জনশক্তি রপ্তানি এজেন্সি
বিদেশে কর্মী পাঠানোর এজেন্সি। নতুন লাইসেন্সে ৳৩৫ লাখ জামানত আর প্রায় ৳৪ লাখ ফি লাগে, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করলে ৫ বছর পর্যন্ত জেল।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

জনশক্তি রপ্তানি এজেন্সি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩৯,০০,০০০ – ৳৫০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৭ – ১৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
বিদেশে কর্মী পাঠানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি। বিদেশি মালিকের কাছ থেকে চাহিদাপত্র আনা, কর্মী বাছাই করা, মেডিকেল, প্রশিক্ষণ, ভিসা আর বিএমইটির ছাড়পত্র করিয়ে বিমানে তুলে দেওয়া — এই পুরো কাজটাই এজেন্সির। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ১১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি কর্মী বিদেশে গেছেন, তার মধ্যে সৌদি আরবেই গেছেন ৭ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৭ জন। কাজটা লাভের, কিন্তু ঢোকার দরজাটা খুব দামি। নতুন লাইসেন্স নিতে হলে সরকারের কাছে ৳৩৫ লাখ জামানত পে-অর্ডারে জমা দিতে হয় — আগে এটা ছিল ৳৫০ লাখ, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের গেজেটে কমানো হয়েছে। এর সঙ্গে আরও প্রায় ৳৪ লাখ ফি লাগে। টাকা জমা দিলেই লাইসেন্স মেলে না; ৪০০টির বেশি আবেদন প্রায় তিন বছর ধরে ঝুলে আছে, টাকা আটকে রেখে। এখানেই বড় ফাঁদ। বেশির ভাগ মানুষ আসলে শুরু করেন সাব-এজেন্ট বা দালাল হিসেবে — কারও লাইসেন্সের নিচে কর্মী জোগাড় করে দিয়ে। কিন্তু আইন বলে, লাইসেন্স ছাড়া রিক্রুটমেন্টের কাজ করা যাবে না। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ অনুযায়ী আইন ভেঙে কর্মী পাঠালে বা পাঠাতে সাহায্য করলে ৫ বছর পর্যন্ত জেল আর অন্তত ৳১ লাখ জরিমানা। ভিসা বেচাকেনা করলে ২ থেকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড আর অন্তত ৳৩ লাখ জরিমানা। কর্মী একেকজনের কাছ থেকে যা নেওয়া হয় তা সরকারের বেঁধে দেওয়া দরের তিন-চার গুণ — কম দক্ষ কর্মীর বেলায় ৳৪ লাখ থেকে ৳১০ লাখ। এই বাড়তি টাকাটাই কর্মীর ঋণ, আর এই টাকার পেছনেই মামলা, লাইসেন্স বাতিল আর জেল — ২০২৫ সালে ১৮৮টি লাইসেন্স বাতিল আর ১৯১টি স্থগিত হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০,০০০ – ৳২০,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৪,০০,০০০ – ৳১০,০০,০০০ / একক | বিতর্কিত | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১২.৫% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৭ – ১৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.৩ – ৩ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- বিএমইটি থেকে প্রতিটি কর্মীর বহির্গমন ছাড়পত্র (স্মার্ট কার্ড)। ছাড়পত্র ছাড়া কর্মী বৈধভাবে বিদেশে কাজে যেতে পারেন না।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি বাধ্যতামূলক। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- টিআইএন ও আয়কর সার্টিফিকেট, ব্যাংক হিসাব বিবরণী, পুলিশ প্রত্যয়নপত্র, এবং সরকার-নির্ধারিত অর্থের বেশি নেবেন না মর্মে হলফনামা — সবগুলোই লাইসেন্সের আবেদনের শর্ত।লাইসেন্স
- রিক্রুটিং এজেন্টের লাইসেন্স — প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ এর ৯ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া রিক্রুটমেন্টের কোনো কাজ করা যাবে না। মেয়াদ ৩ বছর, তারপর ফি দিয়ে নবায়ন। জামানত ৳৩৫ লাখ (আগে ৳৫০ লাখ; ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর গেজেটে কমানো), সঙ্গে আরও প্রায় ৳৪ লাখ ফি।লাইসেন্স
- বিদেশি নিয়োগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ ও দরকষাকষি, চাহিদাপত্র সত্যায়নের প্রক্রিয়া, ভিসা ও শ্রম আইনের জ্ঞান, আর কর্মীর কাগজপত্র নির্ভুলভাবে তৈরি করার দক্ষতা।দক্ষতা
- বিদেশে নিয়োগকারী কোম্পানি বা তাদের এজেন্ট; সরকার-অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার; কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; আর গ্রাম পর্যায়ে কর্মী জোগাড়ের লোক — যাঁদের কাজ এখন নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।সরবরাহকারী
- একটি স্থায়ী অফিস, যেখানে কর্মী ও তাঁদের পরিবার এসে বসতে পারেন এবং কাগজপত্র সংরক্ষণ করা যায়। ঢাকার নয়াপল্টন-ফকিরাপুল এলাকায় বেশির ভাগ এজেন্সির প্রধান কার্যালয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি কোন জায়গায় দাঁড়াতে চান — নিজের লাইসেন্স নেবেন, নাকি অন্যের লাইসেন্সের অধীনে কাজ করবেন। আইনে লাইসেন্স ছাড়া রিক্রুটমেন্টের কোনো কাজ করার সুযোগ নেই, এটা আগে জেনে নিন।
- 2লাইসেন্সের যোগ্যতা মিলিয়ে দেখুন। বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে, কোম্পানি হলে অন্তত ৬০ শতাংশ শেয়ার বাংলাদেশির হতে হবে, আর মানব পাচার বা অর্থ পাচারে দণ্ডিত কেউ লাইসেন্স পাবেন না।
- 3কাগজ গুছান: ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি, টিআইএনসহ আয়কর সার্টিফিকেট, ব্যাংক হিসাব বিবরণী, পুলিশ প্রত্যয়নপত্র, আর সরকার-নির্ধারিত দরের বেশি টাকা নেবেন না মর্মে হলফনামা।
- 4প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আবেদন করুন এবং ৳৩৫ লাখ জামানত পে-অর্ডারে জমা দিন। সঙ্গে আরও প্রায় ৳৪ লাখ ফি লাগে। জমা দেওয়ার পর অনুমোদন কবে আসবে তার নিশ্চয়তা নেই।
- 5লাইসেন্স পেলে বিএমইটিতে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন এবং বায়রার সদস্য হন। লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বছর, তারপর ফি দিয়ে নবায়ন করতে হয়।
- 6বিদেশি নিয়োগকারীর কাছ থেকে চাহিদাপত্র আনুন এবং সেটি সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইং দিয়ে সত্যায়ন করান। বাজার থেকে ভিসা কিনে কাজ চালানোর কথা ভুলেও ভাববেন না — এটাই সবচেয়ে কঠিন শাস্তির অপরাধ।
- 7কর্মী বাছাই করুন। মনে রাখবেন, নিয়ম অনুযায়ী বছরে অন্তত ১০০ জন কর্মী পাঠাতে হবে, তার মধ্যে অন্তত ২০ জন নিজের আনা চাহিদাপত্রের বিপরীতে। শুধু কাগজ প্রক্রিয়া করে এই শর্ত পূরণ হয় না।
- 8কর্মীর মেডিকেল, প্রাক-বহির্গমন প্রশিক্ষণ, পাসপোর্ট ও ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করুন, তারপর বিএমইটি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র (স্মার্ট কার্ড) নিন। ছাড়পত্র ছাড়া কেউ বৈধভাবে কাজে যেতে পারেন না।
- 9কর্মীর কাছ থেকে যা নিচ্ছেন তার রসিদ দিন এবং হিসাব রাখুন। বেশি নিচ্ছেন কি না, সেটাই পরে মামলার ভিত্তি হয়; হলফনামায় আপনি নিজেই লিখে দিয়েছেন বেশি নেবেন না।
- 10কর্মী পৌঁছানোর পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। বেতন না পাওয়া, কাজ না মেলা বা দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনা ঘটলে অভিযোগ এজেন্সির বিরুদ্ধেই যায় এবং জামানত থেকে ক্ষতিপূরণ কাটা যেতে পারে।
- 11প্রতি তিন বছরে লাইসেন্স নবায়ন করুন এবং নিয়মিত প্রতিবেদন জমা দিন। ২০২৫ সালে ১৮৮টি লাইসেন্স বাতিল আর ১৯১টি স্থগিত হয়েছে — নবায়ন ও শর্ত পালনই টিকে থাকার শর্ত।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীব্রাহ্মণবাড়িয়া · কুমিল্লার মতোই প্রবাসী-ঘন জেলা, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যোগাযোগ সহজ।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বিএমইটির জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, আর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া কর্মীর সংখ্যা বেশি।
- খুব উপযোগীকুমিল্লা · মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী যাওয়ার পুরোনো ও ঘন এলাকা; প্রায় প্রতি গ্রামেই প্রবাসী পরিবার আছে, তাই কর্মী জোগাড় সহজ।
- খুব উপযোগীঢাকা · লাইসেন্স, বিএমইটির ছাড়পত্র, দূতাবাসের সত্যায়ন আর বায়রার অফিস — সব ঢাকায়। এজেন্সির প্রধান কার্যালয় নয়াপল্টন-ফকিরাপুল এলাকাতেই ঘনভাবে আছে।
- খুব উপযোগীসিলেট · দীর্ঘদিনের প্রবাস-যোগাযোগ আর প্রবাসী পরিবারের হাতে টাকা থাকায় অভিবাসনের খরচ জোগাড় করা তুলনামূলক সহজ।
- সম্ভবচাঁদপুর · মেঘনা-তীরের এই জেলা থেকেও মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী যাওয়ার হার ভালো, আর ঢাকার সঙ্গে নৌ ও সড়ক দুই পথেই যোগাযোগ।
- সম্ভবমুন্সীগঞ্জ · ঢাকার পাশে এবং বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা পুরোনো; বিমানবন্দরে যাতায়াতও সহজ।
- সম্ভবনরসিংদী · ঢাকার লাগোয়া শিল্প-এলাকা, তরুণ কর্মীর সংখ্যা বেশি আর রাজধানীর অফিসে যাতায়াত সহজ।
- সম্ভবনোয়াখালী · প্রবাসী আয়ের উপর নির্ভরশীল এলাকা; পরিবারগুলো জমি বিক্রি করে হলেও একজনকে বিদেশে পাঠায়।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · ঢাকার কাছাকাছি, আর মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী যাওয়ার পুরোনো যোগাযোগ আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া কাজ করলে শাস্তি খুব কড়া। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ এর ৩১ ধারা অনুযায়ী আইন ভেঙে কাউকে বিদেশে পাঠালে বা পাঠাতে সাহায্য করলে, কিংবা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা নিলে, ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড আর অন্তত ৳১ লাখ জরিমানা। ৩৩ ধারা অনুযায়ী চাহিদাপত্র বা ভিসা কেনাবেচা করলে ২ থেকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড আর অন্তত ৳৩ লাখ জরিমানা। বেশির ভাগ নতুন লোক ঠিক এই জায়গাতেই ঢোকেন — অন্যের লাইসেন্সের নিচে কর্মী জোগাড় করে, আর বিপদ হলে দায়টা তাঁর ঘাড়েই পড়ে।
- বেশিচলতি মূলধন: লাইসেন্সের ৳৩৫ লাখ জামানত জমা দেওয়ার পরও কাজ শুরু করা যায় না। ৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর হিসাবে ৪০০টির বেশি আবেদন প্রায় তিন বছর ধরে ঝুলে আছে — মানে টাকাটা জমা, কিন্তু আয় শূন্য। এই তিন বছর নিজের চলার খরচ আর অফিস ভাড়া অন্য কোথাও থেকে আসতে হবে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: ২০২৫ সালে বিদেশে যাওয়া ১১ লাখ ২৫ হাজার কর্মীর মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৭ জনই গেছেন সৌদি আরবে। একটা দেশের উপর এত নির্ভরতার মানে হলো, সৌদি আরব ভিসা কমিয়ে দিলে বা বন্ধ করলে এজেন্সির কাজ প্রায় থেমে যায়। কাতার ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭, সিঙ্গাপুর ৭০ হাজার ৪, কুয়েত ৪২ হাজার ৬৫৭ — বাকি সব মিলিয়েও সৌদির ধারেকাছে নয়।
- বেশিচাহিদা: এজেন্সির সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। ২০১৫ সালে ছিল ৯২৩টি, ৪ নভেম্বর ২০২৫-এ ২,৬৪৬টি, আর ১৪ মার্চ ২০২৬-এ ২,৬৭৬টি। অভিবাসন গবেষকেরা বলছেন দেশের জন্য ৫০০ থেকে ৮০০টি এজেন্সিই যথেষ্ট। এত ভিড়ে অনেক এজেন্সি নিজের চাহিদাপত্র আনতেই পারে না, শুধু অন্যের জোগাড় করা কর্মীর কাগজ প্রক্রিয়া করে — অথচ নিয়ম বলে বছরে অন্তত ১০০ জন পাঠাতে হবে, তার ২০ জন নিজের চাহিদাপত্রে।
- বেশিঅন্যান্য: লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হওয়া এখানে নিয়মিত ঘটনা। ২০২৫ সালে ১৮৮টি লাইসেন্স বাতিল আর ১৯১টি স্থগিত হয়েছে, একই বছরে ২৫২টি নতুন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কর্মীর কাছ থেকে সরকার-নির্ধারিত দরের বেশি নেওয়া — বাস্তবে কম দক্ষ কর্মীর কাছ থেকে ৳৪ লাখ থেকে ৳১০ লাখ, যা বেঁধে দেওয়া দরের তিন-চার গুণ — এই বাতিল আর মামলার সবচেয়ে বড় কারণ।
সূত্র
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৮ নং আইন) — ধারা ৯, ১০, ১১, ৩১, ৩২, ৩৩
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাসমিতি ও ক্ষুদ্রঋণ
সমিতি গড়ে সঞ্চয় ও ছোট ঋণ। এমআরএ-র সনদ বাধ্যতামূলক, আর ৪ নভেম্বর ২০২৪ থেকে নতুন সনদের আবেদনই বন্ধ। সার্ভিস চার্জের সর্বোচ্চ সীমা ক্রমহ্রাসমান ২৪ শতাংশ।
- পুঁজি
- ৳১৫ লাখ – ৳৫২ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩৫ – ৭০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্রাভেল এজেন্সি
টিকিট, ভিসা ও হজ-ওমরাহ প্যাকেজের ব্যবসা। মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনে লাগে ৳৬২,৫০০, তিন বছর পর নবায়ন ৳২৫,০০০, আর ২০২৬ সালের অধ্যাদেশে ১০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি বাধ্যতামূলক।
- পুঁজি
- ৳১২ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামানি এক্সচেঞ্জ
বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স নিয়ে বিদেশি নোট কেনা-বেচা। ২১-০৯-২০২৬ তারিখে ডলার কেনা ৳১২৫.৬০, বেচা ৳১২৬.৬০ — অর্থাৎ প্রতি ডলারে হাতে থাকে মাত্র এক টাকা। লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ ফৌজদারি অপরাধ, সাজা সাত বছর পর্যন্ত জেল।
- পুঁজি
- ৳১০ লাখ – ৳৪৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্রাক ও পিকআপ ভাড়া
ট্রাক বা পিকআপ দিয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা। ডিজেল সরকারি দরে ৳১১৫ লিটার, কিন্তু ট্রাকভাড়ার কোনো সরকারি তালিকা নেই — দর-কষাকষিই ভরসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
