বালু ভরাট ও মাটি কাটা
জমি ভরাট, পুকুর ভরাট ও মাটি কাটার ঠিকাদারি। ঢাকায় ভরাট বালু ঘনফুট ৳৮–১২, আর অনুমতি ছাড়া মাটি তুললে ভেকু বাজেয়াপ্ত ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বালু ভরাট ও মাটি কাটা
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ২০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৩৬৫ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ৩ – ৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
জমি ভরাট আর মাটি কাটার কাজ। বাড়ি তোলার আগে নিচু জমি বালু দিয়ে উঁচু করা, পুকুর বা ডোবা ভরাট করা, ভিতের জন্য মাটি কাটা, রাস্তার পাশে মাটি ফেলা — সবই এই ব্যবসা। আয় আসে দুই দিক থেকে: বালু বেচে, আর যন্ত্র ভাড়া দিয়ে। ঢাকার বাজারে ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ভিটি বা ভরাট বালু প্রতি ঘনফুট ৳৮–১২, সিলেকশন বা লোকাল বালু ৳১৭–২৭, সিলেটের লাল বালু ৳৩৭–৪৫। ছাদ ঢালাইয়ের মিডিয়াম সিলেকশন বালুর ১০ চাকার এক ট্রাক, প্রায় ৯৫০–১০০০ ঘনফুট, ৳২৪,০০০–২৫,০০০। খরচের বড় অংশ গাড়ি ভাড়া — প্রথম আলোর হিসাবে ১৮০ ফুটের এক গাড়ি বালুর দাম ৳১,২০০ হলেও ট্রাক ভাড়াই লাগে ৳২,৩০০–২,৪০০। অর্থাৎ বালুর চেয়ে বহনের খরচ বেশি। আইনটা এখানে কঠিন, আর সেটা না জানলে সর্বনাশ। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী সেতু, বাঁধ, সড়ক, রেললাইন বা আবাসিক এলাকার এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু-মাটি তোলা নিষিদ্ধ। ব্যক্তিমালিকানার জমি থেকেও উর্বর কৃষিজমির মাটি বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি তোলা যাবে না। ধরা পড়লে দুই বছর পর্যন্ত জেল, ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, আর ভেকু-ড্রেজার ও মাটিবাহী গাড়ি বাজেয়াপ্ত।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৯১,০০০ – ৳২,৮১,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮ – ৳৪৫ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬ – ৳৩৮ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১৫% – ২৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৩৬৫ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১,৫০০ – ৩০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ভেকু বা এক্সকাভেটর, ড্রেজার ও পাইপ, মাটি-বালু বহনের ট্রাক বা ট্রাক্টর, কোদাল-ঝুড়ি ও পানির পাম্প। বড় যন্ত্র সাধারণত ভাড়ায় নেওয়া হয়; ভাড়ার হার কোনো প্রকাশিত সূত্রে পাওয়া যায়নি।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
- বালুমহাল ইজারা — জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১০ ধারা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্রে। তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ দরপত্রে অংশ নিতে পারে না, আর কালো তালিকাভুক্ত ইজারাগ্রহীতা বাদ। মেয়াদ এক বছর, ১ বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র (ধারা ১৩)। ইজারার টাকার অঙ্ক মহালভেদে আলাদা এবং তা প্রকাশিত নেই।লাইসেন্স
- উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতি — নিজের জমি থেকে বসতবাড়ি নির্মাণ বা নিজস্ব প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে মাটি তুলতে হলে আইনের ৭ক ধারা অনুযায়ী এই অনুমতি লাগে। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হলে এই ছাড় প্রযোজ্য নয়।লাইসেন্স
- জমির মাপ নিয়ে ঘনফুট হিসাব করা, বালুর মান চিনে নেওয়া (ভরাট, সিলেকশন, লাল বালু), আর কোথায় তোলা আইনে নিষিদ্ধ তা জানা।দক্ষতা
- বালুমহালের ইজারাদার বা বালুর গদি, আর ট্রাক-ট্রাক্টরের মালিক সমিতি। বালুর চেয়ে বহনের খরচ বেশি হওয়ায় গাড়ির মালিকদের সঙ্গে দরদামই এই ব্যবসার আসল দর কষাকষি।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি কোন দিকটা করবেন — বালুমহাল ইজারা নিয়ে বালু তোলা, না শুধু বালু কিনে এনে জমি ভরাটের ঠিকাদারি। দ্বিতীয়টায় পুঁজি ও ঝুঁকি দুটোই কম।
- 2বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ও ৭ক ধারা পড়ে নিন। সেতু, বাঁধ, সড়ক, রেললাইন ও আবাসিক এলাকার এক কিলোমিটারের ভেতরে তোলা নিষেধ, আর উর্বর কৃষিজমি থেকে বাণিজ্যিকভাবে মাটি তোলা নিষেধ।
- 3ইজারা নিতে চাইলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তালিকাভুক্ত হোন। আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ উন্মুক্ত দরপত্রে অংশ নিতে পারে না।
- 4সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর কোম্পানির কাজ ধরতে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করান।
- 5যন্ত্রের ব্যবস্থা করুন — ভেকু বা এক্সকাভেটর, ড্রেজার ও পাইপ, আর মাটি-বালু বহনের ট্রাক বা ট্রাক্টর। শুরুতে কিনবেন না, ভাড়া নিন; কাজ না থাকলেও কেনা যন্ত্রের কিস্তি থামে না।
- 6বালুর উৎস ঠিক করুন — কোন মহাল থেকে, কত দূর থেকে আসবে। প্রথম আলোর হিসাবে বালুর দামের চেয়ে ট্রাক ভাড়া বেশি, তাই দূরত্বই আপনার লাভ ঠিক করে দেয়।
- 7কাজের আগে জমির মাপ নিন আর কত ঘনফুট বালু লাগবে তা হিসাব করুন — দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × যত ফুট উঁচু করতে হবে। এই হিসাব ভুল হলে থোক চুক্তিতে লোকসান।
- 8উত্তোলিত বালু রাস্তা, খেলার মাঠ বা পার্কে স্তূপ করে রাখবেন না — আইনের ৭খ ধারায় এটা আলাদা করে নিষেধ, আর জনদুর্ভোগের অভিযোগেই বেশির ভাগ অভিযান হয়।
- 9চুক্তিতে লিখে নিন — কত ঘনফুট, কোন মানের বালু, কত দিনে, আর টাকা কোন ধাপে। মুখের কথায় ভরাটের কাজ নিলে মাপ নিয়ে বিরোধ হয়।
- 10শুকনো মৌসুমেই কাজের বড় অংশ শেষ করুন। বর্ষায় নদী ভরা থাকে, মহাল বন্ধ থাকে আর ভেজা জমিতে ভরাট টেকে না।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · প্লট ও আবাসন প্রকল্পের ভরাটের কাজ সবচেয়ে বেশি, আর বালুর দরও এখানে সবচেয়ে চড়া।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা ও শ্রমিক আবাসনের জন্য জমি ভরাটের কাজ বারো মাস চলে।
- খুব উপযোগীমুন্সীগঞ্জ · পদ্মা-মেঘনার বালুমহাল কাছে, আর ঢাকার দক্ষিণে বড় আবাসন প্রকল্পের ভরাট এখান থেকেই হয়।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া নিচু জমিতে ভরাটের কাজ বেশি, আর নদীপথে বালু আনা সহজ।
- খুব উপযোগীসিলেট · সিলেটের লাল বালুর দর সবচেয়ে বেশি, ঘনফুট ৳৩৭–৪৫; তবে বালুমহাল নিয়ে বিরোধ ও অভিযানও এখানে বেশি।
- সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · তিতাস ও মেঘনার বালু, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছে হওয়ায় সরবরাহ সুবিধাজনক।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · শিল্প ও আবাসন প্রকল্পের ভরাটের চাহিদা বেশি, তবে পাহাড় কাটা আইনে আলাদাভাবে নিষিদ্ধ।
- সম্ভবপঞ্চগড় · নদীর বালু ও পাথরের বড় উৎস, তবে ঢাকায় আনতে ট্রাক ভাড়াই সবচেয়ে বড় খরচ।
- সম্ভবরাজবাড়ী · পদ্মার বালুমহাল ও ফেরিঘাটকেন্দ্রিক সরবরাহ; স্থানীয় চাহিদার চেয়ে বাইরে পাঠানোই বেশি।
- সম্ভবসুনামগঞ্জ · যাদুকাটা ও অন্যান্য নদীর বালুমহাল; ইজারা ও অভিযান দুটোই নিয়মিত খবরে আসে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারায় অনুমতি ছাড়া বালু বা মাটি তুললে অনূর্ধ্ব দুই বছর কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা দুটোই। সঙ্গে ব্যবহৃত ড্রেজার, ভেকু ও বালুবাহী গাড়ি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়। বিচার হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতে, অর্থাৎ ঘটনাস্থলেই। ভাড়ায় আনা ভেকু বাজেয়াপ্ত হলে মালিককে তার দামও দিতে হয়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ৪ ধারায় সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারেজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কিংবা আবাসিক এলাকা থেকে সর্বনিম্ন এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু-মাটি তোলা নিষিদ্ধ; প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকাতেও নিষিদ্ধ। ৭ক ধারায় ব্যক্তিমালিকানার জমি থেকেও উর্বর কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি তোলা যাবে না। অনেক ঠিকাদার এই ধারাগুলো না জেনেই কাজ ধরেন, আর জমির মালিকের অনুমতিই যথেষ্ট ভেবে বসেন — সেটা যথেষ্ট নয়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: খরচের সবচেয়ে বড় অংশ গাড়ি ভাড়া, আর সেটা ঠিকাদারের হাতে নয়। প্রথম আলোর হিসাবে ১৮০ ফুটের এক গাড়ি বালুর দাম ৳১,২০০ হলেও ট্রাক ভাড়া ৳২,৩০০–২,৪০০। জ্বালানির দাম বাড়লে বা পরিবহন সমিতি ভাড়া বাড়ালে থোক চুক্তির পুরো লাভ চলে যায়। দূরের জেলা থেকে বালু আনলে ঝুঁকি আরও বেশি।
- মাঝারিচাহিদা: কাজ পুরোপুরি মৌসুমি। বর্ষায় নদী ভরা থাকে, বালুমহাল বন্ধ থাকে আর ভেজা জমিতে ভরাটের কাজ টেকে না। বছরের প্রায় চার মাস কাজ প্রায় বন্ধ, অথচ ভেকুর কিস্তি আর শ্রমিকের অগ্রিম চলতেই থাকে।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: আবাসন কোম্পানি ও প্লট ব্যবসায়ীরা বড় কাজ দেন কিন্তু বিল ছাড়েন ধাপে ধাপে, আর মাপ নিয়ে দর কষাকষি করেন। এদিকে গাড়ি ভাড়া ও শ্রমিকের মজুরি প্রতিদিন নগদ দিতে হয়। বড় ভরাটের কাজে এই ফাঁক কয়েক লাখ টাকার হতে পারে।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপজুতা তৈরির কারখানা
ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপথাই গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম
অ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৬০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপখাতা তৈরির কারখানা
কাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপআগর-আতর উৎপাদন
আগরগাছের কাঠ ভিজিয়ে জ্বাল দিয়ে সুগন্ধি আতর নামানো। বড়লেখার সুজানগরে প্রায় ২৫০টি কারখানা, মানভেদে তোলাপ্রতি ৳৬,০০০–১০,০০০, আর প্রায় পুরোটাই রপ্তানি হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ২,৫৫৫ – ১০,৯৫০ দিন
