খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপনির ও ছানা তৈরি
দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৩৫ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১৫টি ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
কৃষি ও খামারআমন কাটার পর আর বোরো লাগানোর আগে — মাঝের ৮০-৯০ দিনের ফসল। আগস্ট ২০২৬-এ সরিষার পাইকারি জাতীয় গড় ৳৯১.২৭ কেজি (মণে প্রায় ৳৩,৬৫১), আর সরকারি প্রণোদনায় বিঘাপ্রতি উপকরণ দেওয়া হয় ৳৫৫০.৫০ মূল্যের।
কৃষি ও খামারমুড়িকাটা ও হালি — দুই ফসলের পেঁয়াজ। আগস্ট ২০২৬-এ দেশী পেঁয়াজের পাইকারি জাতীয় গড় ৳৪১.৮২ কেজি, কিন্তু চৈত্র-বৈশাখের ভরা মৌসুমে কৃষক পেয়েছেন মণ ৳৭০০–১,১০০, অথচ খরচ মণে ৳১,৪০০–১,৬০০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান ভেজে খই আর চিনি-গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা বানানো। চিনির পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি, বাতাসা বিক্রি ৳১৯০–৩০০ কেজি। পুঁজি খুব কম, বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ ভাঙিয়ে মাখন ও ঘি, আর পাতলা দুধ থেকে ছানা-দই। এক মণ (৪০ কেজি) দুধে সোয়া কেজি ঘি; খরচ প্রায় ৳২,৯০০, বিক্রি ৳৩,০৪০–৩,২৬০ — লাভ ৫ থেকে ১১ শতাংশ।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।
কৃষি ও খামারছয়-সাত মাসেই ফল আসে। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাইকারি দর কেজি ৳২০–৬৫, আর বিঘায় ২–আড়াই লাখ টাকার পেঁপে তোলা সম্ভব।
কৃষি ও খামারগাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাভোরে আড়ত থেকে কিনে সারা দিন খুচরা বিক্রি। ১৪-০৯-২০২৬ ঢাকায় আলু পাইকারি ৳১৫–২০, খুচরা ৳২৫–৩০; পেঁয়াজ পাইকারি ৳২৪–৪২, খুচরা ৳৪৫–৫৫ কেজি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাট দিয়ে ব্যাগ, টব ও শো-পিস তৈরি। ২ হাজার টাকার কাঁচি-দড়ি দিয়ে হাতে শুরু করা যায়, কিন্তু রপ্তানির অর্ডার পেতে কারখানা লাগে — ১০ মেশিনের কারখানায় গেছে প্রায় ৫ লাখ টাকা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতের তিন মাসে খেজুর বা আখের রস জ্বাল দিয়ে গুড় ও পাটালি বানিয়ে বিক্রি। যশোরে গুড় ৳৩৪০ কেজি, পাটালি ৳৫০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে বড় লড়াই দামের নয়, ভেজালের।
কৃষি ও খামারঘরের ভেতর তাকে স্পন প্যাকেট বসিয়ে ২৫–৩০ দিনে ফলন। খরচ ৳৮০–৯০ কেজি, বিক্রি ৳২৫০–৩০০ — কিন্তু ঢাকার বাইরে ক্রেতা খুঁজে পাওয়াই আসল কাজ।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
কৃষি ও খামারখামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসরিষা ভাঙিয়ে তেল ও খৈল বিক্রি। এক মণ সরিষায় ১৬–১৯ লিটার তেল ও ২৫ কেজি খৈল; খৈলের টাকা বাদ দিলে লিটারপ্রতি খরচ ৳৯৬–১১৪, খোলা বিক্রি ৳২০০।