খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপনির ও ছানা তৈরি
দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৩৫ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১৯টি ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
কৃষি ও খামারগোবর দিয়ে রান্নার গ্যাস আর জৈব সার। এটা আয়ের ব্যবসা নয়, খরচ বাঁচানোর ব্যবস্থা — প্ল্যান্ট বসাতে ৳২৮,০০০–৫০,০০০, আর সাশ্রয় হয় মাসে জ্বালানির ৳৪,০০০ ও সার বিক্রি করে ৳২,০০০–২,৫০০।
কৃষি ও খামারফাল্গুন-চৈত্রে বোনা, আষাঢ়-শ্রাবণে কাটা ও জাগ দেওয়া। আগস্ট ২০২৬-এ পাইকারি জাতীয় গড় সাদা পাট ৳৯৮.৭৫ কেজি (মণে ৳৩,৯৫০), তোষা ৳৯১.৮৪ (মণে ৳৩,৬৭৩), আর উৎপাদন খরচ মণে ৳২,৬০০–৩,২০০।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবড়শি, ছিপ, রিল, জাল ও মাছের ওষুধের দোকান। ছিপ ৳৪৫৫–১,৫৫২, রিল ৳৬৪১–৬,৭০৫। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি নিষিদ্ধ — রাখলে জব্দ ও মোবাইল কোর্ট।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুট্টা, সয়াবিন মিল ও কুঁড়া মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি। বস্তার দর ৳৩,০০০–৩,৬৬৯, আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিএসটিআই সিএম দুটোই বাধ্যতামূলক।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামাছ ধরা, মালামাল টানা ও পর্যটকের জন্য নৌকা-ট্রলার ভাড়া দেওয়া। ডিজেল লিটারে ৳১১৫, আর ৮–২৯ অক্টোবর ২০২৬ ২২ দিন ইলিশ ধরা পুরোপুরি বন্ধ।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাজুতা, স্যান্ডেল, স্কুলব্যাগ ও বেল্টের খুচরা দোকান। স্কুল জুতা ৳৫৫৯–১,৯৯৯, স্কুলব্যাগ ৳২৭৯–৯৯৬। মাপ না মেলা জুতাই এখানে সবচেয়ে বড় লোকসান।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঘরে বসে শাড়ি ও থ্রি-পিসে চুমকি, পুঁতি ও জরির হাতের কাজ। মহাজন সব উপকরণ দিয়ে যান; মজুরি শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০, আর একটি শাড়িতে অন্তত ১৫ দিন লাগে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
কৃষি ও খামারহাওরে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে হাঁস পালন। ১০০ হাঁসে দিনে প্রায় ৬০টি ডিম, খাবার হাঁসপ্রতি দিনে ৳২, আর ১০০ ডিম বিক্রি হয় ৳১,২০০–১,৩০০ টাকায়।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোকাম থেকে বস্তা ধরে চাল এনে খুচরা দোকানে বিক্রি। ঢাকায় পাইকারি মোটা চাল ৳৪৩–৪৫, খুচরা ৳৫০–৫৫ — কিন্তু পাইকারের হাতে থাকে কেজিতে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা।
কৃষি ও খামারহারভেস্টার বা রিপার কিনে কৃষকের জমিতে ভাড়ায় খাটানো। মে ২০২৬-এ কটিয়াদীতে সরকারি নির্ধারিত ভাড়া বিঘায় ৳২,৫০০; যন্ত্রের দাম ৩০–৪০ লাখ, আর ভর্তুকি ২০২৪-এর জুন থেকে বন্ধ।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা মাছ কিনে তিন-চার দিন রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বিক্রি। ডিসেম্বর ২০২৫-এ দর ছিল পোয়া ৳৫০০–৮০০ থেকে রূপচাঁদা ৳১৮০০–২৫০০ কেজি; কীটনাশক ছাড়া শুকানোই রপ্তানির শর্ত।
কৃষি ও খামারএক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।
কৃষি ও খামারডিম বিক্রির জন্য ৩০০টি হাঁস দিয়ে শুরু। হাওর ও বিল এলাকায় খাবারের খরচ অনেক কম।