প্রতীকী ছবিতেহারী ঘর
‘তেহারী ঘর—এর কোনো শাখা নেই’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকাশুরু ১৯৮৭ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
ধানমন্ডি ১৩ নম্বরে সোবহানবাগ অফিসার্স কোয়ার্টার ফটকের উল্টো দিকের রাস্তায় তেহারী ঘর ১৯৮৭ সালে ছোট্ট জায়গায় চালু হয়; তখন মালিক ছিলেন কাজী আখলাক আহমেদ। পরের বছর কর্মচারী হিসেবে যোগ দেওয়া মো. ইকবাল হোসেন ১৯৯২ সালে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করে দোকান চালানো শুরু করেন; তিনি নিজেই প্রধান বাবুর্চি, তাঁর রেসিপিতে তিনজন বাবুর্চি রান্না করেন এবং নতুন বাবুর্চিরা তাঁর কাছেই প্রশিক্ষণ নেন। শর্ষের তেলে হাড়ছাড়া গরুর মাংস ও চিনিগুঁড়া চালের তেহারি, সঙ্গে গোল আলু ও সালাদ; ভুনা খিচুড়ি, মুরগির বিরিয়ানি ও বোরহানিও পাওয়া যায়। দাম ২০০ থেকে ৪০০ টাকা। পাঁচ-ছয়টি টেবিলে ২০–২২ জন বসতে পারেন, কিনে বাসায়ও নেওয়া যায়। ২০১০-১১ সালে দিনে দুই-আড়াই লাখ টাকার তেহারি বিক্রি হতো, এখন দিনে ৭০–৮০ হাজার টাকার খাবার বিক্রি হয়; প্রতিদিন এক মণের বেশি চালের তেহারি রান্না হয়।
পণ্য ও সেবা
গরুর মাংসের তেহারি
৳২০০–৪০০ / প্লেট
শর্ষের তেলে রান্না; দোকানের খাবারের দাম ২০০–৪০০ টাকা
ভুনা খিচুড়ি
মুরগির বিরিয়ানি
বোরহানি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

হেবাং
ছোট রেস্টুরেন্ট
ঢাকায় পাহাড়ি খাবারের রেস্তোরাঁ
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়

দূরবীন বাংলা
ছোট রেস্টুরেন্ট
মহাখালীতে সাধ্যের মধ্যে বাঙালি ঘরোয়া খাবার
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়

কিছুক্ষণ রেস্তোরাঁ
ছোট রেস্টুরেন্ট
১৯৭৮ সাল থেকে গেন্ডারিয়ার সাশ্রয়ী নস্টালজিক রেস্তোরাঁ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা১৯৭৮ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়

চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি হাইওয়ে বাংলা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং পার্টি সেন্টার
ছোট রেস্টুরেন্ট
মহাসড়কের পাশে ২৪ ঘণ্টা খোলা বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ ও পার্টি সেন্টার
ধামরাই, ঢাকা২০২৪ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
