পাথর ও বালু ব্যবসা
নদী থেকে ওঠা পাথর-বালু কিনে নির্মাণের বাজারে বিক্রি। পঞ্চগড়ে ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর ৳৮,০০০, আর ঢাকায় দেশি থ্রি-ফোর পাথর ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ — মাঝখানের পুরোটাই ট্রাকভাড়া আর ইজারার মাশুল।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

পাথর ও বালু ব্যবসা
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৩৬৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৬ – ১৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
নদী বা বালুমহাল থেকে ওঠা পাথর আর বালু কিনে ট্রাকে তুলে নির্মাণের বাজারে বিক্রি করা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া দেশের পাথরের ঘাঁটি — জেলায় সরকারের ইজারা দেওয়া পাথরমহাল ১৯টি, সবই নদ-নদীতে। হাত বদলায় চার ধাপে। শ্রমিকদের দল জাখলা-ডোঙা দিয়ে নদ থেকে পাথর তোলে আর ট্রাক্টর হিসেবে বেচে; ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বালাবাড়ি এলাকায় ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর বিক্রি হচ্ছিল ৳৮,০০০ টাকায়। তার মধ্যে ৳১,০০০ যায় নদে ডোবা জমির মালিকের কাছে, আর দিনের শেষে ১৯ জন শ্রমিকের একেকজনের ভাগে পড়ে সর্বোচ্চ ৳৬০০। সেই পাথর কেনেন এলাকার ছোট ব্যবসায়ী বা মহাজন, তাঁর কাছ থেকে কেনেন ক্রাশার মালিক, আর সবশেষে দেশের নানা জেলা থেকে আসা বড় ব্যবসায়ীরা ভাঙা পাথর নিয়ে যান। ইজারাদারেরা ট্রাক থেকে মাশুল তোলেন — ১০ চাকার ট্রাকে ৳৫০০, ৬ চাকায় ৳৩০০। ২৮ জুন ২০২৬-এ ঢাকার বাজারে দেশি থ্রি-ফোর পাথর ছিল ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ আর ভুটানি পাথর ৳১৩০–১৪০; সিলেকশন বালু ৳১৭–২৭, সিলেটের লাল বালু ৳৩৭–৪৫, ভরাট বালু ৳৮–১২। দূরত্বই এখানে দাম ঠিক করে — পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আনার ট্রাকভাড়াই সবচেয়ে বড় খরচ। আর আইনটা কড়া। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজার দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বালু তোলাই নিষিদ্ধ, সেতু-বাঁধ-সড়ক-রেললাইনের কাছে বা বসতি এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে তোলা যাবে না, আর ভাঙলে দুই বছর পর্যন্ত জেল, ৳৫০ হাজার থেকে ৳১০ লাখ জরিমানা, আর ড্রেজার ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২,৪০,০০০ – ৳৪,৮০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮ – ৳১৪০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬ – ৳১২৬ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১০% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৩৬৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ১৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২ – ২০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ট্রাক্টর ও ট্রাক (নিজের বা ভাড়ায়), মাপার ফিতা ও ঘনফুটের হিসাব, আর সনাতন উত্তোলনে জাখলা, ডোঙা ও লোহার জাল। পাথর তোলার জন্য কোনো যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।যন্ত্রপাতি
- বালুমহালের ইজারা — জেলা প্রশাসক। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬২ নং আইন, ২০২৩ সনের ৩৫ নং আইন দ্বারা সংশোধিত) এর ধারা ১৩ অনুযায়ী ইজারার মেয়াদ এক বছর, ১ বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র। ধারা ১০ অনুযায়ী সরকার ইজারা মূল্যের অতিরিক্ত জামানত নিতে পারে, শর্ত ভাঙলে তা বাজেয়াপ্ত হয়, আর ছয় মাস অন্তর ডিজিটাল জরিপ বা সিসি ক্যামেরা বসানোর শর্তও দিতে পারে। ইজারা মূল্য মহালভেদে আলাদা এবং বিজ্ঞপ্তিতে বলা থাকে।লাইসেন্স
- টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ঠিকাদার, ডেভেলপার ও সরকারি প্রকল্পে সরবরাহ করে বিল তুলতে হলে এ দুটি ছাড়া চলে না।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি।লাইসেন্স
- চোখে দেখে ঘনফুট আন্দাজ করা, পাথরের মাপ ও মান চেনা, আর ট্রাকভাড়া ধরে শেষ দাম হিসাব করা। ভুল মাপে কিনলে পুরো চালানে লোকসান।দক্ষতা
- ইজারাদার বা পাথরমহালের শ্রমিক দল, আর ভাঙা পাথরের জন্য ক্রাশার মালিক। পঞ্চগড়ে ইজারাদারদের ছয়টি সংগঠনের মোর্চা ‘জেলা পাথর বালি যৌথ ফেডারেশন’ মাশুল আদায় নিয়ন্ত্রণ করে।সরবরাহকারী
- মাল রাখার গদি বা ইয়ার্ড, ট্রাক ঢোকা-বেরোনোর জায়গাসহ। মহাসড়কের উপর স্তূপ করলে হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক বিভাগের ঝামেলা হয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি কোন ধাপে থাকবেন — ইজারাদার, উত্তোলনের জায়গার মহাজন, ক্রাশার মালিক, নাকি শহরে গদি দিয়ে বিক্রি করবেন। চারটির টাকা, ঝুঁকি আর কাগজ আলাদা।
- 2জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে বালুমহাল ও পাথরমহালের তালিকা, ইজারার বিজ্ঞপ্তি ও সরকারি ইজারা মূল্য দেখে নিন। ইজারা দেওয়া হয় এক বছরের জন্য, ১ বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র।
- 3যে জায়গা থেকে মাল তুলবেন সেটা আইনে নিষিদ্ধ কি না নিজে যাচাই করুন। সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাছে এবং বসতি এলাকা থেকে অন্তত এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু-মাটি তোলা যাবে না।
- 4ভূ-গর্ভস্থ বালু তোলার কথা মাথা থেকে বাদ দিন — পাম্প, ড্রেজিং বা অন্য যেকোনো উপায়ে ভূ-গর্ভ থেকে বালু বা মাটি তোলা পুরোপুরি নিষিদ্ধ, আর বাল্কহেড বা বলগেট ড্রেজারও চলবে না।
- 5সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করে নিন — ঠিকাদার ও সরকারি প্রকল্পে বিল তুলতে এগুলো লাগে।
- 6মালামাল রাখার গদি বা ইয়ার্ড ঠিক করুন, আর তা যেন মহাসড়কের উপর না পড়ে। পঞ্চগড়ে বাংলাবান্ধা মহাসড়কের দুই ধারে স্তূপ করে রাখা নিয়ে অভিযোগ ও অভিযান দুটোই চলছে।
- 7ট্রাক ও ট্রাক্টরের ব্যবস্থা করুন এবং ভাড়া আগে থেকে ঠিক করে নিন। দূর থেকে আনলে ভাড়াই দামের সবচেয়ে বড় অংশ, আর পরিবহনের সিন্ডিকেট আছে।
- 8ইজারাদারের মাশুল হিসাবে ধরে রাখুন। তেঁতুলিয়ায় ইজারাদারেরা ১০ চাকার ট্রাকপ্রতি ৳৫০০ ও ৬ চাকার ট্রাকপ্রতি ৳৩০০ নেন, আর ইজারা এলাকার বাইরে থেকে তোলা মালেও তাঁরা টাকা নেন।
- 9ক্রেতা ঠিক করুন — ক্রাশার মালিক, ঠিকাদার, ডেভেলপার, ইটভাটা বা ব্লক কারখানা। মাপ ও মানভেদে দাম আলাদা, তাই কোন সাইজের পাথর কার লাগে তা আগে জেনে নিন।
- 10সরকারি প্রকল্পে সরবরাহ করলে বিলের চক্র আগে বুঝে নিন। ঠিকাদারেরা এখনো চার বছরের পুরোনো সরকারি দরে কাজ করছেন, আর দাম বেড়ে গেলে তাঁরাই মাল নেওয়া কমিয়ে দেন।
- 11প্রতি চালানের কাগজ রাখুন — কোথা থেকে তোলা, কার ইজারা, কোন ট্রাকে গেল। ভ্রাম্যমাণ আদালত ধরলে কাগজই একমাত্র রক্ষা।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীপঞ্চগড় · দেশের পাথরের ঘাঁটি। জেলায় সরকারের ইজারা দেওয়া পাথরমহাল ১৯টি, সবই নদ-নদীতে; তেঁতুলিয়া ও সদরে হাজারো শ্রমিক পাথর তোলেন আর বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় মহাসড়কের দুই ধারে বালু-পাথরের স্তূপ।
- খুব উপযোগীসুনামগঞ্জ · যাদুকাটাসহ সীমান্তের নদীগুলো থেকে বালু ও নুড়িপাথর ওঠে; বারকি নৌকার শ্রমিকদের বড় একটা জীবিকা এটাই।
- খুব উপযোগীসিলেট · জাফলং-ভোলাগঞ্জের পাথর এলাকা, আর সিলেটের লাল বালু ঢাকার বাজারে সবচেয়ে দামি — ঘনফুট ৳৩৭–৪৫।
- সম্ভবলালমনিরহাট · পাটগ্রামসহ সীমান্তবর্তী নদী থেকে বালু উত্তোলন হয়, তবে নদী ভাঙনের কারণে বিধিনিষেধ বাড়ছে।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · চা বাগানের ছড়া থেকে বালু তোলা হয়, তবে আইনে ছড়া আলাদা করে উল্লেখ আছে এবং অপরিকল্পিত উত্তোলনে সেতু ঝুঁকিতে পড়ায় কড়াকড়ি বাড়ছে।
- সম্ভবমুন্সীগঞ্জ · নদীপথে ঢাকার নির্মাণ বাজারে বালু সরবরাহের পুরোনো ঘাঁটি; ভরাট বালুর চাহিদা বেশি।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার গায়ে লাগা নদীবন্দর ও গদি এলাকা, বালু-পাথর দুটোরই বড় বাজার।
- সম্ভবনেত্রকোণা · সোমেশ্বরীসহ পাহাড়ি নদীর বালু-নুড়ি, স্থানীয় ও ঢাকার বাজার দুটোতেই যায়।
- সম্ভবনীলফামারী · উত্তরের নদী থেকে বালু ওঠে এবং উত্তরাঞ্চলের নির্মাণকাজে যায়।
- সম্ভবঠাকুরগাঁও · পঞ্চগড়ের লাগোয়া, একই নদীব্যবস্থা ও একই ব্যবসায়ী চক্র; সরবরাহ সহজ কিন্তু মহাল কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: আইন ভাঙলে শাস্তি বড়। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ১৫ ধারায় অনুমতি ছাড়া বা নিষিদ্ধ জায়গা থেকে বালু-মাটি তুললে অনূর্ধ্ব দুই বছরের কারাদণ্ড বা ৳৫০ হাজার থেকে ৳১০ লাখ পর্যন্ত জরিমানা বা দুটোই, আর ওই কাজে ব্যবহৃত ড্রেজার ও বালুবাহী যানবাহন সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়। বিচার হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতে, অর্থাৎ ঘটনাস্থলেই। অপরাধটি আমলযোগ্য।
- বেশিনির্ভরশীলতা: মহালের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে নেই। ২০২০ সালের ১৮ জুন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়ে সারা দেশে পাথরমহাল ইজারা ও পাথর তোলা বন্ধ ঘোষণা করেছিল, আর তেঁতুলিয়ায় প্রায় চার বছর পাথর তোলা বন্ধ ছিল। তখন শ্রমিক ও ব্যবসায়ী দুই পক্ষই জীবিকা হারান। এই খাত সরকারের একটি চিঠিতেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বেশিঅন্যান্য: স্থানীয় দখল ও সংঘাত এখানে স্বাভাবিক ঘটনা। ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ার ভজনপুরে পাথর তোলার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত হন। বোমা মেশিন নিয়ে বারবার অভিযান, মামলা ও পাল্টা আন্দোলন হয়েছে, আর তার পেছনে রাজনীতির হাত থাকার অভিযোগ আছে। যে কেউ এসে বাইরে থেকে এই ব্যবসায় ঢুকতে পারে না।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রি পুরোপুরি নির্মাণকাজের উপর। বর্ষায় নদী ভরা থাকে, উত্তোলনও কমে, আবার নির্মাণও ধীর হয়। দাম হঠাৎ বাড়লে ঠিকাদারেরা কাজ বন্ধ রাখেন — ২০২৬ সালের মার্চে এক সপ্তাহে পাথরের দাম টনে ৳৭০০–৯০০ বাড়ায় খুলনায় অনেকে কাজ থামিয়ে দিয়েছিলেন।
- মাঝারিচলতি মূলধন: মাল কিনতে হয় নগদে, কিন্তু ঠিকাদার ও ডেভেলপারের বিল আসে দেরিতে। এক ট্রাক্টর পাথরই ৳৮,০০০, আর দিনে দুটো কিনলে মাসে প্রায় ৳৪.৮ লাখ আটকে যায়। তার উপর ইজারার মাশুল ও ট্রাকভাড়া আগেই দিতে হয়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবাচ্চাদের পোশাকের দোকান
০–১২ বছরের বাচ্চাদের জামাকাপড়ের খুচরা দোকান। পাঞ্জাবি সেট ৳২৬০–৯৮৫, ফ্রক ৳১৫০–৬৫০। বাচ্চা বড় হয়ে যায় বলে মাল পড়ে থাকে না — বড়দের বুটিকের চেয়ে এটাই বড় সুবিধা।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাস্টেশনারি ও বইয়ের দোকান
খাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাখেলনা ও উপহারের দোকান
খেলনা ও উপহারসামগ্রীর খুচরা দোকান। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনলাইনে খেলনার দাম ৳৫৮ থেকে ৳৩,৮১৫। আমদানি করা খেলনায় সরকারি আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ, আর বিক্রির বড় অংশ ঈদ ও বৈশাখের কয়েকটা সপ্তাহে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবীজ ও ফিড ডিলারশিপ
কৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
