মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

কর্পোরেট খাবার সরবরাহ

অফিসে প্রতিদিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। ঢাকায় সকালের নাশতা ৳৪০ থেকে আর দুপুরের প্যাকেজ ৳৮৫–১৫০ টাকায় বিক্রি হয়, কিন্তু অফিস বিল দেয় মাস শেষে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
কর্পোরেট খাবার সরবরাহ

কর্পোরেট খাবার সরবরাহ

শুরুর পুঁজি
৳৪৫,০০০ – ৳১,৮০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৭ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘরে বসে · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

অফিসের কর্মীদের জন্য প্রতিদিন রান্না করা খাবার বানিয়ে অফিসে পৌঁছে দেওয়া — এটাই এই ব্যবসা। সকালের নাশতা, দুপুরের ভাত, অথবা দুটোই। বাসার রান্নাঘর থেকেই শুরু করা যায়, আলাদা দোকান লাগে না। ক্রেতা একজন মানুষ নয়, একটা অফিস। তাই একবার একটা অফিস ধরতে পারলে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০ প্লেট বাঁধা থাকে। টাকার হিসাবটা এখানে একটু অন্যরকম। ভাতের হোটেলে খদ্দের খেয়ে দাম দিয়ে চলে যায়, হাতে নগদ থাকে। কিন্তু অফিস মাস শেষে বিল দেয়, কেউ কেউ তারও ১৫ দিন পরে। অর্থাৎ আপনি এক থেকে দেড় মাসের বাজারের টাকা নিজের পকেট থেকে আগে ঢালবেন, পরে ফেরত পাবেন। যাদের হাতে এই টাকা নেই, তাদের ব্যবসা তিন মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। লাভ থাকে খুব পাতলা জায়গায়। ঢাকার খুচরা বাজারে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মোটা চাল ৳৫০–৫৫, আটা ৳৪৮–৫০, মসুর ডাল ৳৯০–১০০, ফার্মের ডিম প্রতি হালি ৳৪৮–৫০ আর ব্রয়লার মুরগি ৳১৮০–২০০ কেজি। এই দামে দুই পরোটা, ডাল, আলুভাজি আর একটা ডিমের কাঁচামালই পড়ে ৳২৭–৩০। তার সঙ্গে ফয়েলের বাক্স ৳৯, গ্যাস, আর পৌঁছে দেওয়ার খরচ যোগ করলে ৳৪০ দামে লাভ প্রায় থাকে না। তাই যারা টেকে, তারা কারওয়ান বাজার বা মহাখালীর পাইকারি দরে বাজার করে আর একসঙ্গে অনেক প্লেট রান্না করে। কম প্লেটে এই ব্যবসায় লাভ হয় না। বিল আদায়, খাবারের মান ঠিক রাখা আর সময়মতো পৌঁছানো — এই তিনটাই ব্যবসাটা বাঁচায়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩০,০০০ – ৳৯০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪০ – ৳১৫০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৭ – ৳৪৮ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২০% – ৪০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৭ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩০ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩০ – ১৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • বড় হাঁড়ি, কড়াই ও ডেকচি; দুই বার্নারের চুলা; এলপিজি সিলিন্ডার — ১২ কেজি সিলিন্ডারের সরকারি দর ৳১,৫৮৫ (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে); ফ্রিজ; আর খাবার গরম রাখার ব্যাগ।যন্ত্রপাতি
  • ৭৫০ মিলি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের বাক্স — প্রতিটি প্রায় ৳৯.২০। সঙ্গে ঢাকনা, চামচ ও পলিব্যাগ।শুরুর মাল
  • ভ্যাট নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ক্যাটারিং বা খাবার সরবরাহ সেবায় ভ্যাট ১৫ শতাংশ, অথচ বসে খাওয়ার রেস্টুরেন্টে মাত্র ৫ শতাংশ। রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি ২০২৬-২৭ বাজেটে এটি ৫ শতাংশে নামানোর দাবি জানিয়েছে।লাইসেন্স
  • নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) বিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী ক্যাটারিং সেবার জন্য এটা বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। আবেদন ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ এবং ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। কাগজপত্র ঠিক থাকলে ৩–৫ কর্মদিবসে হয়।লাইসেন্স
  • একসঙ্গে অনেক মানুষের রান্না, খাবারের স্বাদ প্রতিদিন এক রাখা, আর মাসের হিসাব লিখে রাখা।দক্ষতা
  • পাইকারি কাঁচাবাজার — ঢাকায় কারওয়ান বাজার ও মহাখালী। প্যাকেট ও ফয়েলের বাক্সের জন্য চকবাজার।সরবরাহকারী
  • রান্নার জায়গা — শুরুতে নিজের রান্নাঘরই যথেষ্ট। দিনে ১০০ প্লেটের বেশি হলে আলাদা ভাড়া রান্নাঘর লাগে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1কাছের অফিসপাড়ায় গিয়ে দেখুন কোন অফিসে কত কর্মী আর তাঁরা এখন দুপুরে কী খান।
  2. 2কত প্লেটে কত খরচ পড়ে হিসাব করুন। বাজারদর টিসিবির দৈনিক তালিকা থেকে নিন, অনুমানে নয়।
  3. 3তিন-চারটি অফিসে বিনামূল্যে নমুনা খাবার পাঠান। এটাই এই ব্যবসার আসল বিজ্ঞাপন।
  4. 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স করুন।
  5. 5নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — ২০২৬ সালের নতুন বিধিমালায় খাবার সরবরাহকারীদের জন্য এটা বাধ্যতামূলক।
  6. 6রান্নাঘর গোছান: বড় হাঁড়ি, চুলা, গ্যাস সিলিন্ডার, ফ্রিজ আর খাবার নেওয়ার ব্যাগ।
  7. 7অফিসের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করুন। প্লেট সংখ্যা, দাম, বিল দেওয়ার তারিখ আর অগ্রিম — সব কাগজে লিখুন।
  8. 8পাইকারি বাজার ঠিক করুন। কারওয়ান বাজার বা মহাখালীতে সপ্তাহে একবার বাজার করলে খরচ অনেক কমে।
  9. 9প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার পৌঁছান। দুপুর ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে না পৌঁছালে চুক্তি টেকে না।
  10. 10মাসের শেষ দিনে বিল দিন আর সাত দিনের মধ্যে একবার মনে করিয়ে দিন। বিল আদায়ই এই ব্যবসার আসল কাজ।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চকম
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, শিপিং ও আমদানি-রপ্তানি অফিসে দুপুরের খাবারের নিয়মিত চাহিদা আছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · গুলশান, বনানী, মহাখালী, কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলে অফিসের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ঢাকার চালু সেবাগুলো এই এলাকাতেই খাবার দেয়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার স্টাফ ও ব্যবস্থাপনা দলের জন্য প্রতিদিন অনেক প্লেট লাগে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস অনেক, আর ঢাকার পাইকারি বাজার কাছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ইপিজেড ও মহাসড়কের পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
  • সম্ভবখুলনা · সরকারি অফিস ও চিংড়ি রপ্তানিকারকদের অফিস আছে, চাহিদা মাঝারি।
  • সম্ভবনরসিংদী · শিল্প এলাকা আছে, তবে অফিসকর্মীর সংখ্যা ঢাকার তুলনায় অনেক কম।
  • সম্ভবরাজশাহী · শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরকেন্দ্রিক চাহিদা।
  • সম্ভবসিলেট · ব্যাংক, প্রবাসী-সংশ্লিষ্ট অফিস ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।
  • কম উপযোগীবগুড়া · অফিসের সংখ্যা কম, বেশির ভাগ মানুষ বাসা থেকে খাবার আনে।
  • কম উপযোগীরংপুর · কর্পোরেট অফিস প্রায় নেই বললেই চলে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিবাকিতে বিক্রি: অফিস মাস শেষে বিল দেয়, অনেক অফিস তারও ১৫–৩০ দিন পরে। দিনে ১০০ প্লেট ৳১০০ দরে দিলে এক মাসে ৳৩ লাখ টাকার খাবার আপনি আগে দিয়ে দিয়েছেন, টাকা পাবেন পরে। এই টাকা হাতে না থাকলে ব্যবসা তিন মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: একটা অফিসের উপর পুরো ব্যবসা দাঁড়িয়ে থাকলে সেই অফিস চুক্তি বাতিল করলেই আয় শূন্য হয়ে যায়। অফিস কর্মী ছাঁটাই করলে বা বাসা থেকে কাজ শুরু করলেও প্লেট সংখ্যা রাতারাতি অর্ধেক হয়ে যায়।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: রান্না করা খাবার একই দিনে বিক্রি না হলে পুরোটাই নষ্ট। ছুটির দিন হঠাৎ ঘোষণা হলে সেদিনের পুরো রান্না ফেলে দিতে হয়। গরমের দিনে খাবার নষ্ট হলে অফিসের কর্মী অসুস্থ হয়ে চুক্তি সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: কাঁচামালের দাম মাসের মাঝেই বাড়ে কিন্তু অফিসের সঙ্গে দাম এক বছরের জন্য ঠিক করা থাকে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১১ শতাংশ আর ব্রয়লার মুরগির দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে, অথচ প্লেটের দাম বাড়ানো যায়নি।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) বিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী এখন ক্যাটারিং সেবাকেও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করতে হয়। আগে বাসার রান্নাঘর থেকে চালানো ব্যবসাগুলো এই নিয়মের বাইরে ছিল, এখন নয়।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ক্যাটারিং সেবায় ভ্যাট ১৫ শতাংশ — বসে খাওয়ার রেস্টুরেন্টের তিন গুণ। ৳১০০ টাকার প্লেটে ভ্যাটই ৳১৫, অথচ কাঁচামাল ও প্যাকেটের পর হাতে থাকে ৳৩০–৪০। নিবন্ধিত হয়ে অফিসকে চালান দিলে এই ভ্যাট দিতেই হয়, আর বড় অফিস চালান ছাড়া বিল দেয় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে ঢাকার অফিস লাঞ্চবক্স সেবার উদ্যোক্তারা

৯৯–১২০ টাকার ৫০০ বক্স, রান্নাঘর দাঁড় করাতে ৩০–৪০ লাখ

তেজগাঁওয়ের একটি বাণিজ্যিক রান্নাঘর দাঁড় করাতে খরচ ৩০–৪০ লাখ টাকা; দিনে প্রায় ৫০০ বক্স, প্রতি খাবার ৯৯–১২০ টাকা, মাসে আয় প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা। তেল ১১৫ থেকে ১৭০–১৮০ টাকা হওয়ায় ঘরোয়া রান্নাঘরগুলোর দাম ৮০–৯০ থেকে উঠেছে ১১০ টাকায়।

পুঁজি
৳৩৫ লাখ
কারণ
চাহিদা কম, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

তুলসীমালা সুগন্ধি চাল

শেরপুরের জিআই স্বীকৃত সুগন্ধি ধান ফলিয়ে ও ছাঁটিয়ে বিক্রি। ধান ৳২,২০০–২,৪০০ মণ, চাল অনলাইনে ৳১৪৫–১৫০ কেজি — জিআই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সুগন্ধি চালের চেয়ে দাম বেশি নয়।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১২০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

হোম বেকারি (কেক ও কুকিজ)

বাসার ওভেনে জন্মদিন ও অনুষ্ঠানের কেক। অর্ডার আসে ফেসবুক আর পরিচিতদের মাধ্যমে।

পুঁজি
৳৪০ হাজার – ৳১ লাখ
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৭ – ২১ দিন
বাজারদর
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

সৌর শুঁটকি — মাচা ও সোলার ড্রায়ারে শুকানো

মাটিতে নয়, মাচায় বা সোলার ড্রায়ারে মাছ শুকিয়ে কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি বানানো। ৩ জুন ২০২৬-এ চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ভালো ছুরি শুঁটকি ৳২,০০০–২,৫০০ আর লইট্টা ৳৬০০–১,৫০০ কেজি।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
২০ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

পনির ও ছানা তৈরি

দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
জনবল
১ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ১৩৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান