হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপতাঁত ও জামদানি
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৮০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
৩৯টি ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
কৃষি ও খামারএক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি। খামারে দাম ২০২৬ সালে কেজি ৳১১০ থেকে ৳১৯৮ পর্যন্ত উঠানামা করেছে, আর উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০।
কৃষি ও খামারবিঘায় ৩৫০–৪০০ গাছ, ফল আসে ১০–১৩ মাসে। গাছপ্রতি খরচ ৳১৫০–২০০, ছড়া বিক্রি ৳৩৫০–৪৫০, আর কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে গাছপ্রতি লাভ ৳১২০–১৮০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
কৃষি ও খামারখামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
কৃষি ও খামারসস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।
কৃষি ও খামারবাক্সে মৌমাছি পালন করে মধু তোলা। ফুল অনুযায়ী মধু ৳৬৫০–১,২০০ কেজি, কিন্তু নিজের নামে বোতলে বেচতে হলে বিএসটিআই সনদ লাগে — পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা কলা কিনে নিয়ন্ত্রিত চেম্বারে পাকিয়ে বিক্রি। নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৩ ধারায় ক্যালসিয়াম কার্বাইড নাম ধরে নিষিদ্ধ, আর সেই অপরাধ অজামিনযোগ্য; ইথিলিন-ইথোফেন নির্ধারিত মাত্রায় চলে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসরিষা ভাঙিয়ে তেল ও খৈল বিক্রি। এক মণ সরিষায় ১৬–১৯ লিটার তেল ও ২৫ কেজি খৈল; খৈলের টাকা বাদ দিলে লিটারপ্রতি খরচ ৳৯৬–১১৪, খোলা বিক্রি ৳২০০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচাল ভেজে মুড়ি বানিয়ে বিক্রি। এক কেজি চালে মুড়ি হয় ৯০০ গ্রাম, মোটা চাল ৳৫০–৫৫ কেজি — তাই মেশিনের মুড়িতে কেজিতে থাকে ৪–৬ টাকা, আর হাতে ভাজা খাঁটি মুড়ি পাইকারি ৳৯০ কেজি।
কৃষি ও খামারমৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ৪.৯৬ টন — ময়মনসিংহে ১২.৭২ টন আর রাঙ্গামাটিতে ২.০১ টন। জেলা বদলালেই আয় বদলে যায়।
কৃষি ও খামারএক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতে সরিষা ক্ষেতে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ, ছেঁকে বোতলে ভরে সারা বছর বিক্রি।