ট্রাক ও পিকআপ ভাড়া
ট্রাক বা পিকআপ দিয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা। ডিজেল সরকারি দরে ৳১১৫ লিটার, কিন্তু ট্রাকভাড়ার কোনো সরকারি তালিকা নেই — দর-কষাকষিই ভরসা।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ট্রাক ও পিকআপ ভাড়া
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫,০০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০ বাজারদর
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১৮ – ৬০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ট্রাক বা পিকআপ কিনে পণ্য টানার কাজ নেওয়া। এই ব্যবসার দুই পাশের একটা সরকার ঠিক করে দেয়, অন্যটা দেয় না — আর সেখানেই আসল কথা। খরচের পাশ সরকারি: বিপিসির দর অনুযায়ী ডিজেল লিটারে ৳১১৫, কার্যকর ১ জুন ২০২৬। কিন্তু ভাড়ার পাশ সরকারি নয়। বিআরটিএ শুধু নন-এসি বাস-মিনিবাসের ভাড়া ঠিক করে; ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানের ভাড়ার কোনো সরকারি তালিকা নেই, চাহিদা-জোগান দেখে দর-কষাকষিতে ঠিক হয়। তাই একই দূরত্বের ভাড়াতেও বড় ফারাক থাকে। একটা হিসাব দেখুন। ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে মাছ নিতে এক ট্রিপে তেল লাগে প্রায় ৭০ লিটার। ৳১১৫ দরে সেটা ৳৮,০৫০। এপ্রিল ২০২৬-এ ওই পথের ভাড়া ছিল ৳৮,০০০–১০,০০০, তেলের দাম বাড়ার পর করা হয়েছে ৳১১,০০০। অর্থাৎ ভাড়ার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই চলে যায় শুধু তেলে — চালক, হেলপার, টোল, চাঁদা, টায়ার আর মেরামত এর পরে। লম্বা পথে অঙ্ক বড়: ঢাকা-চট্টগ্রামে স্বাভাবিক ভাড়া ৳১৮,০০০–২০,০০০, তেলের সংকটের সময় তা ৳২৮,০০০–৩০,০০০ পর্যন্ত উঠেছিল। তেলের দাম বাড়লে ভাড়া বাড়ে ঠিকই, কিন্তু কয়েক দিন পিছিয়ে — ওই কয়েক দিনের লোকসান মালিকের।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬০,০০০ – ৳২,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮,০০০ – ৳৩০,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৭,৪৭৫ – ৳৮,৬২৫ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ২২% – ৩২% | বাজারদর | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১৮ – ৬০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০ – ১ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকআপ বা কাভার্ড ভ্যান। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে বিক্রয় ডটকমে ট্রাক ও ট্রেইলারের ৪২১টি বিজ্ঞাপনের দাম-বিন্যাস: ২ লাখের নিচে ২৫টি, ২–৫ লাখ ১০১টি, ৫–১২ লাখ ১৬৮টি, ১২–৩০ লাখ ১০৫টি, ৩০ লাখের বেশি ২১টি। ধরন অনুযায়ী মিনি ট্রাক ১৯১টি, ব্র্যান্ডে টাটা ১০৩ ও টয়োটা ১০১টি।যন্ত্রপাতি
- মালবাহী মোটরযানের নিবন্ধন — বিআরটিএ। ভাড়ায় চালিত (ট্রাক, ট্যাংকলরি, ভ্যান, পিকআপ): সর্বোচ্চ ওজন ৩,৫০০ কেজি পর্যন্ত ৳৪,৬০০; ৩,৫০০–৭,৫০০ কেজি ৳১৩,৮০০। ভাড়ায় চালিত নয় এমন হলে একই শ্রেণিতে ৳২৮,০০০ ও ৳৫৬,০০০। হার কার্যকর ০১-০১-২০১৪ (এম. ভি. রেগুলেশনস ১৯৮৪-এর ৭৪(১) রেগুলেশন)।লাইসেন্স
- পাবলিক ক্যারিয়ার পারমিট (রুট পারমিট) — বিআরটিএ। বার্ষিক ফি: এক জেলা ৳৫২০, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৬৯০, ছয় জেলা পর্যন্ত ৳৯০০, বারো জেলা পর্যন্ত ৳১,২৯০, বারোর বেশি ৳১,৬৭০। নিজের মাল টানলে প্রাইভেট ক্যারিয়ার পারমিট, এক জেলার জন্য ৳৭৯০। আবেদনপত্র ৳১৫০ প্রতি পারমিট।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- ফিটনেস সার্টিফিকেট ইস্যু ও নবায়ন — বিআরটিএ। ভারী মোটরযান ৳৯০০, ভারী ব্যতীত অন্যান্য মোটরযান ৳৪৫০, পরিদর্শন ফি ৳৪৫০। সনদ নষ্ট হলে প্রতিলিপি ফি ৳১৫০।লাইসেন্স
- ভারী যানের ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী চালক ও একজন হেলপার। মালিক নিজে না চালালেও প্রতি ট্রিপে কত লিটার তেল যাওয়ার কথা তা জানা থাকতে হয়, নইলে তেলের হিসাব ধরা যায় না।দক্ষতা
- নির্ভরযোগ্য ফিলিং স্টেশন ও গ্যারেজ, আর মাল পাওয়ার জন্য একটি মোকাম বা আড়তের সঙ্গে সম্পর্ক। এপ্রিল ২০২৬-এর সংকটে চালকদের পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে, কখনো ২০০–৩০০ টাকা বাড়তি দিয়ে তেল নিতে হয়েছে।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন মাল টানবেন — সবজি, চাল, মাছ, কাপড় না নির্মাণসামগ্রী। মাল বুঝেই গাড়ির আকার ঠিক হয়, আর মাছ হলে বরফ বা ফ্রিজার লাগে।
- 2গাড়ি কিনুন। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বিক্রয় ডটকমে ট্রাক ও ট্রেইলারের ৪২১টি বিজ্ঞাপনের মধ্যে সবচেয়ে বড় দলটি ছিল ৳৫–১২ লাখের ঘরে; ১৯১টি ছিল মিনি ট্রাক।
- 3বিআরটিএতে 'ভাড়ায় চালিত' মালবাহী মোটরযান হিসেবে নিবন্ধন করান। ভাড়ায় চালিত হলে নিবন্ধন ফি ৩,৫০০ কেজি পর্যন্ত ৳৪,৬০০, আর ভাড়ায় চালিত না হলে সেটিই ৳২৮,০০০ — এই ফারাকটা শুরুতেই জেনে নিন।
- 4পাবলিক ক্যারিয়ার পারমিট নিন। এক জেলার জন্য বার্ষিক ৳৫২০, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৬৯০, বারো জেলার বেশি হলে ৳১,৬৭০। দূরপাল্লার কাজ করতে চাইলে শুরুতেই বেশি জেলার পারমিট নিন।
- 5ফিটনেস সনদ করান এবং প্রতি বছর নবায়ন করুন — ভারী মোটরযানের ফি ৳৯০০, ভারী না হলে ৳৪৫০, সঙ্গে পরিদর্শন ফি ৳৪৫০।
- 6ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন করুন। ট্রাক-মালিকদের অগ্রিম কর আছে, তাই কর হিসাবটা শুরু থেকেই ঠিক রাখুন।
- 7চালক ও হেলপার নিন। চালকের লাইসেন্স ভারী যানের কি না নিজে দেখে নিন — হালকা লাইসেন্স দিয়ে ভারী ট্রাক চালালে মামলা ও গাড়ি আটক।
- 8কাজ ধরুন একটা নির্দিষ্ট মোকাম বা আড়ত ধরে — মহাস্থান হাট, খাজানগর মোকাম, যাত্রাবাড়ী বা কারওয়ান বাজারের আড়ত। ট্রাকস্ট্যান্ড আর আন্তঃজেলা মালামাল পরিবহন সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।
- 9প্রতি ট্রিপে তেলের হিসাব লিখে রাখুন — কত লিটার গেল, দর কত ছিল। এই এক খাতা না থাকলে ভাড়া কমে গেলেও আপনি টের পাবেন না।
- 10তেলের দাম বাড়লে সঙ্গে সঙ্গে ভাড়া বাড়ানোর কথা বলুন। এপ্রিল ২০২৬-এ ডিজেল ৳১০০ থেকে ৳১১৫ হওয়ার পর কোথাও একদিনেই ভাড়া বেড়েছে, কোথাও দর-কষাকষিতে কয়েক দিন লেগেছে — ওই কয়েক দিনের লোকসান আপনারই।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · মহাস্থান হাট দেশের অন্যতম বড় সবজির পাইকারি হাট; সেখান থেকে ঢাকায় ৫ টনের ট্রাকের ভাড়াই একটি চেনা বাজারদর।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর ও খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার থেকে সারা দেশে মাল যায়; ঢাকা–চট্টগ্রাম দেশের প্রধান পণ্য পরিবহন রুট।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সব মাল শেষ পর্যন্ত এখানেই আসে — কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ীর আড়ত, আর তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড।
- খুব উপযোগীযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি পণ্য ট্রাকে ঢাকায় যায়; এই রুটের ভাড়া নিয়মিত খবরে আসে।
- খুব উপযোগীকুষ্টিয়া · খাজানগর মোকাম থেকে সারা দেশে চাল যায়; ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের নিয়মিত ট্রিপ পাওয়া যায়।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এখানে ৪ লাখ ১৮ হাজার টন মাছ উৎপাদন হয়েছে, দেশের মোটের প্রায় ১২ শতাংশ; প্রতিদিন মাছবাহী ট্রাক ঢাকায় যায়।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝপথ; দুই দিকেই ফিরতি মাল পাওয়া যায়।
- সম্ভবগাজীপুর · পোশাক কারখানার কাঁচামাল ও তৈরি পণ্য টানার নিয়মিত কাজ।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · কারখানা ও গুদামের ঘনত্ব বেশি, স্বল্প দূরত্বের পিকআপের কাজ বেশি মেলে।
- সম্ভবরংপুর · আলু ও সবজির মৌসুমে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী ট্রাকের চাহিদা বেড়ে যায়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিঅন্যান্য: ডিজেলের দাম সরকার ঠিক করে, ট্রাকভাড়া কেউ ঠিক করে না। ১৯ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিজেল ৳১০০ থেকে ৳১১৫ হয়। এক ট্রিপে ৭০ লিটার হলে সেদিনই খরচ বাড়ে ৳১,০৫০। কিন্তু ভাড়া বাড়াতে কোথাও একদিন, কোথাও কয়েক দিন দর-কষাকষি লেগেছে। ওই ব্যবধানের পুরো লোকসান গাড়ির মালিকের।
- বেশিনির্ভরশীলতা: জ্বালানির জোগান নিজেই একটা ঝুঁকি। মার্চ-এপ্রিল ২০২৬-এ সংকটের সময় চালকেরা পথে পথে বিভিন্ন পাম্প থেকে তেল জোগাড় করেছেন, এক ট্রিপ শেষ করতে বেশি সময় লেগেছে, আর ওই সময়ের খরচও গুনতে হয়েছে। গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে কিস্তি ও বেতন থেমে থাকে না।
- মাঝারিচাহিদা: ভাড়া বেশি হলে মাল পাঠানোই বন্ধ হয়ে যায়। এপ্রিল ২০২৬-এ ব্যবসায়ীরা বলেছেন ভাড়া বেশি হওয়ায় পণ্য পাঠানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ ভাড়া বাড়িয়ে খরচ তোলা যায়, কিন্তু একটা সীমার পর ট্রিপের সংখ্যাই কমে যায়।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কাগজ ঠিক না থাকলে পথেই আটকে যায়। ফিটনেস সনদ, হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন আর রুট পারমিট — তিনটির যেকোনো একটির মেয়াদ শেষ হলে মামলা হয়। পারমিট যত জেলার, কাজ তত দূরের; এক জেলার পারমিট নিয়ে বারো জেলা গেলে সেটাও অপরাধ।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মোকাম ও আড়তের কাজে ভাড়া অনেক সময় মাল পৌঁছে ওজন মেলার পর মেলে, আর বড় ব্যবসায়ীর কাছে ট্রিপের টাকা জমতে থাকে। এদিকে তেলের টাকা আগেই নগদে দিতে হয়েছে — এই দুইয়ের ফারাকেই ছোট মালিকের পুঁজি ফুরায়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: পরিবর্তনশীল খরচ · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
মাসে ১৮–২২ ট্রিপ নেমে ৭–৮টিতে, ১ লাখের লাভ দাঁড়াল ২০–২৫ হাজারে
সাত ট্রাকের এই মালিকের গাড়িগুলো আগে মাসে গড়ে ১৮–২২টি ট্রিপ পেত আর লাভ থাকত এক লাখ টাকার বেশি; মন্দায় ট্রিপ নেমে আসে ৭–৮টিতে, খরচ বাদে থাকে ২০–২৫ হাজার টাকা, যাতে কিস্তির টাকাই ওঠে না।
- কারণ
- চাহিদা কম, চলতি মূলধন
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্যুর অপারেটর
ভ্রমণের দল নিয়ে যাওয়ার ব্যবসা। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নিবন্ধন ছাড়া এটি আইনসম্মত নয়, আর ২০২৪ সালের বিধিমালা অনুযায়ী আবেদনেই লাগে ৳৩,০০,০০০ অফেরতযোগ্য ফি, ৳১০,০০,০০০ ব্যাংক সলভেন্সি ও ৳৫০,০০০ জামানত।
- পুঁজি
- ৳৩.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাই-কমার্স ফুলফিলমেন্ট ও ডেলিভারি
অনলাইন বিক্রেতার পণ্য গুদামে রেখে, প্যাকেট করে, ক্রেতার হাতে পৌঁছে দিয়ে নগদ টাকা তুলে আনার কাজ। পার্সেলপ্রতি কুরিয়ারের দর ৳৫৫–১৯০, আর বিক্রেতাকে টাকা বুঝিয়ে দিতে হয় সর্বোচ্চ ১০ দিনে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৯০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামেডিকেল ট্যুরিজম সহায়তা
বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভিসা, টিকিট ও থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া। আলাদা লাইসেন্স নেই, তবে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ লাগে — মেয়াদ ৩ বছর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাপার্সেল ডেলিভারি এজেন্সি
অনলাইন বিক্রেতার মাল ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। দেশে দিনে ৩.৫–৪ লাখ পার্সেল যায়; বাজারদর ঢাকায় ৳৫৫–৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
