবার বসে, দুই দিনে ৩০–৪০ লাখ টাকার কবুতর বিকোয়। হাটের পাশেই খাবার, ওষুধ ও খাঁচার দোকান।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; দানাদার খাবারের জোগান সস্তা ও কাছে, তবে দামি জাতের ক্রেতা কম।
- সম্ভবকুমিল্লা · জমজমাট কবুতরের হাটের পুরোনো চর্চা আছে, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাপারীর যাতায়াত সহজ।
- সম্ভবঢাকা · কাপ্তানবাজারে কবুতরের হাট বসে আর শহরের ছাদে খামার বসানোর সুযোগ আছে; তবে প্রতিবেশী ও বাড়িওয়ালার আপত্তিই এখানে বড় বাধা।
- সম্ভবখুলনা · নিয়মিত পাখির হাট বসে, শুধু কবুতর নয় নানা পশুপাখি বিকোয় — ক্রেতার সংখ্যা ভালো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনষ্ট হওয়া: রোগ। ৪০০ কবুতরের খামারে মাসে ওষুধের খরচই প্রায় ৳৫,০০০ — অর্থাৎ মোট খরচের এক-চতুর্থাংশ যায় রোগ ঠেকাতে। ঘর ঘিঞ্জি হলে বা জাল-বাসা পরিষ্কার না থাকলে রোগ একদিনেই পুরো ঘরে ছড়ায়, আর একবার ছড়ালে একসঙ্গে অনেকগুলো পাখি যায়। এই ব্যবসায় সবচেয়ে বড় এককালীন ক্ষতি এখান থেকেই আসে।
- বেশিঅন্যান্য: ওড়ানো কবুতর হারিয়ে যায়। রাজু রায়ের ২৫টি কবুতর হারিয়েছে, ফিরে পেয়েছেন মাত্র দুটি — পায়ের ট্যাগে মুঠোফোন নম্বর ছিল বলে। হাই ফ্লায়ার কবুতরই সবচেয়ে দামি, আর সেগুলোই হারায়। বাজপাখি, বিড়াল আর চুরিও নিয়মিত ক্ষতি করে।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: খরচের প্রায় পুরোটাই দানাদার খাবার — গম, ভুট্টা, ছোলা, বাদাম। এগুলোর দাম বাড়লে খরচ সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে, কিন্তু কবুতরের দাম তাল মিলিয়ে বাড়ে না। ২০২৫-২৬ সালে ছোলার খুচরা দর ছিল ৳১০০–১১০ কেজি; খাবারের এক-চতুর্থাংশও যদি কেনা দানায় হয়, তবু মাসের হিসাবে বড় অঙ্ক।
- মাঝারিচাহিদা: দামি কবুতরের বাজারটা শখের বাজার। টুর্নামেন্টের পর দাম বাড়ে, আবার আগ্রহ কমলে পড়ে যায় — এক লাখ টাকার জোড়ার কোনো নির্ধারিত দর নেই, যে দিন ক্রেতা নেই সে দিন দামও নেই। মাংসের জন্য যাঁরা কেনেন তাঁদের দর অনেক কম, তাই দামি জাতে বেশি পুঁজি আটকে ফেলা ঝুঁকি।
- মাঝারিচলতি মূলধন: খাবারের টাকা প্রতি মাসে আগে দিতে হয়, কিন্তু বিক্রি হয় হাটের দিনে আর তা-ও ক্রেতা পেলে। ৪০০ কবুতরে মাসে ৳২০,০০০ খরচ বাঁধা — এক মাস বিক্রি না হলে সেই টাকাটা ঘর থেকেই দিতে হয়, আর খাবার কমালে পাখির স্বাস্থ্য ও দাম দুটোই পড়ে যায়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
দুই জোড়া শখের কবুতর থেকে ৭০০ কবুতর, মাসে ৭০–৮০ হাজার টাকা
ক্লাস নাইনে ৫,০০০ টাকায় স্টেশনারি দোকান, ২০১৪ সালে শখে দুই জোড়া কবুতর। এখন ২০ জাতের প্রায় ৭০০ কবুতর, বাজারদরে ৮–৯ লাখ টাকা; পাখি আর দুই দোকান মিলিয়ে মাসে ৭০–৮০ হাজার টাকা।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো মান
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারবাঁশ চাষ
ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
কৃষি ও খামারঔষধি গাছ চাষ
বাসক, কালোমেঘ, তুলসী ও অর্জুনের চাষ। ক্রেতা ওষুধ কোম্পানি, তাই দাম চুক্তি বা দরপত্রে ঠিক হয় — বিঘায় কালোমেঘে ৳১৫,০০০ খরচে ২০–২২ মণ, মণ ৳২,৪০০।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
কৃষি ও খামারচরের কৃষি ও বাদাম চাষ
নদীর চরে বাদাম, ভুট্টা ও মিষ্টিকুমড়ার চাষ। জমি প্রায় বিনা পয়সায়; ২৫ শতকে ৳১৬,০০০ খরচে ৳২৬,৪০০ ওঠে, একরে খরচ ৳৬৫,০০০ আর বিক্রি ৳১,৩৭,০০০।
- পুঁজি
- ৳১৬ হাজার – ৳৬৫ হাজার
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১০০ – ১২০ দিন
কৃষি ও খামারতুলা চাষ
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ঠিক করা দরে বেচতে হয় — ২০২৫-২৬ মৌসুমে বীজতুলা মণপ্রতি ৳৩,৯০০। দেশের গড় ফলনে বিঘায় প্রায় ৭.৬ মণ, মানে ছয়-সাত মাসে বিঘায় ৳৩০,০০০-এর মতো।
- পুঁজি
- ৳১৬ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫০ – ২৪০ দিন
