গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ
ডিসেম্বরে রোপণ, এপ্রিল-জুনে বিক্রি। বিঘায় খরচ ৳৭০–৮০ হাজার, ফলন ৩০০–৪০০ মণ, মণপ্রতি ৳১,০০০–১,৮০০, আর দিনাজপুরের গাবুরা বাজারে দিনে ৩–৪ কোটি টাকার কেনাবেচা।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩৫,০০০ – ৳১,৬০,০০০ অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ১২০ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
শীতের ফসলকে গরমে ফলানো। ডিসেম্বরে চারা বসে, মার্চ থেকে ফল ধরে, আর এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বাজারে থাকে — ঠিক যখন শীতের টমেটো শেষ হয়ে গেছে। দেশের গ্রীষ্মকালীন টমেটোর প্রধান জায়গা দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও আর যশোর। সবচেয়ে বড় হাট দিনাজপুর সদরের গাবুরা বাজার: ছোটবড় ৪০০টির বেশি ঘর, সারা দেশ থেকে তিন শতাধিক পাইকার রোজ আসেন, দিনে ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক টমেটো যায় আর কেনাবেচা হয় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার। অর্থাৎ ফসলটার একটা তৈরি বাজার আছে, এটা বানাতে হয় না। টাকার হিসাব ভালো। চাষিরা জানিয়েছেন, বিঘায় সেচ, সার, নিষ্কাশন ও কীটনাশক মিলিয়ে খরচ ৳৭০–৮০ হাজার, ফলন ৩০০ থেকে ৪০০ মণ, আর গড়ে মণপ্রতি ১ হাজার টাকা ধরলে বিঘায় বিক্রি সাড়ে তিন লাখ টাকা। গাবুরার কৃষক আরাফাত হোসেন আধা বিঘায় ৩০ হাজার টাকা খরচ করে দেড় লাখ টাকার টমেটো বেচেছেন। দুটো কথা তবু মনে রাখুন। এক, দিনাজপুরে আবাদের জমি এক বছরেই ৮৬৫ হেক্টর থেকে ১,১০৮ হেক্টরে উঠেছে — জোগান বাড়ছে। দুই, ২০২৬ সালে দাম ভালো ছিল কারণ বৃষ্টিতে উৎপাদন কিছুটা কম হয়েছিল, আর টমেটো পচনশীল বলে হিমাগার ছাড়া দর ধরে রাখার কোনো উপায় নেই।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১৭,৫০০ – ৳২০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২৫ – ৳৪৫ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৪ – ৳৭ / কেজি | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| মোট লাভের হার | ৬৮% – ৯০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ১২০ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১২০ – ১৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৭৫ – ৪০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- সেচের পাম্প ও পাইপ, জমির নিষ্কাশন নালা, আর ক্যারেট — প্রতি ক্যারেটে ২৬–২৭ কেজি।যন্ত্রপাতি
- চারা, সার ও কীটনাশক — বিঘায় মোট খরচ ৳৭০–৮০ হাজারের ভেতরেই ধরা। আলাদা করে চারার দাম কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। খেত থেকে হাটে নিয়ে বিক্রি করলে দরকার নাও হতে পারে; আড়ত খুললে বা নিজে ট্রাকে পাঠালে লাগে।লাইসেন্স
- গরমে টমেটোর গাছ বাঁচিয়ে রাখা — সেচ, ছায়া ও নিষ্কাশনের ভারসাম্য। শীতের টমেটো যে কেউ পারে; গ্রীষ্মে ফলানোটাই আলাদা কাজ।দক্ষতা
- হাটের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ী। গাবুরা বাজারে ছোটবড় ৪০০টির বেশি ঘর আছে আর সারা দেশ থেকে তিন শতাধিক পাইকার রোজ আসেন।সরবরাহকারী
- বিঘা (৩৩ শতক) হিসাবে উঁচু জমি, ড্রেনেজসহ। আধা বিঘা থেকেই শুরু করা যায় — গাবুরার এক চাষি আধা বিঘায় ১৭০ মণ পেয়েছেন।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন ফসলটা কোথায় বিক্রি করবেন। গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আসল সুবিধা হলো তৈরি বাজার — দিনাজপুর সদরের গাবুরা বাজারে রোজ তিন শতাধিক পাইকার আসেন। এমন হাট আপনার এলাকায় আছে কি না তা আগে দেখুন।
- 2ডিসেম্বরে চারা লাগান। তিন মাস পর মার্চ থেকে ফলন শুরু হয়; দেরিতে লাগালে ফল আসবে ভরা গরমে আর তখন ফুল ঝরে যায়।
- 3জমিতে ড্রেনেজ করুন। চাষিদের খরচের তালিকায় সেচ ও সারের পাশাপাশি ড্রেনেজব্যবস্থা আলাদা করে আছে — গরমে বৃষ্টি হলে পানি না সরলে গাছ মরে।
- 4সেচের ব্যবস্থা পাকা করুন। গ্রীষ্মে জমি শুকিয়ে যায়, আর সেচ বন্ধ হলে এক সপ্তাহেই ফলন নষ্ট হয়।
- 5ক্রেট জোগাড় করুন। গাবুরা বাজারে প্রতি ক্রেটে ২৬ থেকে ২৭ কেজি টমেটো ধরে, আর পাইকারেরা ক্রেট হিসেবেই কেনাবেচা করেন।
- 6নিজে মণ দরে বিক্রি করবেন না কি ক্রেটে পাঠাবেন, ঠিক করে নিন। বাজারে মণপ্রতি ৳১,০০০–১,৮০০ পাওয়া যায় মানভেদে; ক্রেটপ্রতি ঢাকায় পাঠাতে খরচ পড়ে ২২০ টাকা।
- 7মান অনুযায়ী বাছাই করুন। একই দিনে মণপ্রতি ৳১,০০০ আর ৳১,৮০০ — পার্থক্যটা শুধু মানের। বাছাই না করে দিলে পুরোটাই নিচের দামে যায়।
- 8শ্রমিকের হিসাব আগে করুন। গাবুরার আড়তে বাছাই ও মোড়কজাতের কাজে দৈনিক ৳৩৫০–৪০০ মজুরি চলে, আর ভরা মৌসুমে শ্রমিক পাওয়াই কঠিন হয়ে যায়।
- 9পচনশীল ফসল বলে ধরে রাখার চেষ্টা করবেন না। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেছেন, স্থানীয়ভাবে হিমাগার থাকলে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাজার ধরে রাখা যেত — কিন্তু সেটা এখনো নেই।
- 10প্রতি বছর আপনার এলাকায় আবাদের জমি বাড়ছে কি না খোঁজ রাখুন। দিনাজপুরে এক বছরেই ৮৬৫ হেক্টর থেকে ১,১০৮ হেক্টরে উঠেছে; জমি বাড়লে অসময়ের দামটাও কমতে থাকবে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীদিনাজপুর · দেশের সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মকালীন টমেটোর হাট সদরের গাবুরা বাজার — ৪০০টির বেশি ঘর, দিনে ৬০–৭০ ট্রাক, ৩–৪ কোটি টাকার কেনাবেচা। আবাদ এক বছরে ৮৬৫ থেকে ১,১০৮ হেক্টরে।
- খুব উপযোগীযশোর · উত্তরাঞ্চলের বাইরে যে জেলাটি গ্রীষ্মকালীন টমেটোর প্রধান উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে নাম করেছে; দক্ষিণ-পশ্চিমের সবজি সরবরাহের কেন্দ্রও এটি।
- খুব উপযোগীপঞ্চগড় · যেখান থেকে এই চাষের শুরু; পঞ্চগড়ের দেখাদেখি দিনাজপুরে ছড়িয়েছে। পাইকারেরা এখনো পঞ্চগড় থেকেও টমেটো সংগ্রহ করেন।
- খুব উপযোগীঠাকুরগাঁও · গ্রীষ্মকালীন টমেটোর প্রধান উৎপাদনকেন্দ্রগুলোর একটি; গাবুরা বাজারের কাছাকাছি।
- সম্ভবচাঁদপুর · মতলব দক্ষিণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আগাম টমেটো হয়; একই নীতি — অসময়ে তুললে দাম ভালো। এক চাষি ৬০ শতকে ১,২০,০০০ টাকা খরচ করে প্রায় ৭ লাখ টাকার টমেটো বিক্রির হিসাব দিয়েছেন।
- সম্ভবনীলফামারী · দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও বলয়ের মধ্যে, একই মাটি আর গাবুরা বাজারে পৌঁছানো সহজ।
- সম্ভবরাজশাহী · টমেটোর অন্যতম উৎপাদনস্থল, তবে মূলত শীতের ফসল; গ্রীষ্মকালীন আবাদের তথ্য এখানে যাচাই করা যায়নি।
- সম্ভবরংপুর · উত্তরাঞ্চলের সবজি বলয়ের ভেতরে; পাইকারি বাজার ও ঢাকায় পাঠানোর গাড়ি দুটোই আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: অসময়ের দামটাই পুরো ব্যবসা, আর সেই দাম টিকবে এমন নিশ্চয়তা নেই। দিনাজপুরে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৮৬৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ১,১০৮ হেক্টরে উঠেছে — এক বছরে ২৪৩ হেক্টর বেশি। পঞ্চগড়ের দেখাদেখি দিনাজপুরে শুরু হয়েছিল, এখন দিনাজপুরেই বেশি হয়। জোগান এভাবে বাড়লে গরমের দামটাও শীতের দামের দিকে নামবে।
- বেশিনষ্ট হওয়া: টমেটো পচনশীল, আর ধরে রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। আড়তদারেরা নিজেরাই বলছেন, পচনশীল পণ্য হওয়ায় সীমিত লাভেই তাঁদের বিক্রি করতে হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেছেন, স্থানীয়ভাবে হিমাগার বাড়ানো গেলে কৃষকেরা বেশি দাম পেতেন আর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাজার ধরে রাখা সম্ভব হতো। ঢাকার এক খুচরা বিক্রেতার হিসাবে ২২ কেজির প্রতি ক্যারেটে প্রায় এক কেজি টমেটো নষ্ট পাওয়া যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: আবহাওয়া ফলনও নামায়, দামও ওঠায় — দুই দিকেই যায়। ২০২৬ সালে বৃষ্টির কারণে উৎপাদন কিছুটা কম হয়েছে বলেই চাষিরা দাম বেশি পেয়েছেন। অর্থাৎ যে বছরের হিসাব দেখে আপনি নামছেন, সেটাই হয়তো ব্যতিক্রম বছর। ভালো ফলনের বছরে মণপ্রতি দর কত নামে তা কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: একটাই হাটের উপর পুরো এলাকার নির্ভরতা। গাবুরা বাজার থেকেই দিনে ৬০–৭০ ট্রাক টমেটো যায়; সেই হাটে পাইকার না এলে বা পরিবহন আটকে গেলে পুরো অঞ্চলের ফসল বসে যাবে। আশপাশের জেলায় এত বড় গ্রীষ্মকালীন টমেটোর বাজার আর নেই — একজন ৩০ বছরের পুরোনো পাইকার নিজেই তা বলেছেন।
- মাঝারিচলতি মূলধন: ডিসেম্বর থেকে মার্চ, চার মাস টাকা ঢালতে হয় আর আয় শূন্য। বিঘায় ৭০–৮০ হাজার টাকা, আর বড় খেতে অঙ্কটা সরাসরি গুণ হয়ে যায়। জমি বর্গা নিলে সেই ভাড়াও এই সময়েই দিতে হয়, অথচ ওই ভাড়া এই পাতার কোনো খরচের হিসাবে ধরা নেই।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
বিঘায় খরচ ১.৫–১.৮ লাখ, বিক্রি সাড়ে ৩ লাখের বেশি
গ্রীষ্মকালীন টমেটোয় বিঘাপ্রতি খরচ ১,৫০,০০০–১,৮০,০০০ টাকা, বিক্রি সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি, নিট লাভ ১.৫–২ লাখ টাকা। খেত থেকে পাইকারি দর কেজিপ্রতি ৬৫–৭০ টাকা, খুচরায় ১০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, চলতি মূলধন
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারকোয়েল পাখি পালন
খাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩৫ – ৪৯ দিন
কৃষি ও খামারকলা চাষ
বিঘায় ৩৫০–৪০০ গাছ, ফল আসে ১০–১৩ মাসে। গাছপ্রতি খরচ ৳১৫০–২০০, ছড়া বিক্রি ৳৩৫০–৪৫০, আর কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে গাছপ্রতি লাভ ৳১২০–১৮০।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০০ – ৩৯৫ দিন
কৃষি ও খামারতরমুজ চাষ
উপকূলের তিন মাসের ফসল। বিঘায় খরচ ৳৩০–৩৫ হাজার, ভালো বছরে বিঘায় বিক্রি ৳৮০ হাজার–১ লাখ, কিন্তু বিক্রির জানালা মাত্র দুই সপ্তাহ।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳৩.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১২০ দিন
কৃষি ও খামারভেড়া পালন
মাঠে ও চরে ঘাস খাইয়ে ভেড়া পালন। ২০২৬ সালের কোরবানির আগে জয়পুরহাটে এক খামারি ২৬টি ভেড়া বিক্রি করেছেন ৳২,৩০,০০০ টাকায় — গড়ে প্রতিটি প্রায় ৳৮,৮০০।
- পুঁজি
- ৳৩০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৮০ – ৩৬৫ দিন
