মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মডেল ফার্মেসি

ঔষধ প্রশাসনের স্বীকৃত ফার্মেসি। ৩০০ বর্গফুট, শীতাতপ, ঔষধের ফ্রিজ আর একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক; ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মডেল ফার্মেসি

মডেল ফার্মেসি

শুরুর পুঁজি
৳৫,০০,০০০ – ৳২৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
৪৫ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১২ – ১৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের স্বীকৃতি নিয়ে চালানো ঔষধের দোকান। সাধারণ ফার্মেসির সঙ্গে এর পার্থক্য কাগজে নয়, দোকানের ভেতরেই দেখা যায়। মডেল ফার্মেসি হতে হলে দোকানের মেঝে কমপক্ষে ৩০০ বর্গফুট হতে হবে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে, ঔষধ রাখার আলাদা ফ্রিজ থাকতে হবে, আর একজন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা এ-গ্রেড ফার্মাসিস্টকে দোকানে থেকে ঔষধ দিতে হবে। ছোট মাপের স্বীকৃতি হলো মডেল মেডিসিন শপ — সেখানে ১২০ বর্গফুট আর অন্তত একজন সি-গ্রেড ফার্মেসি টেকনিশিয়ান লাগে। এ দুটোর আগে সবচেয়ে বড় শর্ত একটাই: বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স। ঔষধ ও কসমেটিকস আইন ২০২৩ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ বিক্রি, মজুত, বিতরণ বা বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা — কোনোটাই করা যাবে না, ইন্টারনেটে বিক্রিও নয়। লাইসেন্সের মেয়াদ দুই বছর, আর মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের ভেতর নবায়নের আবেদন করতে হয়। স্বীকৃতির সনদও দুই বছর পর নবায়ন করতে হয়। দাম বাড়িয়ে বিক্রির সুযোগ নেই — সরকার গেজেটে যেসব ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দেয়, তার বেশি নেওয়া আইনত নিষিদ্ধ। তাই এ ব্যবসায় আয় বাড়ানোর পথ একটাই: বেশি মানুষ যেন আসে, আর মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধে যেন টাকা না মরে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,৮০,০০০ – ৳১১,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৫০ – ৳৪৫০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৩২ – ৳৩৮৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১২% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪৫ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১২ – ১৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৩%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৮০ – ২০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ঔষধ রাখার মানসম্মত ফ্রিজ (বাইরে তাপমাত্রা দেখার ব্যবস্থাসহ), মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধের আলাদা বিন, কম্পিউটার ও ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (মডেল ফার্মেসিতে বাধ্যতামূলক), আর কর্মীদের নির্ধারিত রঙের অ্যাপ্রন — এ-গ্রেড সাদা, বি-গ্রেড আকাশি, সি-গ্রেড গোলাপি।যন্ত্রপাতি
  • অনুমোদিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে কেনা ঔষধ, লট ও মেয়াদের হিসাবসহ। সরকার গেজেটে যেসব ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দেয়, তার বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না।শুরুর মাল
  • মডেল ফার্মেসি / মডেল মেডিসিন শপ স্বীকৃতি সনদ — ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ইস্যু করেন। সনদের মেয়াদ ২ বছর, তারপর নবায়নযোগ্য। স্বীকৃতির তিনটি মৌলিক শর্ত: হালনাগাদ বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স, ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের হালনাগাদ নিবন্ধিত ফার্মেসি পেশাজীবী, আর মডেল মেডিসিন শপের জন্য ১২০ ও মডেল ফার্মেসির জন্য ৩০০ বর্গফুট মেঝে।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
  • খুচরা ড্রাগ লাইসেন্স — ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ)। ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ বিক্রি, মজুত, বিতরণ বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা যাবে না, ইন্টারনেট বা ওয়েবের মাধ্যমেও নয়। মেয়াদ ইস্যুর তারিখ থেকে ২ বছর; মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ৯০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে হবে। লাইসেন্স ও নবায়ন ফি বিধি দ্বারা নির্ধারিত এবং সরকার গেজেটে পুনঃনির্ধারণ করতে পারে।লাইসেন্স
  • নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট — এটি ছাড় দেওয়ার মতো শর্ত নয়। মডেল ফার্মেসিতে অনার্স বা তার উপরে ডিগ্রিধারী একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্টকে দোকানে উপস্থিত থেকে ব্যবস্থাপত্রের ঔষধ দিতে হবে ও পরামর্শ দিতে হবে; বি বা সি গ্রেডের কর্মী তাঁর তত্ত্বাবধানে সহায়তা করতে পারেন। মডেল মেডিসিন শপে অন্তত একজন সি-গ্রেড ফার্মেসি টেকনিশিয়ান লাগবে।দক্ষতা
  • মডেল ফার্মেসির জন্য কমপক্ষে ৩০০ বর্গফুট মেঝে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ঘরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মাপার হাইগ্রো-থার্মোমিটার। মডেল মেডিসিন শপের জন্য কমপক্ষে ১২০ বর্গফুট।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ঠিক করুন কোন স্তরে যাবেন — মডেল ফার্মেসি না মডেল মেডিসিন শপ। মডেল ফার্মেসির জন্য অন্তত ৩০০ বর্গফুট আর এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট লাগবে; মডেল মেডিসিন শপের জন্য ১২০ বর্গফুট আর অন্তত সি-গ্রেড ফার্মেসি টেকনিশিয়ান।
  2. 2ফার্মাসিস্ট ঠিক করুন — এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত এবং সবচেয়ে বেশি ভুল হওয়া জায়গা। ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের নিবন্ধন সনদ হালনাগাদ থাকতে হবে, আর মডেল ফার্মেসিতে এ-গ্রেড ফার্মাসিস্টকে দোকানে উপস্থিত থেকে ব্যবস্থাপত্রের ঔষধ দিতে হবে।
  3. 3দোকানের জায়গা নিন। মাপ ছাড়াও দরকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, ঔষধ রাখার আলাদা ফ্রিজ যাতে বাইরে থেকে তাপমাত্রা দেখা যায়, আর ঘরের তাপ-আর্দ্রতা মাপার হাইগ্রো-থার্মোমিটার।
  4. 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং তাতে ঔষধ বিক্রির কথা স্পষ্ট করে লেখান।
  5. 5ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনলাইন ব্যবস্থা (এডিএলআরএস) দিয়ে খুচরা ড্রাগ লাইসেন্সের আবেদন করুন। কর্তৃপক্ষ দোকান পরিদর্শন করে উপযুক্ত মনে করলেই লাইসেন্স দেবে।
  6. 6লাইসেন্স পাওয়ার পর স্বীকৃতির প্রক্রিয়ায় ঢুকুন। স্থানীয় ঔষধ প্রশাসন কার্যালয় আগে প্রাক-যাচাই করবে, তারপর বিক্রয়কর্মীদের প্রশিক্ষণ, তারপর দোকান ঠিক করার জন্য এক বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।
  7. 7কম্পিউটার বসান আর ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার চালু করুন — মডেল ফার্মেসিতে এটি বাধ্যতামূলক। কেনা, বিক্রি, মজুত আর মেয়াদ শেষের তারিখ এতেই ধরা পড়ে।
  8. 8মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধের জন্য আলাদা বিন রাখুন আর কর্মীদের নির্ধারিত অ্যাপ্রন দিন — এ-গ্রেডের সাদা, বি-গ্রেডের আকাশি, সি-গ্রেডের গোলাপি। পরিদর্শনে এগুলো দেখা হয়।
  9. 9সরকার গেজেটে যেসব ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দিয়েছে তার তালিকা রাখুন। এর বেশি দামে বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ।
  10. 10মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের ভেতর লাইসেন্স নবায়নের আবেদন দিন, আর দুই বছর পরপর স্বীকৃতির সনদও নবায়ন করুন। তারিখ দুটো দেয়ালে লিখে রাখুন।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে ঔষধের বাজার বড়; স্বীকৃত ফার্মেসির প্রথম দিকের অনুমোদনগুলো এখানেই দেওয়া হয়েছিল।
  • খুব উপযোগীঢাকা · হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও ডাক্তারের চেম্বারের সবচেয়ে বড় ঘনত্ব, আর ফার্মেসি স্নাতকও এখানেই সবচেয়ে সহজে পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার শ্রমিকদের ঘন বসতি আর সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি হওয়ায় পাড়ার ফার্মেসিতেই বেশির ভাগ মানুষ যায়।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও ঢাকার পরিবেশকদের কাছে থাকায় সরবরাহ দ্রুত, ঔষধ আনতে দেরি হয় না।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের চিকিৎসা ও বাণিজ্যকেন্দ্র; বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা বেশি।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়ক ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে চাহিদা, তবে এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট পাওয়া ঢাকার চেয়ে কঠিন।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও আশপাশের জেলা থেকে আসা রোগীর চাপ আছে।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে রোগীর ভিড়, আর আশপাশের জেলা থেকেও মানুষ আসে।
  • সম্ভবরাজশাহী · মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থাকায় ফার্মেসি স্নাতক পাওয়া তুলনামূলক সহজ — এই ব্যবসার সবচেয়ে কঠিন শর্তটাই এখানে সহজ হয়।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, ব্র্যান্ডেড ও দামি ঔষধ বিক্রি তুলনামূলক ভালো।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ফার্মাসিস্ট ছাড়া দোকান চালানোই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ফাঁদ। স্বীকৃতির শর্ত হলো নিবন্ধিত ফার্মেসি পেশাজীবী দোকানে থেকে ঔষধ দেবেন, আর মডেল ফার্মেসিতে সেটি এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট। বেতন দিতে না পেরে অনেকে নামে ফার্মাসিস্ট রেখে কাজ চালান; পরিদর্শনে ধরা পড়লে স্বীকৃতি যায়, আর লাইসেন্সও প্রশ্নের মুখে পড়ে। ৩০০ বর্গফুট ঘর ভাড়া আর একজন স্নাতক ফার্মাসিস্টের বেতন — এই দুটোই মাসের খরচের বড় অংশ, এবং দুটোর কোনোটাই কমানো যায় না।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্সের মেয়াদ মাত্র দুই বছর, আর নবায়নের আবেদন করতে হয় মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ৯০ দিন আগে। সেই জানালা হাতছাড়া হলে দোকান কাগজে-কলমে লাইসেন্সহীন হয়ে যায়, অথচ ঔষধ তাকেই সাজানো থাকে — আর লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ মজুত বা প্রদর্শন করাই আইনে অপরাধ। স্বীকৃতির সনদও আলাদাভাবে দুই বছর পরপর নবায়ন করতে হয়, তাই দুটো তারিখ আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
  • বেশিচলতি মূলধন: লাভ তাকে সাজানো ঔষধের ভেতর আটকে থাকে। একটা ফার্মেসিকে শত শত পদ রাখতে হয়, যার বেশির ভাগ মাসে দু-একবার বিক্রি হয়; অথচ না রাখলে রোগী পাশের দোকানে চলে যায়। যা বিক্রি হলো না তা মেয়াদ শেষে পুরোটাই ক্ষতি — এই কারণেই নিয়মে আলাদা মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধের বিন রাখতে বলা হয়েছে। নতুন দোকানে প্রথম বছর এই ক্ষতি সবচেয়ে বেশি, কারণ কোন ঔষধ কত চলে তা তখনো জানা হয়নি।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: দাম বাড়িয়ে পুষিয়ে নেওয়ার পথ বন্ধ। সরকার গেজেটে যেসব ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দেয়, তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ। ফলে দোকানির হাতে কত থাকবে তা ঠিক করে কোম্পানি ও পরিবেশক — তাঁদের দেওয়া ট্রেড প্রাইসই আপনার লাভের সীমা। বাড়িভাড়া বা বেতন বাড়লে সেটা দামে চাপানো যায় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ফলের পাইকারি আড়ত

ট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানে বিক্রি। বাদামতলীতে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটির ফল বিক্রি হয়, আর ক্যারেট খুললে ২৫–৩৩ শতাংশ পর্যন্ত পচা বেরোয়।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳৪০ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা

ফার্মেসিতে ওষুধ সরবরাহের পাইকারি ব্যবসা। ডিজিডিএ-র আলাদা লাইসেন্স লাগে — নতুন ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ দুই বছর; তবে ফার্মাসিস্ট রাখতে হয় না।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৪২ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কৃষি যন্ত্রপাতির দোকান

পাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৭৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

তার, সুইচ, সকেট, হোল্ডার, বাতি ও ফ্যানের খুচরা দোকান। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ৫০টিই বৈদ্যুতিক — সনদহীন তার বেচলে জরিমানা আর দোকান সিলগালা হয়।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান