বাদাম ও শুকনা ফল প্যাকেজিং
আড়ত থেকে বস্তায় বাদাম-খেজুর কিনে ছোট প্যাকেটে নিজের নামে বিক্রি। পাইকারি কাঠবাদাম ৳১,১৫০ ও কাজু ৳১,৬০০ কেজি, প্যাকেটে ৳১,২০০–২,৬০০। বিএসটিআই সিএম লাগে না, মোড়কজাতকরণ সনদ লাগে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বাদাম ও শুকনা ফল প্যাকেজিং
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳১০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ২০ – ৬০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৮ – ১৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
আড়ত থেকে বস্তায় বাদাম, কিশমিশ ও খেজুর কিনে বাছাই করে, ভেজে বা কাঁচা অবস্থায় ছোট প্যাকেটে ভরে নিজের নামে বিক্রি করা। এখানে কিছু বানানো হয় না — পুরো কাজটাই কেনা, বাছা, ওজন করা, প্যাকেট করা আর দোকানে তোলা। লাভ আসে বস্তার দর আর প্যাকেটের দরের ফারাক থেকে। ফারাকটা দেখুন। ২৮ মার্চ ২০২৫-এ চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে কাঠবাদাম ছিল কেজি ৳১,১৫০, কাজুবাদাম ৳১,৬০০, পেস্তাবাদাম ৳২,৪৫০, চিনাবাদাম ৳১৩২ আর কিশমিশ ৳৫০০। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ চালডালে ছোট প্যাকেটের দর ছিল কাঠবাদাম ১০০ গ্রাম ৳১৫৯ (কেজি ৳১,৫৯০), একতা কাঠবাদাম ১০০ গ্রাম ৳১২০ (৳১,২০০), ফার্মার্স গোল্ড কাঠবাদাম ১০০ গ্রাম ৳২৫০ (৳২,৫০০), কাজুবাদাম ১০০ গ্রাম ৳১৮৯ (৳১,৮৯০) আর নিউট্রিভিটা কাজুবাদাম ১৫০ গ্রাম ৳৩৯০ (৳২,৬০০)। খেজুরের বাজারটা আলাদা আর পুরোপুরি রমজাননির্ভর। টিসিবির ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর ঢাকার খুচরা দরে খেজুর ছিল ৳৩৫০–৫৫০ কেজি। রমজানের আগে দাম লাফ দেয়: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ঢাকায় আজোয়া ছিল ৳১,০০০–১,২০০, সুক্কারি ৳৭০০–৮০০, মদিনা মরিয়ম ৳৫৫০, আর সস্তার জাহিদি ৳২৫০। একজন খুচরা বিক্রেতার কথায়, যে খেজুর আড়ত থেকে ৳১৮০-তে কিনতেন তা তখন ৳২৪০ হয়ে গিয়েছিল। ভালো খবর হলো বাদাম ও শুকনা ফল বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় নেই, তাই সিএম লাইসেন্স লাগে না। কিন্তু মোড়কে ওজন লিখে বিক্রি করলে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী বিএসটিআইয়ের পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ লাগবেই, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনও লাগবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১,২০০ – ৳২,৬০০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১,১৫০ – ৳১,৬০০ / কেজি | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ৫% – ৩৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ২০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৮ – ১৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩০ – ২০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- বাছাইয়ের টেবিল ও ট্রে, ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লা, ভাজার কড়াই বা রোস্টার, প্যাকেট ভরার টেবিল, হাত বা পা-চালিত সিলিং মেশিন, আর চাইলে নাইট্রোজেন ফ্লাশিংয়ের ব্যবস্থা।যন্ত্রপাতি
- বস্তায় কেনা কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, কিশমিশ ও খেজুর; সঙ্গে প্যাকেট, লেবেল ও কার্টন। রমজানের আগে খেজুরের মজুত সবচেয়ে বড় লাইন।শুরুর মাল
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই মেট্রোলজি উইং, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য মোড়কজাতকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে এই সনদ নেওয়া আবশ্যক। সনদ ছাড়া বা ওজনে কারচুপি করে বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা হয়; ক্ষেত্রবিশেষে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড।লাইসেন্স
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক। নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- খেজুরের জাত চেনা — আজোয়া, মরিয়ম, সুক্কারি, দাবাস, জাহিদি — আর মান দেখে দর করতে পারা। বাজারে প্রায় ৪০ ধরনের খেজুর আছে আর দামের পার্থক্য চার-পাঁচ গুণ, তাই ভুল জাত কিনলে পুরো মৌসুম মার যায়।দক্ষতা
- চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ বা ঢাকার বাদামতলী ফলের আড়তের একজন নিয়মিত পাইকার। প্যাকেট ও লেবেলের সরবরাহকারী আলাদা।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী প্যাকেট করবেন — শুধু বাদাম, না খেজুর আর কিশমিশও। খেজুরের ব্যবসা পুরোপুরি রমজাননির্ভর, বাদাম সারা বছর চলে।
- 2আড়তে যান। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ আর ঢাকার বাদামতলী — এই দুটোই বাদাম, কিশমিশ ও খেজুরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার।
- 3একটি পরিষ্কার ঘর নিন যেখানে বাছাই, ওজন ও প্যাকেটের কাজ হবে; মেঝে ও তাক শুকনা রাখতে হবে, আর ইঁদুর-পোকা ঢুকতে না পারে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
- 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
- 5বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদক হিসেবে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর।
- 6বিএসটিআইয়ের মেট্রোলজি উইং থেকে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ নিন। বাদাম ও শুকনা ফল বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় নেই, তাই সিএম লাইসেন্স লাগবে না — কিন্তু মোড়কে ওজন লিখলে এই সনদ লাগবেই।
- 7আড়ত থেকে বস্তা কিনে এনে বাছাই করুন — ভাঙা, পোকায় খাওয়া আর রং নষ্ট হওয়া দানা আলাদা করুন। বাছাই না করলে ক্রেতা দ্বিতীয়বার কেনেন না।
- 8চাইলে ভাজুন বা লবণ মাখান, তারপর ঠান্ডা করে ওজন করে প্যাকেটে ভরুন আর সিল করুন। গরম অবস্থায় প্যাকেট করলে ভেতরে ভাপ জমে বাদাম নেতিয়ে যায়।
- 9লেবেল লাগান — ওজন, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ, উপাদান আর ব্যাচ নম্বর থাকতে হবে। খেজুরের ক্ষেত্রে জাতের নামও লিখুন, কারণ ক্রেতা জাত ধরেই কেনেন।
- 10রমজানের অন্তত দুই মাস আগে খেজুর ও বাদাম কিনে রাখুন। রোজা সামনে রেখে আড়তের দাম হঠাৎ বাড়ে — এক খুচরা বিক্রেতার কথায় ৳১৮০-র মাল ৳২৪০ হয়ে গিয়েছিল।
- 11মুদি, সুপারশপ, মিষ্টির দোকান আর অনলাইনে বিক্রি করুন। ঈদ ও পূজার আগে উপহারের বাক্স বানানো প্রতিষ্ঠানের অর্ডার ধরার চেষ্টা করুন — এক অর্ডারেই বড় পরিমাণ যায়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনবেশি
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · খাতুনগঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার; বাদাম, কিশমিশ ও খেজুর এখান থেকেই সারা দেশে যায়, তাই কারখানা এখানে হলে কাঁচামাল সবচেয়ে সস্তা।
- খুব উপযোগীঢাকা · বাদামতলী ফলের আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা খেজুর নেন, আর সুপারশপ ও উপহারের বাক্সের ক্রেতাও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে; দুই আড়তের মাঝামাঝি হওয়ায় পরিবহন খরচ ভাগাভাগি করা যায়।
- সম্ভবগাজীপুর · শিল্প এলাকা, শ্রমিক ও বিদ্যুৎ সহজলভ্য, ঢাকার বাজার কাছে।
- সম্ভবখুলনা · দক্ষিণাঞ্চলের বড় শহর, নিজস্ব খুচরা বাজার আছে আর সুপারশপও বাড়ছে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, ঘরভাড়া কম আর ঢাকার বাজারে পৌঁছানো সহজ।
- সম্ভবরাজশাহী · উত্তরাঞ্চলের বিতরণকেন্দ্র; আশপাশের জেলায় নিজের নামে প্যাকেট ছড়ানো সহজ।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি; দামি খেজুর ও কাজুবাদামের প্যাকেট এখানে বেশি বিক্রি হয়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: রমজানের আগে আড়তের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। কারওয়ান বাজারের খুচরা বিক্রেতা মিল্লাত হোসেনের কথায়, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যে খেজুর আগে ৳১৮০-তে কেনা যেত তা ৳২৪০ হয়ে গিয়েছিল। খাতুনগঞ্জের পাইকারি বিক্রেতার ভাষ্যেও রোজার ১৫ দিন আগে বাদাম-কিশমিশের দাম বাড়ে। যিনি আগে কিনে রাখার টাকা জোগাড় করতে পারেন না, তিনি বছরের সবচেয়ে চড়া দামে কিনে সবচেয়ে কম লাভে বেচেন।
- বেশিচাহিদা: খেজুরের বিক্রি প্রায় পুরোটাই রমজানের এক মাসে। রোজা শেষ হলে চাহিদা ধপ করে পড়ে যায়, আর হাতে থাকা মাল সারা বছর ধরে ধীরে বিক্রি করতে হয় — নয়তো কমে ছেড়ে দিতে হয়। মৌসুম মেপে কেনার হিসাবে ভুল হলে পুরো বছরের লাভ ওই মালেই আটকে থাকে।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: বাদাম আর শুকনা ফল ভেজা বাতাসে নেতিয়ে যায়, আর তেলযুক্ত বাদামে বাসি গন্ধ ধরে। ইঁদুর ও পোকাও বড় শত্রু — একবার বস্তায় পোকা ধরলে বাছাই করেও পুরোটা বাঁচে না। খেজুরে সাদা চিনির মতো আস্তরণ পড়লে ক্রেতা নষ্ট ভেবে ফেরত দেন।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স না লাগলেও মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ লাগে, আর ওজনে কম দেওয়া এখানে সবচেয়ে সাধারণ অভিযোগ। ১০০ গ্রামের প্যাকেটে কয়েক গ্রাম কম থাকলেও ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মামলা ও জরিমানা হয়। ছোট প্যাকেটে কাজ করলে দাঁড়িপাল্লার নির্ভুলতাই ব্যবসার নিরাপত্তা।
সূত্র
যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমিষ্টির দোকান
দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৯ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৪৫ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশুকনো আম উৎপাদন
মৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৬০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমধু প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাত
মৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১৫০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং
অনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ৫ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৩০ দিন
