ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅ্যাম্বুলেন্স সেবা
রোগী ও মরদেহ পরিবহনের গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা। জাতীয় ভাড়ার তালিকা নেই; চমেক হাসপাতালের নির্ধারিত ভাড়া ৳১,১৪৪ থেকে ৳৫,৭৮৫।
- পুঁজি
- ৳৭ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
৪৪টি ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারোগী ও মরদেহ পরিবহনের গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা। জাতীয় ভাড়ার তালিকা নেই; চমেক হাসপাতালের নির্ধারিত ভাড়া ৳১,১৪৪ থেকে ৳৫,৭৮৫।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅটোরিকশা কিনে চালকের কাছে দিয়ে দৈনিক জমা নেওয়ার ব্যবসা। বিআরটিএর বাঁধা জমা ৳৯০০, বাস্তবে নেওয়া হয় ৳১,০০০–১,২০০, দুই বেলায় দিলে ৳১,৮০০ পর্যন্ত।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবামাইক, সাউন্ড বক্স ও আলো কিনে অনুষ্ঠানে দিন হিসেবে ভাড়া দেওয়া। ভেড়ামারায় গাড়িসহ এক দিনের মাইক ভাড়া ৳১,২০০, তার ৳৫০০ যন্ত্রের। শব্দদূষণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী এখন লিখিত অনুমতি লাগে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘরে কয়েকটা মেশিন বসিয়ে সেলাই ও হস্তশিল্প শেখানো। টাকা কোর্সের শুরুতেই আসে, কিন্তু সরকার ছয় মাসের ট্রেড কোর্স করায় ৳৩০০–১,০০০ টাকায় — সেই দরের সঙ্গেই লড়তে হয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাছাত্রের বাড়িতে বা নিজের ঘরে পড়িয়ে ছাত্রপ্রতি মাসিক আয়। পুঁজি প্রায় শূন্য। দেশে তিন-চতুর্থাংশের বেশি শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউটর বা কোচিংয়ে পড়ে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবাসায় গিয়ে ফ্যান, লাইন, কল-পাইপ ও আসবাবের ছোট মেরামত। প্ল্যাটফর্মে একেকটি কাজ ৳৩০০–৮০৫, তবে সেখানে কমিশনের হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবাসা, রেস্টুরেন্ট ও গুদামে পোকামাকড় ও ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের সেবা। বার্ষিক চুক্তিতে আয় নিশ্চিত হয়, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করা আইনে নিষেধ।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রামের কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স লাগে, বার্ষিক ফি শ্রেণি ও এলাকাভেদে ৳১৫,০০০–৫০,০০০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাআয় আসে সরকারি সেবার আবেদন থেকে, টাইপ থেকে নয়। ভূমিসেবার নির্ধারিত সেবা ফি নামজারিতে ৳২০০–৩০০, পর্চায় ৳১০০–১৫০, দাখিলার প্রিন্টে ৳২০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচেয়ারের সংখ্যা, দিনের খদ্দের আর ভাড়া — এই তিনটাই সব ঠিক করে। ঢাকায় চুল কাটা ৳১২০, শেভ ৳৮০–১৩০, আর শেভে মালের খরচ একটা ব্লেড, ৳৬–২৩।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচুল, ত্বক ও সাজের সেবা। ঢাকায় বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০, পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০। বাসায় শুরু করলে পুঁজি কম, দোকান নিলে অনেক বেশি।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকাপড় ধুয়ে ইস্ত্রি করে ফেরত দেওয়ার দোকান। মফস্বলে কাপড়প্রতি ৳১০, দিনে ১০০ কাপড়ে আয় ৳১,০০০ — তবে লোডশেডিং হলেই তা ৳৩০০–৪০০-এ নেমে আসে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাত হিসেবে ঘর ভাড়ার ব্যবসা। এক তারকা হোটেলে নিবন্ধন ও লাইসেন্স মিলিয়ে শুরুতেই ৳৪২,০০০ লাগে আর অন্তত ১০টি কক্ষ থাকতে হয়; সরকারি মোটেলে ঘর ভাড়া ৳৯০০–৪,৫০০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাদিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাযন্ত্রাংশে লাভ কম, আসল লাভ হাতের মজুরিতে। মাদারবোর্ডের কাজ যিনি পারেন, অন্য দোকানও তাঁর কাছেই সেট পাঠায়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাএকটি মেশিন দিয়ে পাড়ার অর্ডার। ঈদের আগের দুই মাসে কাজ তিনগুণ হয়।