তুলসীমালা সুগন্ধি চাল
শেরপুরের জিআই স্বীকৃত সুগন্ধি ধান ফলিয়ে ও ছাঁটিয়ে বিক্রি। ধান ৳২,২০০–২,৪০০ মণ, চাল অনলাইনে ৳১৪৫–১৫০ কেজি — জিআই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সুগন্ধি চালের চেয়ে দাম বেশি নয়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

তুলসীমালা সুগন্ধি চাল
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০,০০০ – ৳৩,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১২০ – ১৮০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৬ – ১২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ধান তুলসীমালা ফলানো, ছাঁটিয়ে চাল করা আর সেই চাল নামে-মোড়কে বিক্রি করা। চিকন ও কালচে এই ধান রোপা আমন মৌসুমের, জুলাই-আগস্টে রোপণ হয় আর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাল বাজারে আসে। পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুড়ি, পায়েস আর পিঠায় এর কদর। ২০২৫ সালের আমন মৌসুমে শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ৮ হাজার ৭১৮ হেক্টর জমিতে এই ধান হয়েছে — নালিতাবাড়ীতে সবচেয়ে বেশি, ৪ হাজার ১৪৭ হেক্টর। একরে ফলন ৩০ থেকে ৩২ মণ আর মণপ্রতি দাম ৳২,২০০–২,৪০০। ৬৮ কেজি ধান ছাঁটলে এক মণ অর্থাৎ ৪০ কেজি চাল পাওয়া যায়। ২০২৩ সালের ১২ জুন তুলসীমালা ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতি পায়, দেশের ১৪তম জিআই পণ্য হিসেবে। কিন্তু এই স্বীকৃতিতে দাম বেড়েছে কি না, সেটা হিসাব করে দেখা দরকার। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনলাইনে তুলসীমালা চাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৳১৪৫–১৫০ দরে, অথচ জিআই না পাওয়া চিনিগুঁড়া সুগন্ধি চাল একই জায়গায় ৳১৪০, আর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ঢাকার খুচরা বাজারে সাধারণ সুগন্ধি বা পোলাওয়ের চালের দর ছিল ৳১৭০–২১৫। অর্থাৎ জিআই তকমা তুলসীমালার দামকে সাধারণ সুগন্ধি চালের উপরে তোলেনি। চাষির হাতেও সেই বাড়তি টাকা পৌঁছায়নি — ধানের দাম চাষির ঘর খালি হওয়ার পরেই বাড়ে। একরে ফলন কম বলে অনেক চাষি এই ধান করতেই চান না।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮,০০০ – ৳৬০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৪৫ – ৳১৫০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৯৪ – ৳১০২ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩০% – ৩৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১২০ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ১২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২ – ১২ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মোড়কজাত করার জন্য সিলিং মেশিন, ওজনের পাল্লা আর ৫ কেজি-১০ কেজির প্যাকেট; অনলাইনে বিক্রি করতে চাইলে এগুলো ছাড়া চলে না।যন্ত্রপাতি
- শুদ্ধ তুলসীমালা বীজ। মিশ্রিত বীজে গন্ধ নষ্ট হয় আর চালকল দাম কমিয়ে দেয়।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। শুধু ধান ফলিয়ে হাটে বেচলে লাগে না, চাল কিনে-বেচলে বা মোড়কজাত করলে লাগে।লাইসেন্স
- খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা ২০২৬ অনুযায়ী নিবন্ধন — মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।লাইসেন্স
- ধান শুকানোর মাত্রা বোঝা — সুগন্ধি ধানে বেশি আর্দ্রতা থাকলে গন্ধ চলে যায়, আবার বেশি শুকালে ভাঙা চাল বাড়ে।দক্ষতা
- চালকল। শেরপুর জেলায় প্রায় অর্ধশত স্বয়ংক্রিয় চালকল তুলসীমালা ছাঁটায়; ৬৮ কেজি ধানে ৪০ কেজি চাল ধরে হিসাব হয়।সরবরাহকারী
- আমন মৌসুমের জমি। শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ২০২৫ সালে ৮,৭১৮ হেক্টরে এই ধান হয়েছে — নালিতাবাড়ী ৪,১৪৭, শেরপুর সদর ২,২২৫, ঝিনাইগাতী ১,২৩১, নকলা ৬৯১ ও শ্রীবরদী ৪২৫ হেক্টর।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1শুদ্ধ তুলসীমালা বীজ জোগাড় করুন। শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী, নকলা, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর কৃষকদের কাছেই বীজ থাকে; উপজেলা কৃষি অফিস প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়।
- 2জুলাই-আগস্টে রোপা আমন হিসেবে চারা লাগান। এটি আমন ছাড়া অন্য মৌসুমে হয় না।
- 3একরে ৩০–৩২ মণের বেশি আশা করবেন না। ফলন কম বলেই অনেকে এই ধান ছেড়ে দেন — জমি কতটা দেবেন তা এই সংখ্যাটা দেখে ঠিক করুন।
- 4অগ্রহায়ণে ধান কেটে মাড়াই করুন আর ভালো করে শুকান। সুগন্ধি ধানে আর্দ্রতা বেশি থাকলে গন্ধ নষ্ট হয় আর চালকল দাম কম দেয়।
- 5সব ধান একসঙ্গে হাটে ঢালবেন না। মৌসুমের শুরুতে চাষিরা যে দামে বেচেন, ঘর খালি হওয়ার পর সেই দাম অনেক বেড়ে যায় — বাড়তি টাকাটা তখন ব্যাপারী ও চালকলের ঘরে যায়।
- 6চালকলে ছাঁটাতে দিন। ৬৮ কেজি ধানে এক মণ অর্থাৎ ৪০ কেজি চাল পাওয়া যায় — এই অনুপাতটা মাথায় রেখেই দাম ঠিক করুন।
- 7শেরপুরের আড়তে বিক্রি করুন। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে সুগন্ধি চালের সবচেয়ে বড় আড়ত শেরপুরে, আর জেলার প্রায় অর্ধশত চালকল এখান থেকেই ঢাকায় সরবরাহ করে।
- 8নিজের নামে মোড়কজাত করতে চাইলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।
- 9অনলাইনে সরাসরি বিক্রির পথ খুলুন। শেরপুরের উদ্যোক্তারা ২০২০ সাল থেকে ফেসবুক গ্রুপ আর মার্কেটপ্লেসে তুলসীমালা চাল পাঠাচ্ছেন; এখন ৫ কেজির প্যাকেট ৳৭২৫ দরে বিক্রি হচ্ছে।
- 10জিআই নিয়ে বাড়তি দামের আশা করবেন না। ২০২৩ সালের জিআই স্বীকৃতির পরেও অনলাইনে তুলসীমালা ৳১৪৫–১৫০, আর জিআইবিহীন চিনিগুঁড়া ৳১৪০ — পার্থক্য নেই বললেই চলে। জিআই কাজে লাগে পরিচিতিতে, দামে নয়।
- 11রপ্তানিকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। শেরপুর থেকে তুলসীমালা চাল দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে যায়, তবে রপ্তানির অনুমতি হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেকম
- জুনকম
- জুলাইবেশি
- আগস্টবেশি
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · শেরপুরের চালকলমালিকেরা ময়মনসিংহের দুর্গাপুর, গৌরীপুর, ফুলপুর ও হালুয়াঘাটের হাটবাজার থেকেও সুগন্ধি আতপ ধান কেনেন — একই কৃষি অঞ্চল, একই ধান।
- খুব উপযোগীশেরপুর · তুলসীমালার নিজের জেলা। ২০২৫ আমন মৌসুমে পাঁচ উপজেলায় ৮,৭১৮ হেক্টরে আবাদ — নালিতাবাড়ী ৪,১৪৭, সদর ২,২২৫, ঝিনাইগাতী ১,২৩১, নকলা ৬৯১, শ্রীবরদী ৪২৫ হেক্টর। জেলায় প্রায় অর্ধশত অটো রাইস মিল আর বৃহত্তর ময়মনসিংহের সবচেয়ে বড় সুগন্ধি চালের আড়ত এখানেই।
- সম্ভবঢাকা · উৎপাদনের নয়, বিক্রির জেলা। শেরপুরের চালকলমালিকেরা ঢাকার সুগন্ধি চালের চাহিদার অর্ধেক জোগান দেন বলে জানান জেলা চালকল মালিক সমিতি।
- সম্ভবদিনাজপুর · সুগন্ধি ধানের প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্র — দেশের বেশির ভাগ চিনিগুঁড়া (ব্রি-৩৪) এখানেই হয়, ৯৫ হাজার হেক্টরে, আর ধানকে ঘিরে ছোট-বড় প্রায় ২০০ অটো রাইস মিল গড়ে উঠেছে। তুলসীমালার দাম আসলে এই বাজারের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করে।
- সম্ভবজামালপুর · শেরপুরের লাগোয়া জেলা, একই ময়মনসিংহ অঞ্চলের আমন বেল্টে আর শেরপুরের আড়ত এক ঘণ্টার পথ।
- সম্ভবনেত্রকোণা · একই অঞ্চলের আমন জেলা; সুগন্ধি আতপ ধান কেনার হাটগুলো দুর্গাপুর হয়ে শেরপুরের চালকলে যায়।
- সম্ভবপঞ্চগড় · চিনিগুঁড়ার তৃতীয় উৎপাদন এলাকা, উত্তরের সুগন্ধি চালের জোগানের অংশ।
- সম্ভবঠাকুরগাঁও · চিনিগুঁড়া সুগন্ধি ধানের আরেক উৎপাদন এলাকা; সুগন্ধি চালের সরবরাহ ও দাম এখান থেকেও প্রভাবিত হয়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: জিআই পেয়েও দাম বাড়েনি। ২০২৩ সালের ১২ জুন তুলসীমালা দেশের ১৪তম জিআই পণ্য হয়, কিন্তু ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনলাইনে এর দাম কেজি ৳১৪৫–১৫০, আর জিআইবিহীন চিনিগুঁড়া সুগন্ধি চাল একই জায়গায় ৳১৪০। টিসিবির ১৫-০৯-২০২৬ তালিকায় সাধারণ সুগন্ধি বা পোলাওয়ের চালের খুচরা দর ৳১৭০–২১৫, অর্থাৎ তুলসীমালা সেই ব্যান্ডের নিচেই। যে উদ্যোক্তা জিআই তকমা দেখিয়ে বাড়তি দাম ধরে হিসাব করবেন, তিনি ভুল হিসাব করবেন।
- বেশিচলতি মূলধন: চাষির ঘর খালি হওয়ার পরেই দাম বাড়ে। একই সুগন্ধি ধানের বাজারে দেখা গেছে, মৌসুমে ৭৫ কেজির এক বস্তা ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, পরে তা ৬ হাজার আর শেষে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় উঠেছে — কিন্তু যে দিন দাম ৫ হাজার ২০০ ছুঁয়েছে, তার আগেই কৃষকের ঘরের ধান শেষ। যাঁর ধান ধরে রাখার টাকা নেই, তিনি সবচেয়ে কম দামে বেচতে বাধ্য।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: একরে ফলন ৩০–৩২ মণ, যা সাধারণ আমন ধানের চেয়ে কম। এক চাষির ভাষায়, ‘একরে ধানের পরিমাণ কম হওয়ায় অনেকেই এই ধান চাষ করতে চান না।’ কম ফলনের ক্ষতি পোষাতে হলে মণপ্রতি দাম বেশি পেতেই হবে, আর সেই বাড়তি দাম বাজারে নেই।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: সুগন্ধি চালের পুরো দামটাই গন্ধের উপর। ঠিকমতো না শুকালে বা স্যাঁতসেঁতে গুদামে রাখলে গন্ধ চলে যায়, আর গন্ধ চলে গেলে সেটা তখন সাধারণ চিকন চাল — দাম প্রায় অর্ধেক। বর্ষায় শুকানোর জায়গা না থাকা ছোট চাষির জন্য এটাই বড় ঝুঁকি।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: মোড়কজাত করে বিক্রি করলে খাদ্য নিরাপত্তা নিবন্ধন লাগে আর মোড়কে ওজন, মেয়াদ ও উৎপাদকের তথ্য থাকতে হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সুগন্ধি চালের দোকানে অভিযান চালায় — সুগন্ধি চালের দাম নিয়ে একজন ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যদিও তিনি কোম্পানির গুদাম থেকেই ওই দামে কিনেছিলেন বলে দাবি করেন।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসৌর শুঁটকি — মাচা ও সোলার ড্রায়ারে শুকানো
মাটিতে নয়, মাচায় বা সোলার ড্রায়ারে মাছ শুকিয়ে কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি বানানো। ৩ জুন ২০২৬-এ চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ভালো ছুরি শুঁটকি ৳২,০০০–২,৫০০ আর লইট্টা ৳৬০০–১,৫০০ কেজি।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৬০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপনির ও ছানা তৈরি
দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৩৫ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশুঁটকি প্রক্রিয়াজাত
কাঁচা মাছ কিনে তিন-চার দিন রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বিক্রি। ডিসেম্বর ২০২৫-এ দর ছিল পোয়া ৳৫০০–৮০০ থেকে রূপচাঁদা ৳১৮০০–২৫০০ কেজি; কীটনাশক ছাড়া শুকানোই রপ্তানির শর্ত।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ৪ – ৩০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকর্পোরেট খাবার সরবরাহ
অফিসে প্রতিদিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। ঢাকায় সকালের নাশতা ৳৪০ থেকে আর দুপুরের প্যাকেজ ৳৮৫–১৫০ টাকায় বিক্রি হয়, কিন্তু অফিস বিল দেয় মাস শেষে।
- পুঁজি
- ৳৪৫ হাজার – ৳১.৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
