মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান

গরুর দুগ্ধ খামার

গাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
গরুর দুগ্ধ খামার

গরুর দুগ্ধ খামার

শুরুর পুঁজি
৳২,৫০,০০০ – ৳১২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২০ – ৩২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

গাভি পালন করে প্রতিদিন দুধ দোহন আর সেই দুধ সমিতি, কোম্পানি বা খোলা বাজারে বিক্রি — এটাই এই ব্যবসা। দুধের দাম এখন মোটামুটি জানা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খামারিরা বলেছেন, মিল্কভিটা লিটারপ্রতি ৳৪৫–৪৭ দরে দুধ নেয়, আর খোলা বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৳৫৫ পাওয়া যায়। সমিতির সদস্য হলে ওই ৳৪৫–৪৭ দরেই দিতে হয়। খরচের হিসাবটা খামারিরা নিজেরাই দিয়েছেন। শাহজাদপুরের দখলবাড়ির মিজানুর রহমান মিন্টুর খামারে ১০০টি গরু, তার মধ্যে ৪০টি দুধেল গাভি, দৈনিক দুধ প্রায় ৪০০ লিটার, আর খাদ্য-ওষুধ-মজুরি মিলিয়ে দিনে খরচ প্রায় ৳১৩,০০০। অর্থাৎ লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। এই হিসাবেই দাঁড়ায়, মিল্কভিটায় দিলে লিটারে থাকে ৳১২–১৪ আর খোলা বাজারে ৳২২। একটা দুধেল গাভি গড়ে দিনে ৮–১০ লিটার দুধ দেয়। সবচেয়ে বড় বিপদ বর্ষা। পাবনার বেড়ার খামারিরা ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জানিয়েছেন, কাঁচা ঘাস ডুবে গেলে যে গাভি দিনে ২০–২২ লিটার দিত সে ৭–১০ লিটারে নেমে আসে, অথচ খাবারের খরচ কমে না — ৳৫০০ খাইয়ে ৳৪০০–৪৫০ টাকার দুধ মেলে। খড়ের দাম তখন মণপ্রতি ৳৭০০। তিন মাসের এই ঘাটতি মেটাতে অনেকে বাছুর বিক্রি করে দেন। ভালো দিকটা হলো চাহিদা ফুরোয় না: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে দুধের চাহিদা ১৬২.৭৯ লাখ টন, উৎপাদন ১৫৭.৫৩ লাখ টন। ডিম বা মাংসের মতো দুধ এখনো উদ্বৃত্ত নয়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৪০,০০০ – ৳৪,০০,০০০বাজারদর
বিক্রয় মূল্য৳৪৫ – ৳৫৫ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৩ – ৳৩৩ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার২৭% – ৪১%বাজারদর
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২০ – ৩২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৮ – ২২বাজারদর

শুরু করতে যা লাগবে

  • দানাদার খাবার ও খড়। ভুসি, খৈল, ভুট্টা, মাসকলাই ও মসুরের দাম গত পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে; বর্ষায় খড়ের দাম মণপ্রতি ৳৭০০ পর্যন্ত ওঠে।শুরুর মাল
  • ডেইরি খামার রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন — প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহজিকৃত সেবার তালিকাভুক্ত সেবা, আবেদন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে। ফির অঙ্ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নেই।লাইসেন্স
  • নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬ — ডেইরি বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত। নিবন্ধন ৳১,০০০ নতুন ও ৳৫০০ নবায়ন, মেয়াদ ৩ বছর। কাঁচা দুধ প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেট করলে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • গাভি দেখে দুধের ক্ষমতা বোঝা, ঠিক সময়ে গরম ধরা ও কৃত্রিম প্রজনন করানো, আর ওলান ফোলা বা খুরা রোগ তাড়াতাড়ি ধরতে পারা। এক মৌসুম প্রজনন পিছিয়ে গেলে পুরো বছরের আয় নষ্ট হয়।দক্ষতা
  • কাছের মিল্কভিটা সমিতি বা কোম্পানির শীতলীকরণ কেন্দ্র, একজন পশুচিকিৎসক, আর একটি নির্ভরযোগ্য গো-খাদ্যের দোকান। সমিতিতে যোগ দিলে দর বাঁধা পড়ে যায়, সেটা জেনেই সিদ্ধান্ত নিন।সরবরাহকারী
  • গোয়ালঘর ও চারণ বা ঘাসের জমি। পাবনার বেড়ায় একজন খামারি ৪ বিঘা জমিতে ঘাস আবাদ করে খামার চালাতেন; নিচু জমি হলে বর্ষায় সেই ঘাস ডুবে যায় এবং তখনই লোকসান শুরু হয়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1শুরুর আগেই ঠিক করুন দুধ কার কাছে যাবে। কাছাকাছি মিল্কভিটার সমিতি বা কোনো কোম্পানির শীতলীকরণ কেন্দ্র আছে কি না দেখুন — না থাকলে প্রতিদিনের দুধ নিয়ে সমস্যায় পড়বেন।
  2. 2সমিতির দর আর খোলা বাজারের দর মিলিয়ে দেখুন। সমিতির সদস্য হলে ৳৪৫–৪৭ দরেই দিতে হয়, খোলা বাজারে ৳৫৫ মিললেও প্রতিদিন ক্রেতা নিশ্চিত থাকে না।
  3. 3জমি ও ঘাসের ব্যবস্থা আগে করুন। কাঁচা ঘাস ছাড়া দানাদার খাবারে দুধ টানতে গেলে খরচ ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। নিচু জমিতে ঘাস আবাদ করলে বর্ষায় ডুবে যাবে।
  4. 4উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে খামার নিবন্ধন করান। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহজিকৃত সেবার তালিকায় পোল্ট্রি ও ডেইরি খামার রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন আছে, আর নিবন্ধিত খামার টিকা ও কৃত্রিম প্রজননের সেবা সহজে পায়।
  5. 5ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর দুধ প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেট করে বিক্রি করলে বিএফএসএ নিবন্ধনও লাগবে।
  6. 6গাভি কিনুন দুধ দেখে, চেহারা দেখে নয়। কেনার সময় নিজে দোহন করিয়ে দুই বেলার দুধ মেপে নিন আর আগের বাছুরের খোঁজ করুন।
  7. 7উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে ক্ষুরা ও তড়কা রোগের টিকা নিন — শাহজাদপুরে এই দুটি টিকা বিনা মূল্যে দেওয়া হয়। কৃমিনাশকও নিয়মিত দিতে হয়।
  8. 8দোহনের পর দুধ দ্রুত পৌঁছে দিন। ক্যান, বরফ বা কাছের শীতলীকরণ কেন্দ্র — কোনোটা না থাকলে গরমে দুধ নষ্ট হবে আর কেউ নেবে না।
  9. 9বর্ষার তিন মাসের জন্য আগেই খড় ও ভুসি কিনে রাখুন। ওই সময়ে খড়ের দাম মণপ্রতি ৳৭০০ ছুঁয়ে যায় আর অনেক খামারি বাছুর বিক্রি করে খাবার কেনেন।
  10. 10প্রতিদিন গাভিভিত্তিক দুধ ও খাবারের হিসাব খাতায় লিখুন। কোন গাভি খরচের চেয়ে কম দুধ দিচ্ছে তা এই খাতাই বলে দেবে, আর সেটাই বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ভিত্তি।
  11. 11শুধু কাঁচা দুধে আটকে থাকবেন না। শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাও বলেছেন, দই বা মিষ্টির মতো দুগ্ধজাত পণ্যে গেলে দামের চাপ কিছুটা এড়ানো যায়।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীপাবনা · জেলায় নিবন্ধিত ৪,৮৭৪ ও অনিবন্ধিত ৪,৭৯১টি দুগ্ধ খামার, বছরে ৩.৪ লাখ টন দুধ। তবে বেড়া, সাঁথিয়া, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহরের চর ও নিচু এলাকায় বর্ষায় ঘাস ডুবে যায়।
  • খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · শাহজাদপুরে মিল্কভিটার দুগ্ধজাতকরণ কারখানা আর ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার খামার; উপজেলায় দিনে প্রায় ৫ লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয় আর ২৫ হাজার সদস্য ৫০০-র বেশি সমবায় সমিতির মাধ্যমে দুধ দেন।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র আর দই-মিষ্টির বড় বাজার, তাই কাঁচা দুধের স্থানীয় ক্রেতা আছে।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহরের চাহিদা বেশি আর খোলা বাজারের দরও ভালো, তবে গো-খাদ্য পরিবহনে খরচ বেশি পড়ে।
  • সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার পাশে ঘন বসতি, খামারের সামনে থেকেই দুধ বিক্রি হয়ে যায়; তবে জমির দাম বেশি হওয়ায় ঘাসের জমি পাওয়া কঠিন।
  • সম্ভবমানিকগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, তাই খোলা বাজারে দুধ বেচলে ৳৫৫ দর পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি; চরাঞ্চলে ঘাসের জমিও মেলে।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি শিক্ষার কেন্দ্র, তাই চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজননের সেবা সহজে মেলে।
  • সম্ভবরংপুর · গবাদিপশুর ঘনত্ব বেশি ও গো-খাদ্য তুলনামূলক সস্তা, তবে কাছে প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানা কম।
  • সম্ভবসাতক্ষীরা · দক্ষিণাঞ্চলে দুধ উৎপাদনের পরিচিত এলাকা, তবে শীতলীকরণ কেন্দ্রের দূরত্বই এখানে প্রধান বাধা।
  • সম্ভবটাঙ্গাইল · বাঘাবাড়ির দুগ্ধ বলয়ের কাছে, আর ঢাকার বাজারে দুধ পাঠানোর দূরত্বও কম।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: খরচ বাড়ছে, দাম বাড়ছে না। শাহজাদপুরের খামারিরা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বলেছেন, পাঁচ বছর আগে শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ছিল ৳৪০০, এখন ৳৬০০–৬৫০; ভুসি, খৈল, ভুট্টা ও ফিডের দামও বেড়েছে। অথচ দুধের দাম প্রায় আগের জায়গাতেই আছে। সমিতির সদস্য হওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে ৳৪৫–৪৭ দরেই দুধ দেন। মিন্টুর ভাষায়, 'অনেক সময় হিসাবই মেলাতে পারি না।'
  • বেশিনষ্ট হওয়া: বর্ষার তিন মাসে উৎপাদন অর্ধেকে নামে কিন্তু খরচ নামে না। পাবনার বেড়ায় ২৯ আগস্ট ২০২৬: কাঁচা ঘাস ডুবে যাওয়ায় তিনটি গাভির দৈনিক দুধ ৪০–৫০ লিটার থেকে ২০–২৫ লিটারে নেমেছে; প্রতি গরুতে দিনে ৳২৫০–৩০০ বাড়তি খরচ, চার গাভিতে মাসে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ আর তিন মাসে প্রায় এক লাখ টাকা। একজন খামারি ৳৫২,০০০ টাকায় বাছুর বিক্রি করে ৳৪০,০০০ টাকার খড় কিনেছেন। বাঘাবাড়িতে মিল্কভিটার দৈনিক সংগ্রহ এই সময়ে এক লাখ লিটার থেকে ৩৭–৩৮ হাজার লিটারে নেমে আসে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: দুধ একদিনের জিনিস আর ক্রেতা হাতেগোনা। কাছে শীতলীকরণ কেন্দ্র বা সমিতি না থাকলে দোহনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুধ নষ্ট হয়ে যায়, তাই খামারির দরদাম করার জায়গা থাকে না। শাহজাদপুরের মিন্টু মিল্কভিটার বোনাস ও কৃষিঋণের সুযোগ কমে যাওয়ায় সেখানে দুধ দেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন — কিন্তু সবার সেই বিকল্প নেই।
  • বেশিচলতি মূলধন: গাভি কেনার টাকা এক জায়গায় আটকে থাকে আর আয় আসে দিনে দিনে ফোঁটায় ফোঁটায়। একটা গাভি বছরে একবার বাছুর দেয়, তাই মূলধনের একটা বড় অংশ ফেরত আসে সেই বাছুর বিক্রি করে। খামারিরা নিজেরাই বলেছেন, 'গরু-বাছুর পালন করে তেমন লাভ হয় না, এজন্য ঘরে টাকাও থাকে না' — ফলে বর্ষা এলে বা গাভি অসুস্থ হলে হাতে নগদ থাকে না।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এ ডেইরি বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত। কাঁচা দুধ বিক্রির বাইরে গিয়ে দই, মিষ্টি বা প্যাকেট দুধ করতে গেলে বিএফএসএ নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্সে সঠিক ব্যবসার নাম আর প্রয়োজনে কারখানা পরিদর্শনের ধাপ পেরোতে হবে।

ভিডিও ও সাক্ষাৎকার

এই ব্যবসার গল্প

মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একজন নারী দুগ্ধখামারি

কানের দুল বেচে এক গরু, এখন মাসে লাখ টাকা — বন্যায় গেল ২৮–৩০ লাখ

প্রায় দুই দশক আগে ৫০,০০০ টাকায় বেচা কানের দুল দিয়ে একটি ফ্রিজিয়ান গরু। এখন ৬০টি গরু-বাছুর, দিনে ২০০ লিটার দুধ, খরচ বাদে মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা — তবু বন্যায় ১৫টি পশু মরার পর সহায়তা মিলেছে ১,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৫০ হাজার
কারণ
নির্ভরশীলতা, অন্যান্য

কোথায় কিনবেন

সেবাপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

প্রাণিসম্পদের প্রধান দপ্তর — টিকা, পশুচিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন সেবার নিয়ম এবং জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের খোঁজ এখান থেকে মেলে।

ফার্মগেট, ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

প্রশিক্ষণপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)

সাভারের প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট — গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনের উন্নত পদ্ধতি, ঘাস চাষ ও খাদ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দেয়।

Bangladesh Livestock Research Institute, Savar, Dhaka 1341, ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

সেবাপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বগুড়া

বগুড়া জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, নিশিন্দারা, কারবালা, বগুড়া-৫৮০০৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

সেবাপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, কুমিল্লা

কুমিল্লা জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, রামমালা (কোটবাড়ি রোড), টমছম ব্রিজ থেকে পশ্চিম দিকে, কুমিল্লা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বরিশাল

বরিশাল জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, প্রাণিসম্পদ ভবন (১ম তলা), নবগ্রাম রোড, বরিশাল।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, দিনাজপুর

দিনাজপুর জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বালুবাড়ী, দিনাজপুর। পোস্ট কোড: ৫২০০।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, পটুয়াখালী

পটুয়াখালী জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, সরকারি কলেজ রোড, পটুয়াখালী।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, পশ্চিম পাইকপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া (অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বোর্ডিং মাঠের পূর্ব পাশে)।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, শাহ মোস্তফা রোড, মৌলভীবাজার।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জ জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, মানিকগঞ্জ (মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ২০০ গজ পূর্ব দিকে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে)।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, শেরপুর

শেরপুর জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা প্রাণিসম্পদ ভবন, শেরপুর। পো: ও জেলা: শেরপুর।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বান্দরবান

বান্দরবান জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়, সারস পাখি চত্বর, চিম্বুক রোডের পূর্ব পার্শ্বে, এসপি বাংলো সংলগ্ন, বান্দরবান-৪৬০০।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ ভবন, সরুই, পি.সি. কলেজ রোড (হাজী আরীফ মসজিদের সামনে), বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ জেলার খামারিরা এখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির টিকা ও চিকিৎসা, কৃত্রিম প্রজনন, খামার নিবন্ধন আর পালনের প্রশিক্ষণ পান।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বত্রিশ, কিশোরগঞ্জ।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

যন্ত্রপাতিপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

আলিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

থ্রেশার, ড্রায়ার, চাফ কাটার, সেচ ও মাছচাষের যন্ত্রপাতি সিলেটের নিজস্ব কারখানায় তৈরি করে।

Alim Industries Limited, BSCIC Industrial Estate, Gutatikor Kodomtoli, Sylhet-3100, Bangladesh, সিলেট৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে

গবাদিপশুপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড

একদিনের বাচ্চা, পোলট্রি ও গবাদি পশুর ফিড সরবরাহ করে।

House # 39, Sonargaon Janapath Road, Sector # 07, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh, ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে

কাঁচামালপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

আমান ফিড পিএলসি

পোলট্রি, মাছ, চিংড়ি ও গবাদি পশুর ফিড — ২০০-এর বেশি ডিলারের মাধ্যমে সারা দেশে পাওয়া যায়।

Aman Feed PLC, 2 Ishakha Avenue, Sector: 6, Uttara, Dhaka-1230 (factory: Ratan Kawak, Ullahpara, Sirajgonj), ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে

কাঁচামালপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

মেগা ফিড অ্যান্ড স্পেকট্রা হেক্সা ফিডস লিমিটেড

মাছ, পোলট্রি ও গবাদি পশুর ফিড তৈরি ও বিক্রি করে।

House#17, Road#106, Block# CEN(F), Gulshan-2, Dhaka-1212, Bangladesh (factory: Ichail, Utholi, Shibalaya, Manikganj), ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে

অন্যান্যপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস (অ্যানিমেল হেলথ ডিভিশন)

মুরগি, মাছ ও গবাদি পশুর ওষুধ, ভিটামিন, প্রোবায়োটিক ও কৃমিনাশক সরবরাহ করে; ১৮টির বেশি জেলা অফিস আছে।

Plot: 82, Road: 14, Block - B, Banani, Dhaka-1213, Bangladesh, ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে

অন্যান্যপ্রকাশ্য সূত্র থেকে

দি এসিএমই ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড (ভেটেরিনারি)

গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির জন্য ভেটেরিনারি ওষুধ তৈরি করে।

Court de la ACME, 1/4, Kallayanpur, Mirpur Road, Dhaka 1207, Bangladesh, ঢাকা৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে

এই ব্যবসায় মাল বা সেবা দেন? বিনা খরচে যুক্ত হোন

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ

ট্যাংকে ঘন করে মাছ চাষ। অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব, কিন্তু ঠাকুরগাঁওয়ে চার লাখ টাকা ঢেলে একজন বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ৬০ হাজার টাকার মাছ।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৫০ – ১৮০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

মাছের নার্সারি ও পোনা

হ্যাচারির রেণু পুকুরে লালন করে পোনা বিক্রি। সরকারি খামারের ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরলে রেণু কেজি প্রায় ৳১,৯০০ আর পোনা কেজি প্রায় ৳২৫০।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২২ লাখ
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

লেয়ার মুরগির খামার

এক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১২৬ – ১৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

হাঁস পালন

হাওরে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে হাঁস পালন। ১০০ হাঁসে দিনে প্রায় ৬০টি ডিম, খাবার হাঁসপ্রতি দিনে ৳২, আর ১০০ ডিম বিক্রি হয় ৳১,২০০–১,৩০০ টাকায়।

পুঁজি
৳১.৮ লাখ – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৫০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান