মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

বীজ ও ফিড ডিলারশিপ

কৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
বীজ ও ফিড ডিলারশিপ

বীজ ও ফিড ডিলারশিপ

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳২৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১১ – ৩৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

বাজারের যে দোকান থেকে কৃষক বীজ, সার, কীটনাশক আর মাছ-মুরগির খাবার কেনেন, সেটাই এই ব্যবসা। এখানে দাম আপনি ঠিক করেন না — কোম্পানি আর সরকার ঠিক করে দেয়, আর আপনি পান মাঝখানের নির্দিষ্ট কমিশন। অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এখন ডিলার ইউরিয়া কেনেন ৳২৫, টিএসপি ৳২৫, ডিএপি ৳১৯ আর এমওপি ৳১৮ কেজি দরে; কৃষকের কাছে বিক্রি হয় যথাক্রমে ৳২৭, ৳২৭, ৳২১ আর ৳২০ দরে। অর্থাৎ হাতে থাকে কেজিতে দুই টাকা, বস্তায় একশো টাকা। আগামী ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ডিলারের কেনা দাম এক টাকা করে কমবে, কৃষকের দাম একই থাকবে — তখন কমিশন হবে কেজিতে তিন টাকা। সারের ডিলারশিপ এখন আর সহজ নয়। ১৬ নভেম্বর ২০২৫ থেকে চালু হওয়া নতুন নীতিমালায় জামানত দুই লাখ থেকে বেড়ে চার লাখ টাকা হয়েছে, একজন ডিলারকে তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র চালাতে হয়, নিজের এলাকার বাইরে সার বিক্রি করা যায় না, এক পরিবারে একাধিক ডিলারশিপ নিষিদ্ধ, আর সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতার ব্যবস্থাই তুলে দেওয়া হয়েছে। কেনাবেচার হিসাব ডিজিটালভাবে রাখতে হয় আর কাজ দেখে লাইসেন্স নবায়ন হয় বা বাতিল হয়। বীজ আর মাছ-মুরগির খাবারের দোকান তুলনায় সস্তা — এখানে জামানত নেই, তবে লাইসেন্স আলাদা আলাদা করে নিতে হয়। আসল ঝুঁকি টাকার নয়, বাকির। কৃষক ফসল ওঠার পর টাকা দেন, খামারি মুরগি বিক্রির পর — আর মাঝখানের সেই কয়েক মাস দোকানের টাকা মাঠে পড়ে থাকে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳২,৪০,০০০ – ৳১২,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২০ – ৳২৭ / কেজিসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৮ – ৳২৫ / কেজিসরকারি সূত্র
মোট লাভের হার৭% – ১৫%সরকারি সূত্র
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১১ – ৩৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৪%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩০০ – ৩,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
  • সার ডিলার নিয়োগ — সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা, ২০২৫ (কার্যকর ১৬ নভেম্বর ২০২৫)। জামানত ৳২,০০,০০০ থেকে বেড়ে ৳৪,০০,০০০, নবায়ন ফি ৳১,০০০। এক পরিবারে একাধিক ডিলারশিপ নিষিদ্ধ; সরকারি চাকরিজীবী, জনপ্রতিনিধি ও দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ডিলার হতে পারবেন না। সাব-ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার ব্যবস্থা বাতিল।লাইসেন্স
  • বীজ ডিলার নিবন্ধন — কৃষি মন্ত্রণালয় / কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়, নবায়নযোগ্য। নিবন্ধন ফি ও জামানতের অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • কীটনাশক খুচরা বিক্রয় লাইসেন্স (ফরম নং ১৫) — কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কীটনাশক রাখতে ও বিক্রি করতে এটি লাগে; ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য বিক্রয় লাইসেন্স — মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ অনুযায়ী মৎস্য অধিদপ্তর বা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে। উৎপাদন, আমদানি, বিপণন ও বিক্রয় — সবের জন্য আলাদা শ্রেণি আছে; ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • কেনাবেচার ডিজিটাল হিসাব রাখা নতুন নীতিমালায় বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে বীজের জাত চেনা, মেয়াদ দেখা আর কোন জমিতে কোন সার কতটা লাগে তা কৃষককে বলে দিতে পারা।দক্ষতা
  • সারের বরাদ্দ আসে বিসিআইসি ও বিএডিসির মাধ্যমে; বীজ ও ফিড আসে কোম্পানির এলাকা প্রতিনিধির মাধ্যমে। কমিশন, বাকির মেয়াদ আর ফেরতের শর্ত কোম্পানিই ঠিক করে দেয়।সরবরাহকারী
  • সারের ডিলারকে নীতিমালা অনুযায়ী তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র এবং ৫০ টন ও ১০ টন ধারণক্ষমতার দুটি গুদাম রাখতে হয়। বীজ ও ফিডের জন্য শুকনো, ইঁদুর ও স্যাঁতসেঁতে ভাব থেকে মুক্ত গুদাম দরকার।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন আপনি কী বিক্রি করবেন। বীজ, সার, কীটনাশক আর মাছ-মুরগির খাবার — চারটির লাইসেন্স চারটি আলাদা দপ্তর দেয়, আর সারেরটি সবচেয়ে কঠিন।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে জেনে নিন আপনার ইউনিয়নে সারের ডিলার পদ খালি আছে কি না। খালি পদ জেলা কমিটি ঠিক করে, তাই আগে খবর নিন।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং ব্যবসার ধরন হিসেবে কৃষি উপকরণের কথা লিখিয়ে নিন।
  4. 4বীজ ডিলার হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করুন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে, আর কীটনাশক বিক্রির জন্য খুচরা বিক্রয় লাইসেন্স (ফরম নং ১৫) নিন।
  5. 5মাছ বা পশুর খাবার বিক্রি করতে হলে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ অনুযায়ী বিক্রেতার লাইসেন্স নিন — মৎস্য অধিদপ্তর বা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে।
  6. 6গুদাম ঠিক করুন। সারের ডিলারকে ৫০ টন আর ১০ টনের দুটি গুদাম রাখতে হয়; বীজ ও ফিডের জন্য শুকনো, ইঁদুরমুক্ত জায়গা লাগে।
  7. 7বীজ ও ফিড কোম্পানির এলাকার প্রতিনিধির সঙ্গে বসুন। কত মাল নিলে কত কমিশন, কত দিনের বাকি, ফেরত নেওয়ার নিয়ম কী — সব লিখিতভাবে নিন।
  8. 8কেনাবেচার হিসাব ডিজিটালভাবে রাখুন। নতুন নীতিমালায় এটি বাধ্যতামূলক, আর সরকারি ভর্তুকি ও বিক্রয়মূল্য দোকানে টাঙিয়ে রাখতে হয়।
  9. 9বাকির খাতা আলাদা রাখুন এবং কার কাছে কত পড়ে আছে তা মাসে একবার মিলিয়ে দেখুন। ফসল ওঠার সময়েই টাকা তুলতে হয়, নইলে পরের মৌসুমে গড়িয়ে যায়।
  10. 10মৌসুম শুরুর আগেই মাল তুলে রাখুন। বীজ বপনের সময় এক সপ্তাহ দেরি হলে কৃষক অন্য দোকানে চলে যান, আর সেই মৌসুম আর ফেরে না।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরাঞ্চলের কৃষি বাণিজ্যের কেন্দ্র — আলু ও সবজির বীজ এবং সারের চাহিদা সারা বছর।
  • খুব উপযোগীদিনাজপুর · ধানের ভান্ডার আর বীজ উৎপাদনের এলাকা; বিএডিসির কার্যক্রমও এখানে বেশি।
  • খুব উপযোগীযশোর · ফুল ও সবজির বীজের বড় বাজার, আর চাঁচড়া ঘিরে মাছের রেণু-পোনার দেশের সবচেয়ে বড় কেনাবেচা — সঙ্গে মাছের খাবারও।
  • খুব উপযোগীময়মনসিংহ · দেশের সবচেয়ে বড় মাছ চাষের এলাকা; পুকুর ও ঘেরের সংখ্যাই মাছের খাবারের নিয়মিত চাহিদা তৈরি করে।
  • খুব উপযোগীরংপুর · ধান ও ভুট্টার বড় এলাকা; প্রতি মৌসুমে বীজ ও সারের চাহিদা বড় অঙ্কের।
  • সম্ভবকুমিল্লা · সবজি ও ধানের এলাকা, মহাসড়কের পাশে হওয়ায় কোম্পানির সরবরাহ সহজে পৌঁছায়।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · ধান, গম ও সবজির চাষ বেশি; গরু মোটাতাজাকরণের কারণে পশুখাদ্যের চাহিদাও আছে।
  • সম্ভবনীলফামারী · ভুট্টা ও আলুর এলাকা; ভুট্টার সঙ্গে পশু ও মাছের খাবারের চাহিদাও চলে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ১৬ নভেম্বর ২০২৫ থেকে সারের ডিলারশিপের নিয়ম পাল্টে গেছে। জামানত দ্বিগুণ হয়ে চার লাখ টাকা, তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র বাধ্যতামূলক, নিজের এলাকার বাইরে বিক্রি নিষিদ্ধ, এক পরিবারে একাধিক ডিলারশিপ বন্ধ, আর সাব-ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার পুরো স্তরটাই বাতিল। যাঁরা এত দিন সাব-ডিলার হিসেবে সার বিক্রি করতেন, তাঁদের আইনি ভিত্তিই আর নেই। কাজ দেখে লাইসেন্স নবায়ন হয় বা বাতিল হয়, আর ভুল তথ্য দিলে নিবন্ধন বাতিল।
  • বেশিচলতি মূলধন: লাভের হার সরকার বেঁধে দিয়েছে — কেজিতে দুই টাকা — আর সেটা আপনি বাড়াতে পারবেন না। অথচ চার লাখ টাকা জামানত আটকে থাকে, আর ইউরিয়ার ডিলার দর ৳২৪ ধরে ৫০ টনের গুদাম ভরতে লাগে বারো লাখ টাকা। অর্থাৎ বড় টাকা ঢেলে ছোট কমিশনে চলতে হয়; পরিমাণ না বাড়ালে এই অঙ্ক মেলে না।
  • বেশিবাকিতে বিক্রি: কৃষক বীজ ও সার নেন বপনের সময়, টাকা দেন ফসল ওঠার পর। মুরগির খামারি ফিড নেন বাচ্চা তোলার সময়, টাকা দেন মুরগি বিক্রির পর। মাঝখানের এই কয়েক মাস দোকানের পুরো পুঁজি মাঠে পড়ে থাকে, আর ফসল বা খামার মার খেলে সেই টাকা আর ফেরে না। বাকির গড় মেয়াদ কত, তা এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: আপনার ব্যবসা পুরোটাই বরাদ্দ আর নিয়োগের উপর। সারের বরাদ্দ আসে বিসিআইসি ও বিএডিসির মাধ্যমে, আর ডিলার পদ খালি হলে জেলা কমিটি নতুন লোক বসায়। লাইসেন্স গেলে বা বরাদ্দ কমলে দোকান খোলা থাকলেও বিক্রির মতো মাল থাকে না।
  • মাঝারিচাহিদা: পোলট্রির বড় কোম্পানিগুলো এখন চুক্তিভিত্তিক খামার চালাচ্ছে — বাচ্চা ও খাবার সরাসরি খামারে পৌঁছে দেয় এবং ডিলারের কমিশনের স্তরটাই বাদ দিয়ে দেয়। কাজী ফার্মসের পরিচালক ২০২৩ সালে লিখিতভাবে বলেছেন, আগে ডিলাররা প্রতি বস্তা খাবারে কমিশন ও প্রতি বাচ্চায় লাভ পেতেন, এখন তা বাদ। আপনার এলাকায় চুক্তিভিত্তিক খামার বাড়লে ফিডের বিক্রি কমবে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

পাথর ও বালু ব্যবসা

নদী থেকে ওঠা পাথর-বালু কিনে নির্মাণের বাজারে বিক্রি। পঞ্চগড়ে ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর ৳৮,০০০, আর ঢাকায় দেশি থ্রি-ফোর পাথর ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ — মাঝখানের পুরোটাই ট্রাকভাড়া আর ইজারার মাশুল।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

বাচ্চাদের পোশাকের দোকান

০–১২ বছরের বাচ্চাদের জামাকাপড়ের খুচরা দোকান। পাঞ্জাবি সেট ৳২৬০–৯৮৫, ফ্রক ৳১৫০–৬৫০। বাচ্চা বড় হয়ে যায় বলে মাল পড়ে থাকে না — বড়দের বুটিকের চেয়ে এটাই বড় সুবিধা।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
২০ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

স্টেশনারি ও বইয়ের দোকান

খাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

খেলনা ও উপহারের দোকান

খেলনা ও উপহারসামগ্রীর খুচরা দোকান। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনলাইনে খেলনার দাম ৳৫৮ থেকে ৳৩,৮১৫। আমদানি করা খেলনায় সরকারি আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ, আর বিক্রির বড় অংশ ঈদ ও বৈশাখের কয়েকটা সপ্তাহে।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১৪ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৩ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান