মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা

ফার্মেসিতে ওষুধ সরবরাহের পাইকারি ব্যবসা। ডিজিডিএ-র আলাদা লাইসেন্স লাগে — নতুন ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ দুই বছর; তবে ফার্মাসিস্ট রাখতে হয় না।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ওষুধের পাইকারি ব্যবসা

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা

শুরুর পুঁজি
৳৫,০০,০০০ – ৳৫০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম বিক্রি
৪২ – ১২০ দিন
সরকারি সূত্র
খরচ উঠতে
১০ – ২০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা খুচরা ফার্মেসি নয়, আর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর দুটোকে আলাদা লাইসেন্স দেয়। পাইকারি ঔষধ বিক্রয়ের নতুন লাইসেন্স ফি ৳১০,০০০ আর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, সময় ৩০ কার্যদিবস; নবায়ন ফি ৳৫,০০০ আর ভ্যাট, সময় ১৫ কার্যদিবস। খুচরার তুলনায় ফি অনেক বেশি — মডেল ফার্মেসির লাইসেন্স পৌরসভা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৳২,৫০০, ইউনিয়নে ৳১,৫০০। কিন্তু একটা বড় সুবিধা আছে। ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩-এর ৪৫(৪) ধারা স্পষ্ট বলছে, পাইকারিভাবে ঔষধ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট বা ফার্মেসী টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানের প্রয়োজন হবে না — অথচ খুচরায় লাগে, আর মডেল ফার্মেসিতে লাগে 'এ' গ্রেড ফার্মাসিস্ট ও ৩০০ বর্গফুট, মেডিসিন শপে 'বি' বা 'সি' গ্রেড টেকনিশিয়ান ও ১২০ বর্গফুট। লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বছর নয়, দুই বছর — ১৫(১) ধারা। আর মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ৯০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে হয়। লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ বিক্রয়, মজুত, বিতরণ বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করলে আইনের তফসিল অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা, বা দুটোই। পাইকারি লাইসেন্সের আবেদনে যা অনেকে জানে না, তা হলো ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ লাগে — অর্থাৎ হাতে টাকা আছে তা কাগজে প্রমাণ করতে হয়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৪,৫০,০০০ – ৳৪৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩,০০০ – ৳৮,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳২,৮৮০ – ৳৭,৫২০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৪% – ৬%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪২ – ১২০ দিনসরকারি সূত্র
খরচ উঠে আসার সময়১০ – ২০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৩%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৬০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ওষুধের মজুত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের জন্য আলাদা জায়গা। ৪০(খ) ধারা অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি, মজুত বা প্রদর্শন অপরাধ।শুরুর মাল
  • পাইকারী ঔষধ বিক্রয়ের লাইসেন্স — ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। নতুন লাইসেন্স ফি ৳১০,০০০ + ১৫% ভ্যাট, সময় ৩০ কার্যদিবস; নবায়ন ৳৫,০০০ + ভ্যাট, সময় ১৫ কার্যদিবস। মেয়াদ ২ বছর (ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৫(১)), নবায়নের আবেদন মেয়াদ শেষের অনধিক ৯০ দিন আগে। আবেদন ১৯৪৬ সালের বেঙ্গল ড্রাগ রুলসের ফরম-৭-এ।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা, গুদাম বা ডিপোর নামে হালনাগাদ থাকতে হবে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • ফার্মাসিস্ট লাগে না — ৪৫(৪) ধারায় পাইকারি বিক্রয়ে ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট বা ফার্মেসী টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধান লাগবে না বলা আছে। তবে ব্যাচ নম্বর, মেয়াদ, সংরক্ষণ তাপমাত্রা ও নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ের কাজ জানতে হবে।দক্ষতা
  • উৎপাদক বা আমদানিকারক। উৎপাদকের ডিপো লাইসেন্সের জন্য চলমান উৎপাদন লাইসেন্সের কপি, আমদানির ক্ষেত্রে আইআরসি ও পণ্য নিবন্ধন সনদ, আর চুক্তিভিত্তিক মজুত/সরবরাহের জন্য ৳৩০০ স্ট্যাম্পে চুক্তি লাগে।সরবরাহকারী
  • গুদাম বা ডিপো, ভাড়ার চুক্তি ৳৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে (বা মালিকানার কাগজ)। ডিজিডিএ প্রিমিসেস পরিদর্শন করে তবেই লাইসেন্স দেয়। খুচরার মতো ন্যূনতম আয়তনের কোনো শর্ত পাইকারির জন্য প্রকাশিত নথিতে নেই।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1খুচরা না পাইকারি — আগে ঠিক করুন। ডিজিডিএ দুটোকে আলাদা লাইসেন্স দেয়, ফি আলাদা, শর্তও আলাদা। পাইকারিতে ফার্মাসিস্ট লাগে না, কিন্তু ফি চার গুণ বেশি।
  2. 2গুদাম বা ডিপোর জায়গা ঠিক করুন এবং ভাড়ার চুক্তি ৳৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে করুন। নিজের জায়গা হলে মালিকানার কাগজ লাগবে।
  3. 3গুদামের নামে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স নিন — ডিজিডিএ-র আবেদনে এটি বাধ্যতামূলক কাগজ।
  4. 4ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ নিন। পাইকারি লাইসেন্সের কাগজের তালিকায় এটি আছে অথচ খুচরায় নেই — টাকার সামর্থ্য কাগজে প্রমাণ করতেই হবে।
  5. 5ট্রেজারি চালানে ৳১০,০০০ ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট জমা দিন। লাইসেন্স ফির কোড ১-২৭১৫-০০০০-১৮৬৩ এবং ভ্যাটের কোড ১-১-১১৩৩-০০১৫-০৩১১।
  6. 6১৯৪৬ সালের বেঙ্গল ড্রাগ রুলসের ফরম-৭-এ আবেদন করুন, সঙ্গে মালিক বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জাতীয় পরিচয়পত্র। উৎপাদকের ডিপো হলে উৎপাদন লাইসেন্সের কপি, আমদানিকারক হলে আইআরসি-র কপি লাগবে।
  7. 7প্রিমিসেস পরিদর্শনের জন্য গুদাম প্রস্তুত রাখুন। ১৬(১) ধারা অনুযায়ী পরিদর্শনের পর কেবল উপযুক্ত প্রিমিসেসের অনুকূলেই লাইসেন্স দেওয়া হয়।
  8. 8সরবরাহের চুক্তি করুন উৎপাদক বা আমদানিকারকের সঙ্গে। চুক্তিভিত্তিক মজুত বা সরবরাহের ক্ষেত্রে ডিজিডিএ ৳৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি এবং উৎপাদকের লাইসেন্স বা আমদানিকারকের পণ্য নিবন্ধন সনদ চায়।
  9. 9মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের জন্য আলাদা জায়গা রাখুন এবং তা কখনো বিক্রি বা প্রদর্শন করবেন না। ৪০(খ) ধারায় মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি, মজুত বা প্রদর্শন অপরাধ — অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
  10. 10ফিজিশিয়ান স্যাম্পল কখনো বিক্রির তালিকায় আনবেন না — ৪০(গ) ধারায় এটি অপরাধ, জরিমানা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অ্যান্টিবায়োটিক নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া হাতবদল করা যায় না।
  11. 11নবায়নের তারিখ ক্যালেন্ডারে লিখে রাখুন। লাইসেন্সের মেয়াদ দুই বছর, আর মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ৯০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে হবে — নবায়ন ফি ৳৫,০০০ ও ভ্যাট, সময় ১৫ কার্যদিবস।
  12. 12পরিদর্শক এলে গুদাম খুলে দিন। ৪৯ ধারায় মজুত, বিক্রয় ও বিতরণের স্থানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে নির্দেশ পেলে তা খুলে দিতে হয়, আর বাধা দিলে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের ওষুধ বিতরণের কেন্দ্র; রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বড় অংশ এখান থেকে মাল নেয়।
  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর ও আমদানির কেন্দ্র; আমদানি করা ওষুধ ও কাঁচামালের প্রথম হাতবদল এখানেই হয়।
  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · মহাসড়কঘেঁষা অবস্থান, আর আশপাশের জেলার ফার্মেসিতে সরবরাহ করা সহজ।
  • খুব উপযোগীঢাকা · মিটফোর্ড দেশের প্রধান ওষুধের পাইকারি বাজার, আর প্রায় সব কোম্পানির প্রধান ডিপো ও ডিজিডিএ-র সদর দপ্তর এখানেই।
  • সম্ভবযশোর · সীমান্ত বাণিজ্য ও আঞ্চলিক বিতরণ — দুটোরই সুযোগ আছে।
  • সম্ভবখুলনা · দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিতরণকেন্দ্র; সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও যশোরে সরবরাহ যায়।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর ও মেডিকেল কলেজকেন্দ্রিক বাজার; আশপাশের উপজেলায় সরবরাহের সুযোগ আছে।
  • সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহর, তবে ক্রয়ক্ষমতা কম বলে বাকির চাপ বেশি।
  • সম্ভবসিলেট · বিভাগীয় শহর, কোম্পানির ডিপো আছে আর চা-বাগান ও উপজেলার ফার্মেসিতে সরবরাহের বাজার আছে।
  • কম উপযোগীবান্দরবান · ফার্মেসির সংখ্যা কম, দূরত্ব বেশি আর পরিবহন খরচে পাইকারি মার্জিন উঠে আসে না।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া বা শর্ত ভেঙে ব্যবসা করলে শাস্তি কঠিন। ১৪(১) ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শর্ত বহির্ভূতভাবে ঔষধ বিক্রয়, মজুত, বিতরণ বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন নিষিদ্ধ, আর আইনের তফসিলে এর শাস্তি অনধিক ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়। ৫৬ ধারায় একই অপরাধ আবার করলে সর্বোচ্চ দণ্ড দ্বিগুণ। ইন্টারনেটে লাইসেন্স ছাড়া বিক্রিও ১৪(২) ধারায় একইভাবে নিষিদ্ধ।
  • বেশিচলতি মূলধন: টাকা আগে দেখাতে হয়, তারপর টাকা আটকে থাকে। পাইকারি লাইসেন্সের আবেদনেই ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ চাওয়া হয়, অর্থাৎ শুরুতেই হাতে টাকা থাকার প্রমাণ লাগে। তারপর ব্যবসাটাই এমন — কোম্পানিকে আগে টাকা দিয়ে মাল তুলতে হয়, আর ফার্মেসি টাকা দেয় পরের দফার মাল নেওয়ার সময়। মাঝখানে পুরো মজুতটাই আপনার টাকায় দাঁড়িয়ে থাকে।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: মেয়াদ শেষ হওয়া মজুত পুরোটাই ক্ষতি, আর তা বিক্রি করাও অপরাধ। ৪০(খ) ধারায় মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি, মজুত বা প্রদর্শনে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। তাই ফেরত-নীতি ছাড়া কোনো কোম্পানির মাল বেশি তোলা মানে সরাসরি ঝুঁকি নেওয়া।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: দুই বছরের মেয়াদ সহজেই হাতছাড়া হয়। ১৫(১) ধারায় লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর, আর ১৫(২) ধারায় মেয়াদ শেষের অনধিক ৯০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে হয়। অনেকে তিন বছর ভেবে বসে থাকেন। মেয়াদ পেরিয়ে গেলে আইনের চোখে লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা, আর সরকার গেজেটে বিলম্ব ফি নির্ধারণ করতে পারে — সেই অঙ্ক এখনো প্রকাশিত হয়নি।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: উৎপাদক ও পরিবেশকের উপর নির্ভরতা প্রায় সম্পূর্ণ। কোন ওষুধ কত দামে, কত বাকিতে আর কী শর্তে পাওয়া যাবে তা ঠিক করে কোম্পানি। আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্য নিবন্ধন সনদ ছাড়া মাল নেওয়া যায় না, আর সরবরাহ বন্ধ হলে সেই ওষুধের খদ্দেরও চলে যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ফলের পাইকারি আড়ত

ট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানে বিক্রি। বাদামতলীতে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটির ফল বিক্রি হয়, আর ক্যারেট খুললে ২৫–৩৩ শতাংশ পর্যন্ত পচা বেরোয়।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳৪০ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

মডেল ফার্মেসি

ঔষধ প্রশাসনের স্বীকৃত ফার্মেসি। ৩০০ বর্গফুট, শীতাতপ, ঔষধের ফ্রিজ আর একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক; ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
২ – ৫ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কৃষি যন্ত্রপাতির দোকান

পাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৭৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

তার, সুইচ, সকেট, হোল্ডার, বাতি ও ফ্যানের খুচরা দোকান। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ৫০টিই বৈদ্যুতিক — সনদহীন তার বেচলে জরিমানা আর দোকান সিলগালা হয়।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান